ঢাকা ০৭:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কালিয়াকৈরে জয় বাংলা স্রোগান দিয়ে ঝটিকা মিছিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সভাপতি করে ২৫ সদস্যের এনসিসিএফ গঠন পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় গুজব ছড়িয়ে অপপ্রচার ও মানহানির প্রতিবাদে উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সুলতানা রাজিয়ার সংবাদ সম্মেলন কালিয়াকৈরে কুকুরের কামড়ে অতিষ্ঠ পথচারী ও শিক্ষার্থীরা ভূরুঙ্গামারীতে অবৈধ সার মজুদের দায়ে দুই ব্যবসায়ীর ৪ লাখ ৫ হাজার টাকা জরিমানা পিরোজপুর করিমুন্নেছা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দ্বিতীয় প্রান্তিক মূল্যায়নের ফল প্রকাশ ও মা সমাবেশ ‎ কুড়িগ্রাম কেন্দ্রীয় বাজার ব্যবসায়িক সমিতির নির্বাচন; ভোটাররা চায় নতুন নেতৃত্ব। কালীগঞ্জে দুই সার ব্যবসায়ীকে ২ লাখ টাকা জরিমানা তিন বছরের চুক্তিতে বার্সেলোনায় জেসুস চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে নতুন কাস্টমস হাউস

বাংলাদেশের ভূয়সী প্রশংসায় অ্যাঞ্জেলিনা জোলি

অনলাইন ডেস্ক: মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর বর্বরতার মুখে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ার পাশাপাশি তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করায় বাংলাদেশের প্রশংসা করেছেন জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনারের (ইউএনএইচসিআর) বিশেষ দূত অ্যাঞ্জেলিনা জোলি।

সেই সঙ্গে রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে উদারতা দেখানোসহ বলিষ্ঠ নেতৃত্ব দেয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন হলিউড সেরা এ অভিনেত্রী।।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রোববার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২১ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে একটি চিঠি দিয়েছেন হলিউড অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলি।

চিঠিতে অ্যাঞ্জেলিনা জোলি উল্লেখ করেছেন, টেকসই উপায়ে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে সহায়ক পরিবেশ তৈরি জরুরি। এ জন্য মিয়ানমারের সঙ্গে যুক্ত থাকার বিষয়ে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা অব্যাহতভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাবে।

চিঠিতে জোলি রোহিঙ্গা সংকটে বাংলাদেশের উদারতা এবং নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন। বাংলাদেশের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে সব ধরনের সহায়তার কথা জানিয়ে জোলি বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়া এবং তাদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য প্রশংসা করেন।

সাবেক বিশ্বসুন্দরী চিঠিতে উল্লেখ করেন, জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা রোহিঙ্গা জনগণের টেকসই প্রত্যাবর্তনের উপযুক্ত পরিস্থিতি তৈরি করতে মিয়ানমারকে যুক্ত করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে।

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, রোহিঙ্গা মানবিক সংকটের জন্য নেয়া বাংলাদেশের উদ্যোগগুলো ২০২০ সালের জয়েন্ট রেসপন্স পরিকল্পনার জন্য আরও বেশি অর্থায়নে সহায়তা করবে। ২০২০ সালের মার্চ মাসে ওই জয়েন্ট রেসপন্স প্ল্যান শুরু করা হবে।

উল্লেখ্য, এক বছর আগে ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে অ্যাঞ্জেলিনা জোলি কক্সবাজারে বিভিন্ন রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করেছিলেন। তখন রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলে তিনি প্রকৃত চিত্র সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা পান।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কালিয়াকৈরে জয় বাংলা স্রোগান দিয়ে ঝটিকা মিছিল

বাংলাদেশের ভূয়সী প্রশংসায় অ্যাঞ্জেলিনা জোলি

আপডেট টাইম : ১২:৩৯:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২০

অনলাইন ডেস্ক: মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর বর্বরতার মুখে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ার পাশাপাশি তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করায় বাংলাদেশের প্রশংসা করেছেন জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনারের (ইউএনএইচসিআর) বিশেষ দূত অ্যাঞ্জেলিনা জোলি।

সেই সঙ্গে রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে উদারতা দেখানোসহ বলিষ্ঠ নেতৃত্ব দেয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন হলিউড সেরা এ অভিনেত্রী।।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রোববার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২১ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে একটি চিঠি দিয়েছেন হলিউড অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলি।

চিঠিতে অ্যাঞ্জেলিনা জোলি উল্লেখ করেছেন, টেকসই উপায়ে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে সহায়ক পরিবেশ তৈরি জরুরি। এ জন্য মিয়ানমারের সঙ্গে যুক্ত থাকার বিষয়ে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা অব্যাহতভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাবে।

চিঠিতে জোলি রোহিঙ্গা সংকটে বাংলাদেশের উদারতা এবং নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন। বাংলাদেশের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে সব ধরনের সহায়তার কথা জানিয়ে জোলি বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়া এবং তাদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য প্রশংসা করেন।

সাবেক বিশ্বসুন্দরী চিঠিতে উল্লেখ করেন, জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা রোহিঙ্গা জনগণের টেকসই প্রত্যাবর্তনের উপযুক্ত পরিস্থিতি তৈরি করতে মিয়ানমারকে যুক্ত করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে।

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, রোহিঙ্গা মানবিক সংকটের জন্য নেয়া বাংলাদেশের উদ্যোগগুলো ২০২০ সালের জয়েন্ট রেসপন্স পরিকল্পনার জন্য আরও বেশি অর্থায়নে সহায়তা করবে। ২০২০ সালের মার্চ মাসে ওই জয়েন্ট রেসপন্স প্ল্যান শুরু করা হবে।

উল্লেখ্য, এক বছর আগে ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে অ্যাঞ্জেলিনা জোলি কক্সবাজারে বিভিন্ন রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করেছিলেন। তখন রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলে তিনি প্রকৃত চিত্র সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা পান।


প্রিন্ট