ঢাকা ১১:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,, কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ পটুয়াখালী পায়রা সেতু এলাকায় র‌্যাবের অভিযানে পিকআপের গোপন চেম্বার থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর জেট ফুয়েলের দাম কমলো লিটার প্রতি ১৯ টাকা পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ছেন রবার্তো মার্টিনেজ গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ড্রাগন চাষে চমক দেখালেন শিক্ষক নাঈম

দুই বাংলার ১২ মিউজিশিয়ান সলিল চৌধুরীর গানে

বিনোদন প্রতিবেদক : মহামারি করোনার কারণে সবাই গৃহবন্দি। অনেক মানুষ ইতিমধ্যেই কাজ হারিয়েছেন। ফুরিয়ে আসছে সঞ্চয়।

কঠিন এ সময়ে মানুষের মনোবল অটুট রাখতে সলিল চৌধুরীর বিখ্যাত ‘ও আলোর পথযাত্রী, এ যে রাত্রী, এখানে থেমো না’ গানটি নতুন কম্পোজিশনে ইন্সট্রুমেন্টাল ভার্সনে উপহার দিয়েছেন বাংলাদেশ ও ভারতের ১২ জন মিউজিশিয়ান। তারা হলেন- রাহুল চ্যাটার্জী, স্নেহাশীষ মজুমদার, মোরশেদ খান, পেয়ারু খান, কাজী অরিন্দম, সৌম্যজ্যোতি ঘোষ, গোপা দে সরকার, তাপস রায়, ফুয়াদ নাসের বাবু, সম্রাট বোস, ওয়ালটার দিয়াস এবং রকেট মন্ডল। কম্পোজিশন করেছেন ভারতের মিউজিশিয়ান-কম্পোজার রকেট মন্ডল।

এ প্রসঙ্গে রকেট মন্ডল বলেন, ‘দাদার গানে প্রেরণাদায়ক বিষয় রয়েছে। চলমান এই লকডাউনের ফলে আমরা অনেকেই চাকরি হারানো এবং হতাশাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করতে শুরু করেছি। ফলে এই গানটির কথাই বারবার মনে আসে আমার। আমার সৌভাগ্য হয়েছিল এমন একজন শিল্পীর সঙ্গে কাজ করার। তার গানের লিরিক্যাল মান রয়েছে এবং এখনও তা প্রাসঙ্গিক। এত বছর পরও সেই একই আবেদন রয়েছে।’

গানটি আজ ৭ জুন রাতে জনপ্রিয় বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আরটিভির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে প্রকাশিত হবে। এ প্রসঙ্গে আরটিভির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ আশিক রহমান বলেন, ‘আরটিভি এই সংগীতায়োজন ও প্রচারের সাথে সম্পৃক্ত হতে পেরে আনন্দিত।’

ভারতীয় সংগীত পরিচালক, গীতিকার, সুরকার এবং গল্পকার সলিল চৌধুরী। তিনি বাংলা, হিন্দি, এবং মালায়লাম চলচ্চিত্রে সংগীত পরিচালনা করেছেন। ‘ঘুম ভাঙার গান’ অ্যালবামের ‘ও আলোর পথযাত্রী, এ যে রাত্রী, এখানে থেমো না’ গানটি রচিত হয়েছিল ১৯৪৯ সালে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,,

দুই বাংলার ১২ মিউজিশিয়ান সলিল চৌধুরীর গানে

আপডেট টাইম : ০৫:৫৩:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২০

বিনোদন প্রতিবেদক : মহামারি করোনার কারণে সবাই গৃহবন্দি। অনেক মানুষ ইতিমধ্যেই কাজ হারিয়েছেন। ফুরিয়ে আসছে সঞ্চয়।

কঠিন এ সময়ে মানুষের মনোবল অটুট রাখতে সলিল চৌধুরীর বিখ্যাত ‘ও আলোর পথযাত্রী, এ যে রাত্রী, এখানে থেমো না’ গানটি নতুন কম্পোজিশনে ইন্সট্রুমেন্টাল ভার্সনে উপহার দিয়েছেন বাংলাদেশ ও ভারতের ১২ জন মিউজিশিয়ান। তারা হলেন- রাহুল চ্যাটার্জী, স্নেহাশীষ মজুমদার, মোরশেদ খান, পেয়ারু খান, কাজী অরিন্দম, সৌম্যজ্যোতি ঘোষ, গোপা দে সরকার, তাপস রায়, ফুয়াদ নাসের বাবু, সম্রাট বোস, ওয়ালটার দিয়াস এবং রকেট মন্ডল। কম্পোজিশন করেছেন ভারতের মিউজিশিয়ান-কম্পোজার রকেট মন্ডল।

এ প্রসঙ্গে রকেট মন্ডল বলেন, ‘দাদার গানে প্রেরণাদায়ক বিষয় রয়েছে। চলমান এই লকডাউনের ফলে আমরা অনেকেই চাকরি হারানো এবং হতাশাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করতে শুরু করেছি। ফলে এই গানটির কথাই বারবার মনে আসে আমার। আমার সৌভাগ্য হয়েছিল এমন একজন শিল্পীর সঙ্গে কাজ করার। তার গানের লিরিক্যাল মান রয়েছে এবং এখনও তা প্রাসঙ্গিক। এত বছর পরও সেই একই আবেদন রয়েছে।’

গানটি আজ ৭ জুন রাতে জনপ্রিয় বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আরটিভির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে প্রকাশিত হবে। এ প্রসঙ্গে আরটিভির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ আশিক রহমান বলেন, ‘আরটিভি এই সংগীতায়োজন ও প্রচারের সাথে সম্পৃক্ত হতে পেরে আনন্দিত।’

ভারতীয় সংগীত পরিচালক, গীতিকার, সুরকার এবং গল্পকার সলিল চৌধুরী। তিনি বাংলা, হিন্দি, এবং মালায়লাম চলচ্চিত্রে সংগীত পরিচালনা করেছেন। ‘ঘুম ভাঙার গান’ অ্যালবামের ‘ও আলোর পথযাত্রী, এ যে রাত্রী, এখানে থেমো না’ গানটি রচিত হয়েছিল ১৯৪৯ সালে।


প্রিন্ট