জেলার দেবহাটা উপজেলায় রপ্তানিযোগ্য চিংড়ি মাছে ক্ষতিকারক অপদ্রব্য (সাগু ও জেলিজাতীয় দ্রব্য) পুশ করার দায়ে এক মৎস্য ব্যবসায়ীকে ৫০ হাজার জরিমানা প্রদান করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এসময় জব্দ করা হয়েছে অপদ্রব্য পুশকৃত ৬০ কেজি চিংড়ি মাছ।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার পারুলিয়া মৎস্য আড়তে অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতে নেতৃত্ব দেন, দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিলন সাহা। এসময় তার সাথে ছিলেন, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা প্রদীব কুমারসহ আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, দেবহাটা উপজেলার পারুলিয়া বাজারের বিভিন্ন মৎস্য আড়ত ও ডিপোগুলোতে চিংড়ি মাছে মানব দেহের জন্য ক্ষতিকারক জেলি পুশ করা হচ্ছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের একটি টিম সেখানে ঝটিকা অভিযান চালায়।
অভিযানকালে খেজুবাড়িয়া গ্রামের মৎস্য ব্যবসায়ী নজরুল ইসলামকে সিরিঞ্জের মাধ্যমে চিংড়িতে ক্ষতিকারক জেলি পুশ করে ওজন বাড়ানোর সময় ৬০ কেজি চিংড়িসহ তাকে হাতে নাতে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা প্রদান করেন। পরে জব্দকৃত চিংড়ি মাছগুলো জনসম্মুখে আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক মিলন সাহা বাসস’কে বলেন, মৎস্য ব্যবসায়ী নজরুল ইসলামকে চিংড়িতে জেলি পুশ করার দায়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা প্রদান করা হয়েছে। সাদা সোনা খ্যাত চিংড়ি শিল্পের সুনাম নষ্ট করলে অপরাধীদের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতে আরও কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।