ঢাকা ০৭:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর জেট ফুয়েলের দাম কমলো লিটার প্রতি ১৯ টাকা পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ছেন রবার্তো মার্টিনেজ গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ড্রাগন চাষে চমক দেখালেন শিক্ষক নাঈম পটুয়াখালীতে পিকআপ ভ্যান থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার কুমিল্লায় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ৯ ট্রেডে প্রশিক্ষণ শুরু নোয়াখালীতে অনিয়মের অভিযোগে দুই হাসপাতালকে জরিমানা

খাগড়াছড়িতে কোরবানির পশুর হাট জমজমাট

এস চাঙমা সত্যজিৎঃ
ভ্রাম্যমান প্রতিনিধিঃ
আসন্ন ঈদুল আজহার ঈদ উপলক্ষে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার পশুর হাট বেশ জমজমাট হয়ে উঠেছে। পাহাড়ের প্রাকৃতিক পরিবেশে ও দেশীয় পদ্ধতিতে লালিত পালিত গরুগুলোর প্রতি স্থানীয় ক্রেতাদের পাশাপাশি জেলার বাইরে থেকে আসা ক্রেতাদের বেশি আকর্ষণ রয়েছে।

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ঘুরে দেখা গেছে, ঈদুল আজহার উপলক্ষে ঈদের পশুর হাটগুলো বেশি জমে উঠেছে। এসব পশুর হাটগুলোতে গরু মহিষ ছাগলের অনেক বিক্রেতা বাজারে তুলেছেন। স্থানীয় পশু পালন কৃষক, পশু খামারিরা তাদের নিজস্ব পালিত গরু ছাগল মহিষ ঈদের বাজারে বিক্রির জন্য এসেছেন।

আর ব্যাবসায়ীরাও এনেছেন বিভিন্ন উপজেলা থেকে পশুর হাটে বিক্রি করার জন্য তাদের ক্রয়কৃত গরু ছাগল মহিষ। ঈদুল আজহা উপলক্ষে পূণ্য লাভের প্রত্যাশায় অনেকেই পশুর হাটে গিয়ে পছন্দনীয় গরু ছাগল মহিষ খুঁজতে দেখা গেছে। আবার অনেকে জেলার বাইরে থেকেও এসেছেন তাদের ঈদের উদ্দেশ্যে মানস করা পশু ক্রয় করে কোরবানি দেওয়ার জন্য পছন্দের গরু ছাগল দেখছেন।

খাগড়াছড়ির কোরবানির পশুর এতো চাহিদা কেন এমন প্রশ্নের জবাবে খামারি ও কৃষকরা জানান, আমাদের খাগড়াছড়ি জেলার প্রাকৃতিক পরিবেশে বেড়ে উঠা গরু ছাগল মহিষ খুবই সুন্দর। প্রকৃতির সবুজ ঘাস ব্যবহার করে পশুখাদ্য তৈরি করে খাওয়ানো হয়।

আমরা কোন কৃত্রিম উপায়ে হরমোন থেরাপি বা ঔষধ ব্যবহার করে পশুখাদ্য তৈরি করি না। আমরা সবসময় সতর্ক থাকি। রোগ বালাই থেকে মুক্ত রাখার জন্য আমরা স্থানীয় প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখি। তাদের পরামর্শ নিয়েই আমরা পশু পালন করে থাকি। তাই আমাদের খাগড়াছড়ি জেলার পশুগুলোর প্রতি ক্রেতাদের বেশি আকর্ষণ করে থাকে।

খাগড়াছড়ি পশুর হাটে সর্বোচ্চ মূল্যের চাহিদা সাত লাখ টাকা বলে জানা গেছে। আর ক্রেতার পক্ষ থেকে তিন লাখ টাকা দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পশুর হাটের কর্তৃপক্ষ। আর সর্বনিম্ন বিক্রয় মূল্য ৫৫ হাজার টাকা বলে জানা যায়।

খাগড়াছড়িতে কোরবানির পশুর হাটগুলো সুস্থ পরিবেশ রাখার জন্য খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করার নির্দেশ দিয়েছেন খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক।

পশুর হাট বাজার গুলোতে যেন কোন রূপ নকল টাকা, ছিনতাই ও বিভিন্ন ধরণের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয় তজ্জন্য জেলার গোয়েন্দা পুলিশ, পুলিশ প্রশাসন, প্রাণী সম্পদ বিভাগের বিশেষ নির্দেশনা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার জোরদার করা হয়েছে। এতে বিশেষ করে জাল নোট শনাক্তকরণ দলের তত্ত্বাবধান করবেন পশুর হাটগুলো। বিশেষ করে প্রাণী সম্পদ বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী পশু ক্রয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে বলে ভিজ্ঞমহল মনে করেন।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার

