ঢাকা ০৭:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ধর্ষণ মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন

টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে গৃহবধূকে (২৩) সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় ৬ আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরো ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আনম ইলিয়াস এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—দেলদুয়ার উপজেলার মঙ্গলহোড় গ্রামের হযরত আলীর ছেলে রাজন মিয়া, মজনু মিয়ার ছেলে রিফাত, মোবারকের ছেলে আব্দুর রউফ, সদর উপজেলার পয়লা পশ্চিমপাড়া গ্রামের নিলু মিয়ার ছেলে আমির হামজা, কালিহাতী উপজেলার পৌলি গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে আল আমিন ও দেলদুয়ার উপজেলার পাথরাইল গ্রামের মৃত সিরাজ মিয়ার ছেলে বিপ্লব মিয়া।

পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওমরাও খান দিপু জানান, ২০২৪ সালের ২৯ অক্টোবর ওই গৃহবধূ দেলদুয়ার উপজেলার ফুফুর বাড়িতে যান। ফুফুর কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা ধার নেন তিনি।

ওইদিন রাতে বাড়ি ফেরার পথে কয়েকজন যুবক তাকে একটি টেক্সটাইল মিলের অফিস রুমে নিয়ে গিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। এ ছাড়া তারা ওই গৃহবধূর মোবাইল ফোন ও ৫০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেন।

পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। ঘটনার পরদিন ভুক্তভোগী বাদী হয়ে দেলদুয়ার থানায় মামলা করেন।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ধর্ষণ মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন

আপডেট টাইম : ০৬:২৬:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে গৃহবধূকে (২৩) সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় ৬ আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরো ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আনম ইলিয়াস এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—দেলদুয়ার উপজেলার মঙ্গলহোড় গ্রামের হযরত আলীর ছেলে রাজন মিয়া, মজনু মিয়ার ছেলে রিফাত, মোবারকের ছেলে আব্দুর রউফ, সদর উপজেলার পয়লা পশ্চিমপাড়া গ্রামের নিলু মিয়ার ছেলে আমির হামজা, কালিহাতী উপজেলার পৌলি গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে আল আমিন ও দেলদুয়ার উপজেলার পাথরাইল গ্রামের মৃত সিরাজ মিয়ার ছেলে বিপ্লব মিয়া।

পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওমরাও খান দিপু জানান, ২০২৪ সালের ২৯ অক্টোবর ওই গৃহবধূ দেলদুয়ার উপজেলার ফুফুর বাড়িতে যান। ফুফুর কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা ধার নেন তিনি।

ওইদিন রাতে বাড়ি ফেরার পথে কয়েকজন যুবক তাকে একটি টেক্সটাইল মিলের অফিস রুমে নিয়ে গিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। এ ছাড়া তারা ওই গৃহবধূর মোবাইল ফোন ও ৫০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেন।

পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। ঘটনার পরদিন ভুক্তভোগী বাদী হয়ে দেলদুয়ার থানায় মামলা করেন।


প্রিন্ট