স্টাফ রিপোর্টার | মোঃ আব্দুল আজিজ মিয়াঃ
কুড়িগ্রাম জেলা যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের কার্যক্রমে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করে আসছেন ডেপুটি কো-অর্ডিনেটর মোহাম্মদ জামিল চৌধুরী। সরকারের যুব উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে জেলার বেকার ও কর্মপ্রত্যাশী যুবকদের দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করতে তিনি নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।
জানা গেছে, কুড়িগ্রাম যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে বিভিন্ন সময়ে সরকার নির্ধারিত ট্রেডভিত্তিক প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়। এসব প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যুবক-যুবতীদের কারিগরি দক্ষতা বৃদ্ধি, আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি, উদ্যোক্তা তৈরি এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত প্রশিক্ষণার্থীরা এসব কোর্সে অংশগ্রহণ করে নিজেদের দক্ষতা উন্নয়নের পাশাপাশি স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।
প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের তথ্যফলকে উল্লেখ রয়েছে, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং যুব সমাজকে আত্মনির্ভরশীল হিসেবে গড়ে তোলাই কেন্দ্রটির অন্যতম লক্ষ্য। প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীদের বাস্তবমুখী দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে কর্মজীবনে প্রবেশ কিংবা নিজস্ব উদ্যোগে ব্যবসা শুরু করার জন্য উদ্বুদ্ধ করা হয়।
কেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, প্রশিক্ষণের পাশাপাশি অংশগ্রহণকারীদের বিভিন্ন সরকারি সুযোগ-সুবিধা, আত্মকর্মসংস্থানমূলক কার্যক্রম এবং উদ্যোক্তা উন্নয়ন বিষয়েও পরামর্শ প্রদান করা হয়। ফলে প্রশিক্ষণ গ্রহণের পর অনেকেই নিজ উদ্যোগে বিভিন্ন আয়ের উৎস তৈরি করতে সক্ষম হচ্ছেন।
ডেপুটি কো-অর্ডিনেটর মোহাম্মদ জামিল চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, “সরকার আমাকে যে দায়িত্ব দিয়েছে, আমি তা সততা, স্বচ্ছতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করে যেতে চাই। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী যুব সমাজকে দক্ষ ও আত্মনির্ভরশীল হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে আমরা আন্তরিকভাবে কাজ করছি। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যুবকদের কর্মসংস্থানের উপযোগী করে গড়ে তোলাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।”
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার যুব উন্নয়নকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে কুড়িগ্রাম যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিয়মিত প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে এবং ভবিষ্যতেও এ কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
স্থানীয়দের মতে, কুড়িগ্রাম যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র জেলার বেকার যুবকদের দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আত্মকর্মসংস্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হলে জেলার আরও বেশি সংখ্যক যুবক-যুবতী কর্মমুখী প্রশিক্ষণের সুযোগ পাবে এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কার্যকর অবদান রাখতে সক্ষম হবে।
প্রিন্ট
সিটিজেন নিউজ ডেস্ক 

























