ঢাকা ০৮:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,, কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ পটুয়াখালী পায়রা সেতু এলাকায় র‌্যাবের অভিযানে পিকআপের গোপন চেম্বার থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর জেট ফুয়েলের দাম কমলো লিটার প্রতি ১৯ টাকা পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ছেন রবার্তো মার্টিনেজ গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ড্রাগন চাষে চমক দেখালেন শিক্ষক নাঈম

করোনার গান গাইলেন বাপ-বেটা

বিনোদন ডেস্ক : করোনা সংক্রমণ রোধে দেশের অধিকাংশ মানুষের মতো ঘরবন্দি জীবন পার করছেন কণ্ঠশিল্পী আশীষ। ঘরবন্দি জীবনে সাত বছরের পুত্র অংশুমানকে নিয়ে গড়ে তুলেছেন ব্যান্ড দল ‘সং ফর গুড’। দুই সদস্যের এই ব্যান্ড দলের লাইনআপ হলো—গিটার ও কণ্ঠ আশীষ। শেকার ও কণ্ঠ অংশুমান। গানের কথা-সুর করছেন আশীষ।

মূলত চার বছর আগে ‘সং ফর গুড’ নামে একটি ইউটিউব চ্যানেল খুলেন আশীষ। যদিও এতসব করবেন এমনটা তার কোনো পরিকল্পনা ছিল না। গত চার বছরে চ্যানেলটি নিয়ে কোনোরকম মাথাও ঘামাননি। আর এই ঘরবন্দি জীবনে সেই নামেই ব্যান্ড দলের নামকরণ করেছেন তিনি।

এই বদ্ধ জীবনে কি করা যায় সেই ভাবনা থেকে জন্ম হয়েছে এই ব্যান্ড দল। আট দিন বয়েসি দলটি এরই মধ্যে পাঁচটি গান উপহার দিয়েছেন। করোনা সংক্রমণ রোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, এই সংকটকালে যারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এখনো বাইরে কাজ করছেন তাদের নিয়ে তৈরি হয়েছে এসব গান। ব্যান্ডের নামে ইউটিউব চ্যানেল ও ফেসবুক পেজ রয়েছে। আর সেখানে এগুলো প্রকাশ করা হয়েছে। এরই মধ্যে পিতা-পুত্রের গাওয়া গানগুলো শ্রোতাদের মুগ্ধ করেছেন।

আশীষ বলেন, আগে থেকেই আমি গান গাওয়ার চেষ্টা করতাম। তবে সেসব গান বাচ্চাদের জন্য করতাম। কিন্তু গানগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের চিন্তা ছিল না। যেটা এবার হয়ে গেল, তাও আবার ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে। এটা আমাদের বাপ-বেটার জন্য খুবই আনন্দের বিষয়। আরো ভালো লাগার বিষয় হচ্ছে—এই খারাপ সময়েও আমাদের গান মানুষ শুনছেন এবং প্রশংসা করছেন।

প্রথম গান রেকর্ড করার গল্প জানিয়ে আশীষ বলেন, গত দুই সপ্তাহ ধরে স্ত্রী আর এক পুত্র নিয়ে বাসায় আছি। প্রথম সপ্তাহ শুয়ে-বসে কাটালাম। কিন্তু সময় তো কাটে না। দুশ্চিন্তাও কমে না। অসহায় মানুষ কিংবা জরুরি সেবা দেওয়া মানুষগুলোর জন্যও খারাপ লাগছিল। এসব ভাবনা থেকেই গিটার তুলে ছেলেকে ডেকে নিলাম, গান ধরলাম দুজনে। আর ওর মা আমাদের সামনে ক্যামেরা ধরলো। ব্যাস হয়ে গেল!

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কিংবা ইউটিউবে ভিউ পাওয়া বাপ-বেটার উদ্দেশ্য নয়। এই দুঃসময়ে তাদের গান যদি মানুষকে উৎসাহ দেয়, আনন্দ দেয়, সেটাই বড় প্রাপ্তি বলে জানান আশীষ।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,,

করোনার গান গাইলেন বাপ-বেটা

আপডেট টাইম : ০৭:১১:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২০

বিনোদন ডেস্ক : করোনা সংক্রমণ রোধে দেশের অধিকাংশ মানুষের মতো ঘরবন্দি জীবন পার করছেন কণ্ঠশিল্পী আশীষ। ঘরবন্দি জীবনে সাত বছরের পুত্র অংশুমানকে নিয়ে গড়ে তুলেছেন ব্যান্ড দল ‘সং ফর গুড’। দুই সদস্যের এই ব্যান্ড দলের লাইনআপ হলো—গিটার ও কণ্ঠ আশীষ। শেকার ও কণ্ঠ অংশুমান। গানের কথা-সুর করছেন আশীষ।

মূলত চার বছর আগে ‘সং ফর গুড’ নামে একটি ইউটিউব চ্যানেল খুলেন আশীষ। যদিও এতসব করবেন এমনটা তার কোনো পরিকল্পনা ছিল না। গত চার বছরে চ্যানেলটি নিয়ে কোনোরকম মাথাও ঘামাননি। আর এই ঘরবন্দি জীবনে সেই নামেই ব্যান্ড দলের নামকরণ করেছেন তিনি।

এই বদ্ধ জীবনে কি করা যায় সেই ভাবনা থেকে জন্ম হয়েছে এই ব্যান্ড দল। আট দিন বয়েসি দলটি এরই মধ্যে পাঁচটি গান উপহার দিয়েছেন। করোনা সংক্রমণ রোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, এই সংকটকালে যারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এখনো বাইরে কাজ করছেন তাদের নিয়ে তৈরি হয়েছে এসব গান। ব্যান্ডের নামে ইউটিউব চ্যানেল ও ফেসবুক পেজ রয়েছে। আর সেখানে এগুলো প্রকাশ করা হয়েছে। এরই মধ্যে পিতা-পুত্রের গাওয়া গানগুলো শ্রোতাদের মুগ্ধ করেছেন।

আশীষ বলেন, আগে থেকেই আমি গান গাওয়ার চেষ্টা করতাম। তবে সেসব গান বাচ্চাদের জন্য করতাম। কিন্তু গানগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের চিন্তা ছিল না। যেটা এবার হয়ে গেল, তাও আবার ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে। এটা আমাদের বাপ-বেটার জন্য খুবই আনন্দের বিষয়। আরো ভালো লাগার বিষয় হচ্ছে—এই খারাপ সময়েও আমাদের গান মানুষ শুনছেন এবং প্রশংসা করছেন।

প্রথম গান রেকর্ড করার গল্প জানিয়ে আশীষ বলেন, গত দুই সপ্তাহ ধরে স্ত্রী আর এক পুত্র নিয়ে বাসায় আছি। প্রথম সপ্তাহ শুয়ে-বসে কাটালাম। কিন্তু সময় তো কাটে না। দুশ্চিন্তাও কমে না। অসহায় মানুষ কিংবা জরুরি সেবা দেওয়া মানুষগুলোর জন্যও খারাপ লাগছিল। এসব ভাবনা থেকেই গিটার তুলে ছেলেকে ডেকে নিলাম, গান ধরলাম দুজনে। আর ওর মা আমাদের সামনে ক্যামেরা ধরলো। ব্যাস হয়ে গেল!

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কিংবা ইউটিউবে ভিউ পাওয়া বাপ-বেটার উদ্দেশ্য নয়। এই দুঃসময়ে তাদের গান যদি মানুষকে উৎসাহ দেয়, আনন্দ দেয়, সেটাই বড় প্রাপ্তি বলে জানান আশীষ।


প্রিন্ট