শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০১:২৯ পূর্বাহ্ন
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ::
সিটিজেন নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যারা আগ্রহী আমাদের ই-মেইলে সিভি পাঠান
সংবাদ শিরোনাম ::
লেবানন ও ইসরাইলের ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি শুরু; লঙ্ঘনের অভিযোগ সেনাবাহিনীর বাণিজ্য সচিবের মৃত্যুতে মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীনের শোক আলোকিত লালমনিরহাটে উন্নয়নের নতুন দিগন্ত ইউরেনিয়াম হস্তান্তরে রাজি ইরান: ট্রাম্প মুন্সীগঞ্জে বিনামূল্যে আউশ ধান বীজ ও সার বিতরণ লেবাননে যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছে সৌদি আরব নিঝুম দ্বীপে সাবেক বিএনপি সভাপতির বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারণা, প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন রাজধানীতে হত্যাকাণ্ডে জড়িত আটক ২: র‌্যাব নকল বন্ধে এসএসসি পরীক্ষার রুটিন না দেওয়ার খবর গুজব: শিক্ষা মন্ত্রণালয় ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর

স্যামসাংয়ের নামে নকল পণ্য বিক্রি

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৪ মে, ২০২৪
  • ১৩৫ বার পঠিত

স্যামসাংয়ের নামে নকল পণ্য বিক্রি করে প্রতারণা করছে রায়ানস নামে দেশের অন্যতম শীর্ষ প্রযুক্তিপণ্য বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান ‘রায়ানস কম্পিউটার্স লিমিটেড’। সম্প্রতি রায়ানস থেকে স্যামসাংয়ের একটি দুই টেরাবাইট (টিবি) এসএসডি (সলিড-স্টেট ড্রাইভ) কেনেন তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক কনটেন্ট নির্মাতা অনন্য জামান।

দেখা যায় এসএসডিতে স্যামসাংয়ের নকল স্টিকার সিলভার কন্ট্রোল লাগানো। ডিভাইসটি কম্পিউটারে লাগিয়ে পরীক্ষা করলে নকল ধরা পড়ে।

বিষয়টি নিয়ে একটি ভিডিও তৈরি করেছেন অনন্য জামান। সামাজিকমাধ্যমে আপলোড করা ওই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, ২২ হাজার ৪০০ টাকায় তিনি রায়ানস থেকে এসএসডিটি কিনেছেন। যেখানে রায়ানসের ইনভয়েসও দেখানো হয়েছে।

এসএসডিতে লাগানো স্যামসাংয়ের সিলভার কন্ট্রোলারটি স্টিকার লাগানো। স্টিকার তুললে নিচে দেখা যাচ্ছে, ভেতরে আরডিএস-৫৭৭২ ডিএল নামে একটা কন্ট্রোল দেওয়া, যা স্যামসাংয়ের নয়।

বিষয়টি নিয়ে অনন্য জামানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিশ্বজুড়ে স্যামসাংয়ের এসএসডি সবচেয়ে জনপ্রিয়। বাংলাদেশেও সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয় স্যামসাংয়ের এসএসডি। বাজারে চাহিদা থাকার কারণে অনেকেই এই সুযোগটা নিয়ে নকল পণ্য বাজারজাত করে।

জামান জানান, এই পণ্যটি যে নকল তা কোনো সাধারণ ক্রেতার বোঝার উপায় নেই। আমরা যারা এসব নিয়ে কাজ করি তারা ধরতে পারি। বুঝতে না পেরে মানুষ স্যাংসাংয়ের পণ্য মনে করেই এটি কিনছে। কিন্তু তারা বিরাট ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

ক্রেতা-বিক্রেতাদের সতর্ক করে জামান বলেন, স্যামসাং এসএসডি-এর জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে কেউ কেউ এটার নকল ভার্সন দেশে এনেছে। গত কয়েক মাসে গণহারে এটা ঢাকা থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়েছে।

বিক্রেতা এবং ক্রেতা উভয়ের সতর্ক হওয়া উচিত। এসব নকল স্টিকার লাগানো এসএসডির দাম এবং পারফরমেন্স অর্ধেকও না। নিজের টাকা খরচ করবেন বুঝে করবেন, ব্যবসা করবেন নিজের সুনামের কথা চিন্তা করে করবেন।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে রায়ানস কম্পিউটার্স লিমিটেডর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আহমেদ হাসান বলেন, আমরা ভিডিওটা দেখেছি। সেখানে যেভাবে স্টিকারটি খোলা হয়েছে, সেভাবে কখনেই আমরা দেখি না। স্টিকার তুলে নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের নাম যাচাই করেও বোঝার উপায় নেই। আমরা আসল পণ্য ছাড়া ক্রয়-বিক্রয় কোনোটাই করি না। আমাদের প্রতিষ্ঠান থেকে নকল পণ্য বিক্রির সুযোগ নেই। তারপরও বিষয়টি নিয়ে যাচাই বা তদন্ত করে বিস্তারিত জানাতে পারব।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

