ঢাকা ০১:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এনআইডি সংশোধনে ৬ ক্যাটাগরির সেবা সাময়িক বন্ধ, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন বিশ্বম্ভরপুরের অনন্তপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের দুর্বৃত্তদের ছিটানো বিষে মারা গেছে সাড়ে ৪ লাখ টাকার পোনা কাপ্তাই লেকে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার ফিলিস্তিনিদের দুর্ভোগ বিশ্বের জন্য লজ্জার: মিশরের কোচ হোসাম হাসান ন্যাটো সম্মেলনের আগে মস্কোর দিকে ৪০০-র বেশি ড্রোন নিক্ষেপ ইউক্রেনের “ময়মনসিংহে মায়ের শ্লীলতাহানির ক্ষোভে রুবেল হত্যা, গ্রেপ্তার ৪” মিথ্যা অপপ্রচার দিয়ে ভালো উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত করা হয় মনোয়ার হোসেন জীবন ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে শুরু হলো ‘গ্র্যান্ড আমেরিকান ফুড ফেস্টিভ্যাল

গার্মেন্টের কর্মীরা ছুটি শেষে এসে দেখে গার্মেন্ট বন্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক,সিটিজেন নিউজ: রাজধানীর শ্যামলীতে বকেয়া বেতনের দাবিতে সড়ক অবরোধ করেছে আলিফ অ্যাপারেলস নামে একটি গার্মেন্টের কর্মীরা। শ্রমিকরা জানান, নোটিশ ছাড়া প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। তাই তারা সড়ক অবরোধ করেছেন।

বুধবার সকাল ১০টা থেকে এ অবরোধ শুরু হয়।
শ্রমিকরা জানান, গত ১১ আগস্ট তারা ঈদের ছুটিতে যান। ঈদের ছুটি কাটিয়ে আজ গার্মেন্ট খোলার কথা ছিল। সকালে এসে তারা গার্মেন্টের গেটে তালা দেখতে পান। এছাড়া গেটে পুলিশ অবস্থান নিয়েছে। আজ থেকে গার্মেন্ট বন্ধ এমন একটি নোটিশ গেটে টাঙ্গিয়ে দেয়া হয়।

এরপরই সড়ক অবরোধ করে শ্রমিকরা। অবরোধের ফলে শ্যামলী থেকে কল্যাণপুরের সড়কের যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে তাদের সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে পুলিশ ।

মোহাম্মদপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) বুলবুল সিটিজেন নিউজকে বলেন, সর্বশেষ বেলা ১১টা পর্যন্ত শ্রমিকরা সড়কে অবস্থান করছে। পুলিশ তাদের সঙ্গে কথা বলে তাদের সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে। ঘটনাস্থলে মোহাম্মদপুর থানার ওসি জিজি বিশ্বাসসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত আছেন।

এদিকে অবরোধের বিষয়ে বিক্ষুব্ধ শ্রমিক আলেয়া বেগম বলেন, আমাদের না জানিয়ে সকালে গার্মেন্ট বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। আমাদের অন্তত একবার জানাতে পারতো। আমরা বেতন পাইনি, গার্মেন্টের গেটের সামনে ২ ঘণ্টা ধরে বসা। কেউ কোন কথা বলে না। কেউ কোন সমাধান দিতে না পাড়ায় আমরা রাস্তায় অবস্থান নিয়েছি।

আরেক শ্রমিক বলেন, বিজিএমইএ’র বিধান অনুযায়ী একটি গার্মেন্ট বন্ধের তিন মাস আগে শ্রমিকদের অবহিত করে তাদের পাওনা পরিশোধ করতে হয়। আমাদের বেতন-বোনাসসহ পাওনা টাকা দিতে হবে। এই দাবি পূরণ না হলে আমরা সড়কেই থাকব।

সাখাওয়াত হোসেন নামে এক শ্রমিক বলেন, একই গার্মেন্টে পাওনা বেতনের জন্য কয়েকমাস আগে আমরা সড়কে নেমে আন্দোলন করেছিলাম। তখন মালিকপক্ষ বলেছিল ৬ মাসের মধ্যে আমাদের পাওনা পরিশোধ করে দেবে। কিন্তু এখন কিছু না বলে হঠাৎ গার্মেন্ট বন্ধ করে দিলো।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

এনআইডি সংশোধনে ৬ ক্যাটাগরির সেবা সাময়িক বন্ধ, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন

গার্মেন্টের কর্মীরা ছুটি শেষে এসে দেখে গার্মেন্ট বন্ধ

আপডেট টাইম : ০২:৪৮:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অগাস্ট ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক,সিটিজেন নিউজ: রাজধানীর শ্যামলীতে বকেয়া বেতনের দাবিতে সড়ক অবরোধ করেছে আলিফ অ্যাপারেলস নামে একটি গার্মেন্টের কর্মীরা। শ্রমিকরা জানান, নোটিশ ছাড়া প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। তাই তারা সড়ক অবরোধ করেছেন।

বুধবার সকাল ১০টা থেকে এ অবরোধ শুরু হয়।
শ্রমিকরা জানান, গত ১১ আগস্ট তারা ঈদের ছুটিতে যান। ঈদের ছুটি কাটিয়ে আজ গার্মেন্ট খোলার কথা ছিল। সকালে এসে তারা গার্মেন্টের গেটে তালা দেখতে পান। এছাড়া গেটে পুলিশ অবস্থান নিয়েছে। আজ থেকে গার্মেন্ট বন্ধ এমন একটি নোটিশ গেটে টাঙ্গিয়ে দেয়া হয়।

এরপরই সড়ক অবরোধ করে শ্রমিকরা। অবরোধের ফলে শ্যামলী থেকে কল্যাণপুরের সড়কের যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে তাদের সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে পুলিশ ।

মোহাম্মদপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) বুলবুল সিটিজেন নিউজকে বলেন, সর্বশেষ বেলা ১১টা পর্যন্ত শ্রমিকরা সড়কে অবস্থান করছে। পুলিশ তাদের সঙ্গে কথা বলে তাদের সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে। ঘটনাস্থলে মোহাম্মদপুর থানার ওসি জিজি বিশ্বাসসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত আছেন।

এদিকে অবরোধের বিষয়ে বিক্ষুব্ধ শ্রমিক আলেয়া বেগম বলেন, আমাদের না জানিয়ে সকালে গার্মেন্ট বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। আমাদের অন্তত একবার জানাতে পারতো। আমরা বেতন পাইনি, গার্মেন্টের গেটের সামনে ২ ঘণ্টা ধরে বসা। কেউ কোন কথা বলে না। কেউ কোন সমাধান দিতে না পাড়ায় আমরা রাস্তায় অবস্থান নিয়েছি।

আরেক শ্রমিক বলেন, বিজিএমইএ’র বিধান অনুযায়ী একটি গার্মেন্ট বন্ধের তিন মাস আগে শ্রমিকদের অবহিত করে তাদের পাওনা পরিশোধ করতে হয়। আমাদের বেতন-বোনাসসহ পাওনা টাকা দিতে হবে। এই দাবি পূরণ না হলে আমরা সড়কেই থাকব।

সাখাওয়াত হোসেন নামে এক শ্রমিক বলেন, একই গার্মেন্টে পাওনা বেতনের জন্য কয়েকমাস আগে আমরা সড়কে নেমে আন্দোলন করেছিলাম। তখন মালিকপক্ষ বলেছিল ৬ মাসের মধ্যে আমাদের পাওনা পরিশোধ করে দেবে। কিন্তু এখন কিছু না বলে হঠাৎ গার্মেন্ট বন্ধ করে দিলো।


প্রিন্ট