ঢাকা ০১:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বগুড়ায় দিনদুপুরে কলেজছাত্রী অপহরণের চেষ্টা, বাধা দেওয়ায় মাথায় ছু/রিকাঘাত কফি পান করার ৫ উপকারিতা সঙ্গীর সঙ্গে খাবার খেলে নিয়ন্ত্রণে থাকে রক্তে শর্করা ‘নিরাপদ, টেকসই, সাশ্রয়ী ও মর্যাদাপূর্ণ বাসস্থান নিশ্চিতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ’ ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষের অধিকার নিশ্চিতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে ঢাবিতে দাবা টুর্নামেন্ট ৯ অক্টোবর বাংলাদেশ এয়ারপোর্টে প্রবাসীদের ভোগান্তি নিরসন না হলে রেমিট্যান্স শাটডাউনের হুঁশিয়ারি উলিপুর সীমান্ত বাংলাদেশি ভেবে দুই ভারতীয়কে বিএসএফের গুলি, গুরুতর আহত অবস্থায় রংপুর মেডিকেলে শিক্ষার মানোন্নয়নে আধুনিক ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে : রেলপথ মন্ত্রী প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতে কাজ করতে চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টদের প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির

কালিয়াকৈরে তীব্র এলপিজি গ্যাসের সংকট বাড়তি দামেও মিলেনা গ্যাস মধ্যবিত্ত মানুষের এগুলো দেখার কেউ নেই

শাকিল হোসেন,কালিয়াকৈর(গাজীপুর)প্রতিনিধিঃ

 

গাজীপুর কালিয়াকৈরে উপজেলার হরতকিতলা, আমতলা,মাইওয়ান, চন্দ্রা,পল্লী বিদ্যুৎ, সফিপুর, মৌচাক সহ বিভিন্ন দোকানে তীব্র এলপিজি সংকট দেখা দিয়েছে। বাড়তি দাম দিয়েও মিলছে না সিলিন্ডার গ্যাস। সরবরাহ না থাকায় বসুন্ধরা, ওমেরা,আই গ্যাস দুবাই-বাংলাসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ডিলার পয়েন্টে ঝুলছে তালা। গত এক সপ্তাহ ধরে সংকট চলায় এলপিজি ব্যবহারকারীদের মধ্যে পোশাক কলকারখানা ও নানা পেশাজীবী শ্রমিকদের রান্না নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এক সপ্তাহ আগেও কালিয়াকৈর বাজারে ১২ কেজি ওজনের একটি এলপিজি সিলিন্ডার ১ হাজার ৬৫০ থেকে ১ হাজার ৭০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। তখন বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক ছিল। তবে গত সপ্তাহের শুরু থেকে হঠাৎ সরবরাহ কমতে শুরু করে।

সপ্তাহের শেষদিকে সংকট আরও তীব্র আকার ধারণ করে।স্থানীয় এক বাসিন্দা মোঃ সাইদুর রহমান জানান, মাত্র কয়েকদিন আগেই ১৫০০ থেকে ১৬০০ টাকার মধ্যেই এলপিজি গ্যাস পাওয়া যেত এখন দাম বেড়ে ২৫০০ টাকা থেকে ২৬০০ টাকা বিক্রি করছে অসাধু কিছু ব্যবসায়ী অতি তাড়াতাড়ি এই অসাধু ব্যবসায়ীদের আইনের আওতায় এনে বিচারের সম্মুখীন করতে হবে, নিম্নবিত্ত সাধারণ শ্রমিকের বেশি দাম দিয়ে এলপিজি গ্যাস কেনার সামর্থ্য নেই তাই প্রশাসনে একা দৃষ্টি আকর্ষণ করছি বাজার মনিটরিং করে দাম নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য দাবি, রোববার এলপিজির নতুন মূল্য নির্ধারণের আগেই বাজারে থাকা কিছু সিলিন্ডার ২ হাজার ২ শত থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করা হয়েছে। এরপর গত তিন-চার দিন ধরে বাজারে এলপিজি প্রায় হঠাৎ উধাও হয়ে গেছে। বাড়তি দাম দিতে রাজি থাকলেও অনেকেই সিলিন্ডার সংগ্রহ করতে পারছেন না সাধারণ নিম্নবিত্ত মানুষ।

হরতকিতলা গ্রামের বাসিন্দা কলিম উদ্দিন জানান, তিনি জি-গ্যাস ব্যবহার করেন। গত দুই সপ্তাহ ধরে বাজারে জি-গ্যাসের সরবরাহ নেই। গ্যাসের সন্ধানে তাকে একাধিক দোকানে ঘুরতে হচ্ছে।তিনি বলেন, শহরের অধিকাংশ মানুষ ফ্ল্যাটবাড়িতে বসবাস করেন। সেখানে কাঠ বা খড়ি দিয়ে রান্নার সুযোগ নেই। ফলে এলপিজিই তাদের প্রধান ভরসা। বাজারে গ্যাস না থাকায় রান্না নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তারা।দুবাই-বাংলা এলপিজির পরিবেশক মতিয়ার রহমান জানান, সরকারিভাবে প্রতি সিলিন্ডারের দাম ২১২ টাকা বাড়ানো হলেও বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি। সরবরাহ না থাকায় দোকান বন্ধ রাখতে হচ্ছে।তিনি আরও জানান, বসুন্ধরা ও ওমেরা এলপিজির ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। কবে নাগাদ সরবরাহ স্বাভাবিক হবে, তা নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না পরিবেশকেরা।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

