– মঈনউদ্দিন মনি, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:
বিশ্ব সুন্নী আন্দোলন ও বিশ্ব ইনসানিয়াত বিপ্লবের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রবর্তক ও ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ এর চেয়ারম্যান আল্লামা ইমাম হায়াত প্রাণাধিক প্রিয়নবীর শুভাগমন ঈদে আজম সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে বলেন, প্রাণাধিক প্রিয়নবীর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শুভাগমনকে মিলাদুন্নবী/সিরাতুন্নবী বলা ঈমান সম্মতভাবে নূরে ইলাহী রেসালাতে ইলাহীর হাকীকত বুঝতে অক্ষমতা। রহমতে ইলাহীর শুভাগমনকে ঈমানী প্রেমের প্রকাশ ঈদে আজম বলতে হবে।
আল্লামা ইমাম হায়াত বলেন, “সবকিছুর মূল উদ্দেশ্য বুঝে বিচার করতে হয়। সবসময় সব ক্ষেত্রে সবকিছু কেবল শাব্দিক দিক থেকে কেবল অভিধানিক দিক থেকে ঢালাওভাবে বিচার্য হয় না। ভালো শব্দের আড়ালেও খারাপ উদ্দেশ্য নিহিত থাকে। কারা করছে কি উদ্দেশ্যে করছে সেটাই মূল বিষয়।
যেমন- ‘জয় বাংলা’ শাব্দিক অর্থের দিক থেকে খারাপ নয়, কিন্তু সেটা এখন একটা মতবাদ বহন করে, বস্তুবাদি মতবাদ ও বস্তুবাদ জাতীয়তাবাদ বহন করে। একটি বিশেষ গোষ্ঠীবাদি রাজনীতি বহন করে।
এ শ্লোগান শুনলেই বুঝবেন এটা কোন দল।
আল্লামা ইমাম হায়াত বলেন, সিরাত শব্দ অভিধানিক ভাবে খারাপ নয়। কিন্তু সিরাত মাহফিল শাণে রেসালাতের দুশমনরা ঈমানী আকিদার দুশমন মোনাফেকরা ঈদে আজমের বিপরীতে ঈদে মিলাদুন্নবীর বিপরীতে ব্যবহার করে বিধায় এখন মোনাফেকির প্রতিশব্দ, মোনাফেকি ধারার সিম্বল হয়ে গেছে।
জল আর পানি একই জিনিস এবং নির্দোষ শব্দ হলেও, গোসল আর স্নান একই বিষয় হলেও শব্দের সমস্যা না হলেও অনেক ক্ষেত্রেই দুই ভিন্ন সংস্কৃতির পরিচয় বহন করে।
‘সিরাত মাহফিল’ আল্লাহতাআলার হাবীব রাহমাতাল্লিল আলামীন প্রাণাধিক প্রিয়নবীর শুভাগমনকে ঈদ হিসেবে অস্বীকারের লক্ষ্যে- ঈমানী আকিদা হায়াতুন্নবী অস্বীকারের লক্ষ্যে – এমনকি কাদিয়ানিরাও খাতমে নবুওয়াত অস্বীকারের লক্ষ্যে মৃত্যু দিবসের প্রতিশব্দ হিসেবেই ব্যবহার করে যা এখন কুফরি ধারার প্রতীক হয়ে গেছে।
আল্লাহতাআলার নুর ও হাবীব প্রাণাধিক প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শাণে কেবলমাত্র শাণে রেসালাত ভিত্তিক ঈমানী শব্দ ব্যবহার করার জন্য এবং অন্যদের মত কমন শব্দ ব্যবহার আল্লাহতাআলা নিষেধ করেছেন।
প্রিন্ট
সিটিজেন নিউজ ডেস্ক 


















