শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৫৩ পূর্বাহ্ন
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ::
সিটিজেন নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যারা আগ্রহী আমাদের ই-মেইলে সিভি পাঠান
সংবাদ শিরোনাম ::
লেবানন ও ইসরাইলের ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি শুরু; লঙ্ঘনের অভিযোগ সেনাবাহিনীর বাণিজ্য সচিবের মৃত্যুতে মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীনের শোক আলোকিত লালমনিরহাটে উন্নয়নের নতুন দিগন্ত ইউরেনিয়াম হস্তান্তরে রাজি ইরান: ট্রাম্প মুন্সীগঞ্জে বিনামূল্যে আউশ ধান বীজ ও সার বিতরণ লেবাননে যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছে সৌদি আরব নিঝুম দ্বীপে সাবেক বিএনপি সভাপতির বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারণা, প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন রাজধানীতে হত্যাকাণ্ডে জড়িত আটক ২: র‌্যাব নকল বন্ধে এসএসসি পরীক্ষার রুটিন না দেওয়ার খবর গুজব: শিক্ষা মন্ত্রণালয় ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর

রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তনে আসিয়ানের শক্তিশালী ও কার্যকর সমর্থন চায় বাংলাদেশ

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৩
  • ১৪৫ বার পঠিত

বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া মিয়ানমারের রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর নিরাপদ, টেকসই, মর্যাদাপূর্ণ ও স্বেচ্ছায় স্বদেশ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে আসিয়ান নেতা ও সদস্য রাষ্ট্রগুলোর আরো শক্তিশালী ও কার্যকর সমর্থন চেয়েছে বাংলাদেশ।

শুক্রবার (১৪ জুলাই) ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় অনুষ্ঠিত ৩০তম আসিয়ান রিজিওনাল ফোরামে (এআরএফ) এ আহ্বান জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলে তিনি নেতৃত্ব দেন।

রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরো জানায়, সম্মেলনে চলতি বছরের থিম ‘আসিয়ান ম্যাটারস: এপিসেনট্রাম অব গ্রোথ’-এর প্রশংসা করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে আস্থা বাড়ানোর জন্য আঞ্চলিকতা ও বহুপাক্ষিকতায় জোর দেওয়ার পাশাপাশি আসিয়ানকে কেন্দ্রীয়ভাবে শক্তিশালী করার দৃঢ় ও কার্যকর প্রতিশ্রুতির কথাও তুলে ধরেন ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

গত এক দশকে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের সংক্ষিপ্ত বিবরণ উপস্থাপন করেন পরাষ্ট্রমন্ত্রী। কার্যকর কোভিড ব্যবস্থাপনা, দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস, টেকসই অবকাঠামোতে বিনিয়োগ, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অবদান উল্লেখ তিনি।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারো সঙ্গে শত্রুতা নয়’-এর ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশ শান্তিকেন্দ্রিক পররাষ্ট্রনীতির ওপর জোর দেয় বলে জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

এলডিসি থেকে কার্যকরভাবে স্নাতক হওয়া, এসডিজি অর্জন, জ্ঞান-ভিত্তিক উন্নত অর্থনীতিতে পরিণত হওয়া এবং সময়মতো একটি সমৃদ্ধ ও জলবায়ু-সহনশীল ব-দ্বীপ গড়ে তোলার জন্য অর্থায়ন এবং প্রযুক্তি স্থানান্তরের প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

এছাড়া সম্মিলিত নিরাপত্তা, শান্তি ও ভাগাভাগি সমৃদ্ধির লক্ষ্যে এআরএফ কার্যক্রমে বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি ও অব্যাহত সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন ড. মোমেন। আগামী সম্মেলনে আসিয়ানের সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনার মর্যাদা অর্জনে বাংলাদেশের প্রার্থীতার জন্য সক্রিয় সমর্থনও চান তিনি।

এবারের সম্মেলনে ২৭টি এআরএফ সদস্য রাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিনিধিরা অংশ নেন। ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও ৩০তম এআরএফের চেয়ার রেতনো এলপি মারসুদির সভাপতিত্বে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