বগুড়ায় দিনদুপুরে কলেজছাত্রী অপহরণের চেষ্টা, বাধা দেওয়ায় মাথায় ছু/রিকাঘাত

কালিয়াকৈরে তীব্র এলপিজি গ্যাসের সংকট বাড়তি দামেও মিলেনা গ্যাস মধ্যবিত্ত মানুষের এগুলো দেখার কেউ নেই

আপডেট টাইম : ০৭:১০:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬

শাকিল হোসেন,কালিয়াকৈর(গাজীপুর)প্রতিনিধিঃ

 

গাজীপুর কালিয়াকৈরে উপজেলার হরতকিতলা, আমতলা,মাইওয়ান, চন্দ্রা,পল্লী বিদ্যুৎ, সফিপুর, মৌচাক সহ বিভিন্ন দোকানে তীব্র এলপিজি সংকট দেখা দিয়েছে। বাড়তি দাম দিয়েও মিলছে না সিলিন্ডার গ্যাস। সরবরাহ না থাকায় বসুন্ধরা, ওমেরা,আই গ্যাস দুবাই-বাংলাসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ডিলার পয়েন্টে ঝুলছে তালা। গত এক সপ্তাহ ধরে সংকট চলায় এলপিজি ব্যবহারকারীদের মধ্যে পোশাক কলকারখানা ও নানা পেশাজীবী শ্রমিকদের রান্না নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এক সপ্তাহ আগেও কালিয়াকৈর বাজারে ১২ কেজি ওজনের একটি এলপিজি সিলিন্ডার ১ হাজার ৬৫০ থেকে ১ হাজার ৭০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। তখন বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক ছিল। তবে গত সপ্তাহের শুরু থেকে হঠাৎ সরবরাহ কমতে শুরু করে।

সপ্তাহের শেষদিকে সংকট আরও তীব্র আকার ধারণ করে।স্থানীয় এক বাসিন্দা মোঃ সাইদুর রহমান জানান, মাত্র কয়েকদিন আগেই ১৫০০ থেকে ১৬০০ টাকার মধ্যেই এলপিজি গ্যাস পাওয়া যেত এখন দাম বেড়ে ২৫০০ টাকা থেকে ২৬০০ টাকা বিক্রি করছে অসাধু কিছু ব্যবসায়ী অতি তাড়াতাড়ি এই অসাধু ব্যবসায়ীদের আইনের আওতায় এনে বিচারের সম্মুখীন করতে হবে, নিম্নবিত্ত সাধারণ শ্রমিকের বেশি দাম দিয়ে এলপিজি গ্যাস কেনার সামর্থ্য নেই তাই প্রশাসনে একা দৃষ্টি আকর্ষণ করছি বাজার মনিটরিং করে দাম নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য দাবি, রোববার এলপিজির নতুন মূল্য নির্ধারণের আগেই বাজারে থাকা কিছু সিলিন্ডার ২ হাজার ২ শত থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করা হয়েছে। এরপর গত তিন-চার দিন ধরে বাজারে এলপিজি প্রায় হঠাৎ উধাও হয়ে গেছে। বাড়তি দাম দিতে রাজি থাকলেও অনেকেই সিলিন্ডার সংগ্রহ করতে পারছেন না সাধারণ নিম্নবিত্ত মানুষ।

হরতকিতলা গ্রামের বাসিন্দা কলিম উদ্দিন জানান, তিনি জি-গ্যাস ব্যবহার করেন। গত দুই সপ্তাহ ধরে বাজারে জি-গ্যাসের সরবরাহ নেই। গ্যাসের সন্ধানে তাকে একাধিক দোকানে ঘুরতে হচ্ছে।তিনি বলেন, শহরের অধিকাংশ মানুষ ফ্ল্যাটবাড়িতে বসবাস করেন। সেখানে কাঠ বা খড়ি দিয়ে রান্নার সুযোগ নেই। ফলে এলপিজিই তাদের প্রধান ভরসা। বাজারে গ্যাস না থাকায় রান্না নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তারা।দুবাই-বাংলা এলপিজির পরিবেশক মতিয়ার রহমান জানান, সরকারিভাবে প্রতি সিলিন্ডারের দাম ২১২ টাকা বাড়ানো হলেও বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি। সরবরাহ না থাকায় দোকান বন্ধ রাখতে হচ্ছে।তিনি আরও জানান, বসুন্ধরা ও ওমেরা এলপিজির ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। কবে নাগাদ সরবরাহ স্বাভাবিক হবে, তা নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না পরিবেশকেরা।


প্রিন্ট