নিজস্ব প্রতিবেদক: শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণে আনতে বয়স যাচাইয়ের একটি নতুন ব্যবস্থা চালুর প্রস্তুতি শেষ করেছে সংস্থাটি। শিগগিরই এটি ব্যবহারযোগ্য করা হবে বলে জানানো হয়েছে। ফলে শিশুদের ইন্টারনেট ব্যবহারে নতুন নিয়ম আসতে যাচ্ছে। এই অ্যাপ মূলত একটি ডিজিটাল পরিচয়পত্রের মতো কাজ করবে। ব্যবহারকারীরা এতে পাসপোর্ট বা জাতীয় পরিচয়পত্র আপলোড করে নিজেদের বয়স যাচাই করতে পারবেন। তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কোনো ওয়েবসাইট বা অ্যাপ ব্যবহারকারীর জন্মতারিখ বা ব্যক্তিগত তথ্য সরাসরি দেখতে পারবে না। শুধু নির্দিষ্ট বয়সসীমার ওপরে বা নিচে আছেন কি না এই তথ্যই জানানো হবে। ইউরোপীয় কমিশন বলছে, এই ব্যবস্থা চালু হলে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো আর বয়স যাচাই নিয়ে অজুহাত দেখাতে পারবে না। কারণ একটি কেন্দ্রীয় সমাধানই তাদের সামনে থাকবে। এতে প্ল্যাটফর্মগুলোর ওপর আলাদা করে তথ্য সংগ্রহের চাপও কমবে। সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বেড়েছে। বিভিন্ন দেশে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর চাপ তৈরি হয়েছে, যাতে তারা কম বয়সী ব্যবহারকারীদের জন্য আরও কঠোর সুরক্ষা ব্যবস্থা চালু করে। এরই মধ্যে কিছু দেশ কড়া পদক্ষেপও নিয়েছে। উদাহরণ হিসেবে, অস্ট্রেলিয়া ১৬ বছরের কম বয়সীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি অঙ্গরাজ্যেও বয়স যাচাই ও অভিভাবকের অনুমতি বাধ্যতামূলক করার আইন পাস হয়েছে। তবে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো বয়স যাচাই ব্যবস্থার বাস্তবায়ন নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে। তাদের মতে, ব্যবহারকারীর সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করলে গোপনীয়তা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। বিশেষ করে অ্যাপ স্টোর বা প্ল্যাটফর্মগুলোকে কেন্দ্রীয়ভাবে এই তথ্য সংরক্ষণ করতে হলে তা আরও জটিল হয়ে উঠবে। এই প্রেক্ষাপটে ইউরোপের নতুন অ্যাপটি একটি বিকল্প সমাধান হিসেবে সামনে আসছে। এতে ব্যবহারকারীর তথ্য সরাসরি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়বে না। বরং একটি নির্দিষ্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে যাচাই সম্পন্ন হবে। ইউরোপীয় কমিশন জানিয়েছে, অ্যাপটি প্রযুক্তিগতভাবে প্রস্তুত এবং খুব শিগগিরই ইউরোপীয় নাগরিকদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। সদস্য দেশগুলো নিজেদের আইন অনুযায়ী অ্যাপটি কাস্টমাইজ করতে পারবে। ইউরোপের ডিজিটাল সার্ভিসেস অ্যাক্ট অনুযায়ী, বড় প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মগুলোকে কম বয়সী ব্যবহারকারীদের সুরক্ষায় ব্যবস্থা নিতে হবে। নতুন অ্যাপটি ব্যবহার বাধ্যতামূলক না হলেও বিকল্প পদ্ধতি ব্যবহার করলে সেটি সমান কার্যকর প্রমাণ করতে হবে। তা না হলে শাস্তির মুখে পড়তে পারে প্রতিষ্ঠানগুলো। বিশ্লেষকদের মতে, এই উদ্যোগ সফল হলে অনলাইন নিরাপত্তায় বড় পরিবর্তন আসতে পারে। একই সঙ্গে গোপনীয়তা রক্ষা করে বয়স যাচাইয়ের একটি নতুন মানদণ্ডও তৈরি হতে পারে।

© All rights reserved  2019 CitizenNews24
Theme Developed BY ThemesBazar.Com