ঢাকা ০৫:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ডেনমার্কে রুশ নাশকতার প্রস্তুতির বিষয়ে গোয়েন্দা সতর্কতা বরিশালে ২৪ ঘণ্টায় ৫৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড তরুণদের উদ্যোক্তা হতে অর্থায়ন দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক বরিশালে ২৪ ঘণ্টায় ৫৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড রাজশাহীতে পরিবেশবান্ধব গ্রিন বিল্ডিংয়ের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন ন্যায়বিচার, সমতা ও মানবাধিকারই টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ার ভিত্তি : আইরিন খান সুনামগঞ্জের নতুনপাড়াস্থ শ্রী শ্রী রাধাকৃষ্ণ মন্দির প্রাঙ্গণে চিত্রাংঙ্গন ও কুইজ প্রতিযোগিতা,ধর্মীয় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত স্কুলের দায়িত্ব ফেলে গরুর হাটে ব্যবসা, অফিস সহায়কের বিরুদ্ধে স্কুলে না থাকার অভিযোগ স্বামীর মৃত্যুর পরই সম্পত্তি দখলের পাঁয়তারা, মোহাম্মদপুর চন্দ্রিমা হাউজিংয়ে নওরিন সুলতানা মিশুর অভিযোগ শান্তিগঞ্জে হ্যান্ডকাপ অবস্হায় পুলিশের কাছ থেকে আসামীকে ছিনিয়ে নিয়ে যায় স্বজনরা

ব্রহ্মপুত্রে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ, ৪৪ ঘণ্টা পর মরদেহ উদ্ধার

রুহুল আমিন রুকু,কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ
কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলায় ব্রহ্মপুত্র নদে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়া রাইসা মনি (৮) নামের এক শিশুর মরদেহ ৪৪ ঘণ্টা পর উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের কাঁচকোল কেডিওয়ারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সংলগ্ন নদীতীর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত রাইসা মনি কাঁচকোল দক্ষিণ খামার এলাকার রাশেদুল ইসলামের মেয়ে। সে কাঁচকোল বাজার নবীজান নুরানী ও হাফিজিয়া মাদরাসার দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত রবিবার বিকেলে সমবয়সী কয়েকজন শিশুর সঙ্গে ব্রহ্মপুত্র নদে গোসল করতে যায় রাইসা। একপর্যায়ে নদীর কিনারা থেকে কিছুটা দূরে চলে গেলে পানিতে তলিয়ে যায় সে। সঙ্গে থাকা শিশুরা তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। পরে বিষয়টি স্থানীয়দের জানানো হলে নদীতে ব্যাপক খোঁজাখুঁজি শুরু হয়।

খবর পেয়ে চিলমারী ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। পরদিন সোমবার সকালে রংপুর থেকে একটি বিশেষ ডুবুরিদল এসে অভিযানে যোগ দেয়। প্রায় ছয় ঘণ্টা তল্লাশি চালিয়েও শিশুটির কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

অবশেষে নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ৪৪ ঘণ্টা পর মঙ্গলবার দুপুরে কেডিওয়ারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের নদীতীরে একটি মরদেহ ভাসতে দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে সেটি রাইসা মনির মরদেহ বলে শনাক্ত করা হয়। খবর পেয়ে স্বজনরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. রফিকুল ইসলাম মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “নিখোঁজ হওয়ার পর থেকেই স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিস ও ডুবুরিদলের সঙ্গে সমন্বয় করে উদ্ধারকাজে সহযোগিতা করেছেন।”
এ বিষয়ে চিলমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নয়ন কুমার বলেন, “শিশুটি নিখোঁজ হওয়ার পর থেকেই ফায়ার সার্ভিস, নৌ পুলিশ ও স্থানীয়দের সমন্বয়ে উদ্ধার অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি আমরা জেনেছি।”
ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহত শিশুর পরিবারে চলছে মাতম।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ডেনমার্কে রুশ নাশকতার প্রস্তুতির বিষয়ে গোয়েন্দা সতর্কতা

ব্রহ্মপুত্রে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ, ৪৪ ঘণ্টা পর মরদেহ উদ্ধার

আপডেট টাইম : ০৬:০৮:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

রুহুল আমিন রুকু,কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ
কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলায় ব্রহ্মপুত্র নদে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়া রাইসা মনি (৮) নামের এক শিশুর মরদেহ ৪৪ ঘণ্টা পর উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের কাঁচকোল কেডিওয়ারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সংলগ্ন নদীতীর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত রাইসা মনি কাঁচকোল দক্ষিণ খামার এলাকার রাশেদুল ইসলামের মেয়ে। সে কাঁচকোল বাজার নবীজান নুরানী ও হাফিজিয়া মাদরাসার দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত রবিবার বিকেলে সমবয়সী কয়েকজন শিশুর সঙ্গে ব্রহ্মপুত্র নদে গোসল করতে যায় রাইসা। একপর্যায়ে নদীর কিনারা থেকে কিছুটা দূরে চলে গেলে পানিতে তলিয়ে যায় সে। সঙ্গে থাকা শিশুরা তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। পরে বিষয়টি স্থানীয়দের জানানো হলে নদীতে ব্যাপক খোঁজাখুঁজি শুরু হয়।

খবর পেয়ে চিলমারী ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। পরদিন সোমবার সকালে রংপুর থেকে একটি বিশেষ ডুবুরিদল এসে অভিযানে যোগ দেয়। প্রায় ছয় ঘণ্টা তল্লাশি চালিয়েও শিশুটির কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

অবশেষে নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ৪৪ ঘণ্টা পর মঙ্গলবার দুপুরে কেডিওয়ারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের নদীতীরে একটি মরদেহ ভাসতে দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে সেটি রাইসা মনির মরদেহ বলে শনাক্ত করা হয়। খবর পেয়ে স্বজনরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. রফিকুল ইসলাম মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “নিখোঁজ হওয়ার পর থেকেই স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিস ও ডুবুরিদলের সঙ্গে সমন্বয় করে উদ্ধারকাজে সহযোগিতা করেছেন।”
এ বিষয়ে চিলমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নয়ন কুমার বলেন, “শিশুটি নিখোঁজ হওয়ার পর থেকেই ফায়ার সার্ভিস, নৌ পুলিশ ও স্থানীয়দের সমন্বয়ে উদ্ধার অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি আমরা জেনেছি।”
ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহত শিশুর পরিবারে চলছে মাতম।


প্রিন্ট