খাগড়াছড়িতে কোরবানির পশুর হাট জমজমাট

আপডেট টাইম : ০৫:৫৪:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬

এস চাঙমা সত্যজিৎঃ
ভ্রাম্যমান প্রতিনিধিঃ
আসন্ন ঈদুল আজহার ঈদ উপলক্ষে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার পশুর হাট বেশ জমজমাট হয়ে উঠেছে। পাহাড়ের প্রাকৃতিক পরিবেশে ও দেশীয় পদ্ধতিতে লালিত পালিত গরুগুলোর প্রতি স্থানীয় ক্রেতাদের পাশাপাশি জেলার বাইরে থেকে আসা ক্রেতাদের বেশি আকর্ষণ রয়েছে।

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ঘুরে দেখা গেছে, ঈদুল আজহার উপলক্ষে ঈদের পশুর হাটগুলো বেশি জমে উঠেছে। এসব পশুর হাটগুলোতে গরু মহিষ ছাগলের অনেক বিক্রেতা বাজারে তুলেছেন। স্থানীয় পশু পালন কৃষক, পশু খামারিরা তাদের নিজস্ব পালিত গরু ছাগল মহিষ ঈদের বাজারে বিক্রির জন্য এসেছেন।

আর ব্যাবসায়ীরাও এনেছেন বিভিন্ন উপজেলা থেকে পশুর হাটে বিক্রি করার জন্য তাদের ক্রয়কৃত গরু ছাগল মহিষ। ঈদুল আজহা উপলক্ষে পূণ্য লাভের প্রত্যাশায় অনেকেই পশুর হাটে গিয়ে পছন্দনীয় গরু ছাগল মহিষ খুঁজতে দেখা গেছে। আবার অনেকে জেলার বাইরে থেকেও এসেছেন তাদের ঈদের উদ্দেশ্যে মানস করা পশু ক্রয় করে কোরবানি দেওয়ার জন্য পছন্দের গরু ছাগল দেখছেন।

খাগড়াছড়ির কোরবানির পশুর এতো চাহিদা কেন এমন প্রশ্নের জবাবে খামারি ও কৃষকরা জানান, আমাদের খাগড়াছড়ি জেলার প্রাকৃতিক পরিবেশে বেড়ে উঠা গরু ছাগল মহিষ খুবই সুন্দর। প্রকৃতির সবুজ ঘাস ব্যবহার করে পশুখাদ্য তৈরি করে খাওয়ানো হয়।

আমরা কোন কৃত্রিম উপায়ে হরমোন থেরাপি বা ঔষধ ব্যবহার করে পশুখাদ্য তৈরি করি না। আমরা সবসময় সতর্ক থাকি। রোগ বালাই থেকে মুক্ত রাখার জন্য আমরা স্থানীয় প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখি। তাদের পরামর্শ নিয়েই আমরা পশু পালন করে থাকি। তাই আমাদের খাগড়াছড়ি জেলার পশুগুলোর প্রতি ক্রেতাদের বেশি আকর্ষণ করে থাকে।

খাগড়াছড়ি পশুর হাটে সর্বোচ্চ মূল্যের চাহিদা সাত লাখ টাকা বলে জানা গেছে। আর ক্রেতার পক্ষ থেকে তিন লাখ টাকা দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পশুর হাটের কর্তৃপক্ষ। আর সর্বনিম্ন বিক্রয় মূল্য ৫৫ হাজার টাকা বলে জানা যায়।

খাগড়াছড়িতে কোরবানির পশুর হাটগুলো সুস্থ পরিবেশ রাখার জন্য খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করার নির্দেশ দিয়েছেন খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক।

পশুর হাট বাজার গুলোতে যেন কোন রূপ নকল টাকা, ছিনতাই ও বিভিন্ন ধরণের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয় তজ্জন্য জেলার গোয়েন্দা পুলিশ, পুলিশ প্রশাসন, প্রাণী সম্পদ বিভাগের বিশেষ নির্দেশনা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার জোরদার করা হয়েছে। এতে বিশেষ করে জাল নোট শনাক্তকরণ দলের তত্ত্বাবধান করবেন পশুর হাটগুলো। বিশেষ করে প্রাণী সম্পদ বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী পশু ক্রয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে বলে ভিজ্ঞমহল মনে করেন।


প্রিন্ট