ঢাকা ০৮:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,, কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ পটুয়াখালী পায়রা সেতু এলাকায় র‌্যাবের অভিযানে পিকআপের গোপন চেম্বার থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর জেট ফুয়েলের দাম কমলো লিটার প্রতি ১৯ টাকা পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ছেন রবার্তো মার্টিনেজ গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ড্রাগন চাষে চমক দেখালেন শিক্ষক নাঈম

চিঠিতে শিল্পীদের শুটিংয়ে ফেরার আহ্বান

 

বিনোদন ডেস্ক : সরকারি ছুটির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে টিভি নাটকের শুটিংয়ের অনুমতি দিয়েছে টেলিভিশন সংশ্লিষ্ট আন্তঃসংগঠন। যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে অনেকে শুটিংয়ে ফিরেছেন।

অন্যদিকে দেশের প্রথম সারির অধিকাংশ তারকা এখনই শুটিংয়ে ফিরতে নারাজ। এ তালিকায় রয়েছেন—চঞ্চল চৌধুরী, মেহজাবিন চৌধুরী, মোশাররফ করিম, আফরান নিশো, ফজলুর রহমান বাবু, জিয়াউল ফারুক অপূর্ব প্রমুখ।

দীর্ঘ দিন শুটিং বন্ধ থাকার কারণে অনেক কলাকুশলী যেমন বিপাকে পড়েছেন, তেমনি টিভি চ্যানেলগুলোও নতুন নাটক-টেলিফিল্মের সংকটে পড়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দেশের বেশ কজন অভিনয়শিল্পীকে শুটিংয়ে ফেরার আহ্বান জানিয়ে চিঠি দিয়েছে আর টিভি কর্তৃপক্ষ।

মেহজাবিন চৌধুরীকে পাঠানো একটি চিঠি এই প্রতিবেদকের হাতে এসেছে। চ্যানেলটির অনুষ্ঠান প্রধান দেওয়ান শামসুর রকিব স্বাক্ষরিত এ চিঠিতে বলা হয়েছে—করোনার এই সময়ে সকলেই বিশেষ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে দিন যাপন করছেন। বৈশ্বিক মহামারি করোনার প্রভাব প্রত্যেকের কর্মক্ষেত্রে পড়েছে। বিশেষ করে টেলিভিশন নাটক সংশ্লিষ্ট কেউ-ই এর বাইরে নয়। নাটকের কাজ না হওয়ায় নাটক সংশ্লিষ্ট অনেকে অর্থ কষ্টে পড়েছেন।

শুটিংয়ে ফেরার আহ্বান জানিয়ে আরো লিখেন—শুটিংয়ের অনুমোদন দেওয়ার পরও পরিস্থিতি বিবেচনায় আপনার মতো জনপ্রিয় শিল্পী নিয়মিত কাজ শুরু না করায় স্বল্প আয়ের শিল্পীরা সীমাহীন অর্থ কষ্টের মধ্যে পড়েছে। সকলের জন্য আমরা, এই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে আপনার সহকর্মী ও শুটিং সংশ্লিষ্ট সকলের জীবিকার কথা বিবেচনা করে আগামী ঈদে যেকোনো চ্যানেলে একাধিক নাটক-টেলিফিল্মে অংশগ্রহণ করার বিনীত অনুরোধ করছি। আপনার অংশগ্রহণে হয়তো বাঁচতে পারবে আপনার সহকর্মী ও শুটিং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিবার।

এর আগে শুটিংয়ে ফেরা প্রসঙ্গে মেহজাবিন চৌধুরী বলেন—‘এই পরিস্থিতির মধ্যে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আমি এখন শুটিং করব না। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে কাজ করা যাবে। কিন্তু তার আগে তো বাঁচতে হবে। সবকিছু ঠিক হোক তারপর দেখব। এ মুহূর্তে আসলে কাজ নিয়ে একদম ভাবছি না। ভাবনায় শুধু এই পরিস্থিতি। কবে যে সবকিছু ঠিকঠাক হবে, সেটা নিয়েই চিন্তায় আছি।’

গত ২২ মার্চ থেকে টেলিভিশন নাটকের সব ধরনের শুটিং বন্ধ ছিল। সরকারি ছুটির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কয়েক দফায় শুটিং বন্ধের সময় বৃদ্ধি করা হয়। তবে গত ১৫ মে শর্ত সাপেক্ষে নাটকের শুটিং করার অনুমতি দিয়েছিল টেলিভিশন সংশ্লিষ্ট আন্তঃসংগঠন। কিন্তু অনুমতি দেওয়ার একদিন না পেরুতেই সব ধরনের শুটিং বন্ধের নির্দেশ দেয় সংগঠনটি। সর্বশেষ গত পয়লা জুন থেকে শুটিংয়ের অনুমতি দেয় আন্তঃসংগঠন।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,,

