বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ১০:৩০ পূর্বাহ্ন
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ::
সিটিজেন নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যারা আগ্রহী আমাদের ই-মেইলে সিভি পাঠান
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রশাসনের নাকের ডগায় কেরানীগঞ্জে চলছে সালশার নামে “নেশার পিনিক”এর দোকান। ঢাকার অঘোষিত ‘ডন’ আ.লীগ নেতা শেখ বাদল এখনো অধরা প্রধানমন্ত্রীকে শোক জানিয়ে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের চিঠি কুকুরের ক্যানসার ঠেকাতে নিজেই বানালেন ভ্যাকসিন, চমকে দিলেন মালিক জাবি শিক্ষার্থী হত্যা মামলায় স্বামী ফাহিম কারাগারে বাংলাদেশ দল কেন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে যায়নি, তদন্ত করবে ক্রীড়া মন্ত্রণালয় দর্শকপ্রিয় অভিনেতা শামস সুমন আর নেই নওগাঁয় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি উদ্বোধন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা গণতন্ত্রের জন্য অপরিহার্য : ড. শরীফ ভুঁইয়া রাসিক পরিচ্ছন্নকর্মীরা পেলেন প্রধানমন্ত্রীর ইদ উপহার

কাশ্মীরে অবর্ণনীয় নির্যাতনের শিকার বেসামরিক মানুষ

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২২ মে, ২০১৯
  • ৩৭০ বার পঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক,সিটিজেন নিউজ: ভারত শাসিত কাশ্মীরের মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, গত ২৮ বছরে নিরাপত্তা বাহিনীর হেফাজতে যাদের নির্যাতন করা হয়েছে, তাদের ৭০ শতাংশই সাধারণ নাগরিক।

চারশো জনেরও বেশি নির্যাতিত ব্যক্তির লিখিত জবানবন্দীর ওপরে ভিত্তি করে তৈরি তাদের এক প্রতিবেদনে যৌনাঙ্গে মরিচের গুঁড়ো দেয়া, লোহার শিক ঢোকানো বা হাত-পা বেঁধে ঝুলিয়ে রাখার মতো নির্যাতনের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে কাশ্মীরে কাজ করেছেন এমন ভারতীয় সামরিক কর্মকর্তারা এই প্রতিবেদনকে ভিত্তিহীন বলে মনে করছেন। কাশ্মীর কোয়ালিশন অব সিভিল সোসাইটিজ নামে এই সংগঠনটি বলছে, ‘১৯৯০ সাল থেকে সেনাসহ বিভিন্ন নিরাপত্তা বাহিনী যেভাবে নির্যাতন চালাচ্ছে তা অভাবনীয়।’ খবর বিবিসির।

নির্যাতিতদের মধ্যে উগ্রপন্থী বা সাবেক উগ্রপন্থীরা আছে ঠিকই- কিন্তু ৭০ শতাংশই হচ্ছে সাধারণ বেসামরিক নাগরিক। সংগঠনটির প্রধান পারভেজ ইমরোজ বলেন, নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে আটক হওয়ার পর লোকজনের নিখোঁজ হওয়া বা নিরাপত্তা হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে রিপোর্ট হয়েছে- কিন্তু নির্যাতনের ঘটনাগুলো নিয়ে রিপোর্ট হয়নি। কিন্তু তথ্য ঘাঁটতে গিয়ে দেখা গেছে এরকম হাজার হাজার ঘটনা রয়েছে। এর কোন বিচার হয়না কারণ আইন করে নিরাপত্তা বাহিনীকে বিশেষ ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। নির্যাতনের শিকার হওয়া ৪৩২ জনের লিখিত বিবৃতি সংগ্রহ করেছে সংগঠনটি।

তারা যেসব নির্যাতনের বর্ণনা দিয়েছেন তার মধ্যে চড়-থাপ্পড়, লাথি, গালিগালাজ যেমন আছে- তেমনি আছে যৌনাঙ্গে বিদ্যুতের শক দেয়া, মলদ্বারে মরিচের গুঁড়ো বা লোহার রড ঢুকিয়ে দেয়া, উল্টো করে ঝুলিয়ে রাখা বা নগ্ন করে তল্লাশির মত ঘটনা।

তবে ভারতীয় সেনাবাহিনী অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (যিনি কাশ্মীরে বেশ কয়েক বছর দায়িত্ব পালন করেছেন) মেজর জেনারেল কে কে গাঙ্গুলি বলেন, ‘এরকম নির্যাতন হতেই পারেনা, এসব অভিযোগের সবটাই বানানো। আমি বিশ্বাস করি না। ভারতীয় বাহিনীর ইন্টারপ্রেটেশনে টর্চার নেই।’

তবে পারভেজ ইমরোজ বলছেন, যে অফিসাররা এসব অস্বীকার করছেন তারা বিবৃতি দিন। তারপর তার সংগঠন খুঁজে বের করবে যে তারা কাশ্মীরে থাকাকালীন কোনো মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন কিনা।

আটক হওয়া লোকেরা যে নির্যাতনের কথা রঙ চড়িয়ে, বাড়িয়ে বলছেন না তা কীভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে? এ প্রশ্ন করলে ইমরোজ বলেন, ‘তারা কেন বানিয়ে বলবে? তারা বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন, নির্যাতনের ক্ষতচিহ্নগুলো দেখা হয়েছে, প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গেও কথা বলা হয়েছে। তাদের যে চিকিৎসা হয়েছে সেসব নথিও খতিয়ে দেখা হয়েছে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved  2019 CitizenNews24
Theme Developed BY ThemesBazar.Com