নিজস্ব প্রতিবেদক: শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণে আনতে বয়স যাচাইয়ের একটি নতুন ব্যবস্থা চালুর প্রস্তুতি শেষ করেছে সংস্থাটি। শিগগিরই এটি ব্যবহারযোগ্য করা হবে বলে জানানো হয়েছে। ফলে শিশুদের ইন্টারনেট ব্যবহারে নতুন নিয়ম আসতে যাচ্ছে। এই অ্যাপ মূলত একটি ডিজিটাল পরিচয়পত্রের মতো কাজ করবে। ব্যবহারকারীরা এতে পাসপোর্ট বা জাতীয় পরিচয়পত্র আপলোড করে নিজেদের বয়স যাচাই করতে পারবেন। তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কোনো ওয়েবসাইট বা অ্যাপ ব্যবহারকারীর জন্মতারিখ বা ব্যক্তিগত তথ্য সরাসরি দেখতে পারবে না। শুধু নির্দিষ্ট বয়সসীমার ওপরে বা নিচে আছেন কি না এই তথ্যই জানানো হবে। ইউরোপীয় কমিশন বলছে, এই ব্যবস্থা চালু হলে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো আর বয়স যাচাই নিয়ে অজুহাত দেখাতে পারবে না। কারণ একটি কেন্দ্রীয় সমাধানই তাদের সামনে থাকবে। এতে প্ল্যাটফর্মগুলোর ওপর আলাদা করে তথ্য সংগ্রহের চাপও কমবে। সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বেড়েছে। বিভিন্ন দেশে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর চাপ তৈরি হয়েছে, যাতে তারা কম বয়সী ব্যবহারকারীদের জন্য আরও কঠোর সুরক্ষা ব্যবস্থা চালু করে। এরই মধ্যে কিছু দেশ কড়া পদক্ষেপও নিয়েছে। উদাহরণ হিসেবে, অস্ট্রেলিয়া ১৬ বছরের কম বয়সীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি অঙ্গরাজ্যেও বয়স যাচাই ও অভিভাবকের অনুমতি বাধ্যতামূলক করার আইন পাস হয়েছে। তবে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো বয়স যাচাই ব্যবস্থার বাস্তবায়ন নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে। তাদের মতে, ব্যবহারকারীর সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করলে গোপনীয়তা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। বিশেষ করে অ্যাপ স্টোর বা প্ল্যাটফর্মগুলোকে কেন্দ্রীয়ভাবে এই তথ্য সংরক্ষণ করতে হলে তা আরও জটিল হয়ে উঠবে। এই প্রেক্ষাপটে ইউরোপের নতুন অ্যাপটি একটি বিকল্প সমাধান হিসেবে সামনে আসছে। এতে ব্যবহারকারীর তথ্য সরাসরি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়বে না। বরং একটি নির্দিষ্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে যাচাই সম্পন্ন হবে। ইউরোপীয় কমিশন জানিয়েছে, অ্যাপটি প্রযুক্তিগতভাবে প্রস্তুত এবং খুব শিগগিরই ইউরোপীয় নাগরিকদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। সদস্য দেশগুলো নিজেদের আইন অনুযায়ী অ্যাপটি কাস্টমাইজ করতে পারবে। ইউরোপের ডিজিটাল সার্ভিসেস অ্যাক্ট অনুযায়ী, বড় প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মগুলোকে কম বয়সী ব্যবহারকারীদের সুরক্ষায় ব্যবস্থা নিতে হবে। নতুন অ্যাপটি ব্যবহার বাধ্যতামূলক না হলেও বিকল্প পদ্ধতি ব্যবহার করলে সেটি সমান কার্যকর প্রমাণ করতে হবে। তা না হলে শাস্তির মুখে পড়তে পারে প্রতিষ্ঠানগুলো। বিশ্লেষকদের মতে, এই উদ্যোগ সফল হলে অনলাইন নিরাপত্তায় বড় পরিবর্তন আসতে পারে। একই সঙ্গে গোপনীয়তা রক্ষা করে বয়স যাচাইয়ের একটি নতুন মানদণ্ডও তৈরি হতে পারে।

© All rights reserved  2019 CitizenNews24
Theme Developed BY ThemesBazar.Com