চিঠিতে শিল্পীদের শুটিংয়ে ফেরার আহ্বান

আপডেট টাইম : ০৮:৩৮:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২০

 

বিনোদন ডেস্ক : সরকারি ছুটির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে টিভি নাটকের শুটিংয়ের অনুমতি দিয়েছে টেলিভিশন সংশ্লিষ্ট আন্তঃসংগঠন। যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে অনেকে শুটিংয়ে ফিরেছেন।

অন্যদিকে দেশের প্রথম সারির অধিকাংশ তারকা এখনই শুটিংয়ে ফিরতে নারাজ। এ তালিকায় রয়েছেন—চঞ্চল চৌধুরী, মেহজাবিন চৌধুরী, মোশাররফ করিম, আফরান নিশো, ফজলুর রহমান বাবু, জিয়াউল ফারুক অপূর্ব প্রমুখ।

দীর্ঘ দিন শুটিং বন্ধ থাকার কারণে অনেক কলাকুশলী যেমন বিপাকে পড়েছেন, তেমনি টিভি চ্যানেলগুলোও নতুন নাটক-টেলিফিল্মের সংকটে পড়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দেশের বেশ কজন অভিনয়শিল্পীকে শুটিংয়ে ফেরার আহ্বান জানিয়ে চিঠি দিয়েছে আর টিভি কর্তৃপক্ষ।

মেহজাবিন চৌধুরীকে পাঠানো একটি চিঠি এই প্রতিবেদকের হাতে এসেছে। চ্যানেলটির অনুষ্ঠান প্রধান দেওয়ান শামসুর রকিব স্বাক্ষরিত এ চিঠিতে বলা হয়েছে—করোনার এই সময়ে সকলেই বিশেষ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে দিন যাপন করছেন। বৈশ্বিক মহামারি করোনার প্রভাব প্রত্যেকের কর্মক্ষেত্রে পড়েছে। বিশেষ করে টেলিভিশন নাটক সংশ্লিষ্ট কেউ-ই এর বাইরে নয়। নাটকের কাজ না হওয়ায় নাটক সংশ্লিষ্ট অনেকে অর্থ কষ্টে পড়েছেন।

শুটিংয়ে ফেরার আহ্বান জানিয়ে আরো লিখেন—শুটিংয়ের অনুমোদন দেওয়ার পরও পরিস্থিতি বিবেচনায় আপনার মতো জনপ্রিয় শিল্পী নিয়মিত কাজ শুরু না করায় স্বল্প আয়ের শিল্পীরা সীমাহীন অর্থ কষ্টের মধ্যে পড়েছে। সকলের জন্য আমরা, এই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে আপনার সহকর্মী ও শুটিং সংশ্লিষ্ট সকলের জীবিকার কথা বিবেচনা করে আগামী ঈদে যেকোনো চ্যানেলে একাধিক নাটক-টেলিফিল্মে অংশগ্রহণ করার বিনীত অনুরোধ করছি। আপনার অংশগ্রহণে হয়তো বাঁচতে পারবে আপনার সহকর্মী ও শুটিং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিবার।

এর আগে শুটিংয়ে ফেরা প্রসঙ্গে মেহজাবিন চৌধুরী বলেন—‘এই পরিস্থিতির মধ্যে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আমি এখন শুটিং করব না। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে কাজ করা যাবে। কিন্তু তার আগে তো বাঁচতে হবে। সবকিছু ঠিক হোক তারপর দেখব। এ মুহূর্তে আসলে কাজ নিয়ে একদম ভাবছি না। ভাবনায় শুধু এই পরিস্থিতি। কবে যে সবকিছু ঠিকঠাক হবে, সেটা নিয়েই চিন্তায় আছি।’

গত ২২ মার্চ থেকে টেলিভিশন নাটকের সব ধরনের শুটিং বন্ধ ছিল। সরকারি ছুটির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কয়েক দফায় শুটিং বন্ধের সময় বৃদ্ধি করা হয়। তবে গত ১৫ মে শর্ত সাপেক্ষে নাটকের শুটিং করার অনুমতি দিয়েছিল টেলিভিশন সংশ্লিষ্ট আন্তঃসংগঠন। কিন্তু অনুমতি দেওয়ার একদিন না পেরুতেই সব ধরনের শুটিং বন্ধের নির্দেশ দেয় সংগঠনটি। সর্বশেষ গত পয়লা জুন থেকে শুটিংয়ের অনুমতি দেয় আন্তঃসংগঠন।


প্রিন্ট