ঢাকা ০১:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,, কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ পটুয়াখালী পায়রা সেতু এলাকায় র‌্যাবের অভিযানে পিকআপের গোপন চেম্বার থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর জেট ফুয়েলের দাম কমলো লিটার প্রতি ১৯ টাকা পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ছেন রবার্তো মার্টিনেজ গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ড্রাগন চাষে চমক দেখালেন শিক্ষক নাঈম

প্রায় ৪শ তিমির মৃত্যু অস্ট্রেলিয়ার সমুদ্র তীরবর্তী এলাকায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: অস্ট্রেলিয়ায় ৩৮০টি তিমির মরদেহ সমুদ্র তীরবর্তী এলাকায় পাওয়া গেছে। যা এ যাবতকালে সর্বোচ্চ। এর আগে ১৯৯৬ সালে সর্বোচ্চ ৩২০টি তিমি মারা গিয়েছিল। খবর বিবিসির।

অবশ্য কেন তিমিগুলো মারা যাচ্ছে সেটার কারণ এখনো জানা যায়নি। যদিও লম্বা পাখনাওয়ালা তিমিগুলো সমুদ্রের তীরবর্তী এলাকায়ই থাকে।

সোমবার পর্যন্ত তাসমানিয়ার পশ্চিম তীরের বিভিন্ন এলাকায় ৩৮০ট লম্বা পাখনাওয়ালা তিমির মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। যদিও এই সংখ্যাটা আরো বেশি হতে পারে। বুধবার পর্যন্ত উদ্ধারকারী দল ৫০টি তিমিকে রক্ষা করতে পেরেছে। আরো ৩০টির পরিচর্যা চলছে।

তাসমানিয়ার সরকার জানিয়েছে যতোদিন সম্ভব এই উদ্ধার ও পরিচর্যা কাজ চলবে। তাসমানিয়ার পার্ক ও বন্যপ্রাণী সেবার ম্যানেজার নিক ডেকা বলেছেন, এখনো বেশ কিছু তিমি পানিতে জীবিত অবস্থায় আছে। আশা করছি সেগুলোকেও আমরা রক্ষা করতে পারবো। অবশ্য যত সময় যাবে ততো সেগুলোকে রক্ষা করার সম্ভাবনা কমবে।

তিনি আরো জানিয়েছেন এখন তাদের সামনে চ্যালেঞ্জ হলো মৃত তিমিগুলোকে তীর থেকে সরানো। ইতিমধ্যে তারা এ বিষয়ে একটি পরিকল্পনাও হাতে নিয়েছে। এর আগে যেগুলো মারা গেছে তার মধ্যে কিছু তীরবর্তী এলাকায় কবর দেওয়া হয়েছে। আর কিছু কিছু তীর থেকে টেনে নিয়ে গভীর সমুদ্রে ফেলে আসা হয়েছে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,,

প্রায় ৪শ তিমির মৃত্যু অস্ট্রেলিয়ার সমুদ্র তীরবর্তী এলাকায়

আপডেট টাইম : ১২:০৮:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: অস্ট্রেলিয়ায় ৩৮০টি তিমির মরদেহ সমুদ্র তীরবর্তী এলাকায় পাওয়া গেছে। যা এ যাবতকালে সর্বোচ্চ। এর আগে ১৯৯৬ সালে সর্বোচ্চ ৩২০টি তিমি মারা গিয়েছিল। খবর বিবিসির।

অবশ্য কেন তিমিগুলো মারা যাচ্ছে সেটার কারণ এখনো জানা যায়নি। যদিও লম্বা পাখনাওয়ালা তিমিগুলো সমুদ্রের তীরবর্তী এলাকায়ই থাকে।

সোমবার পর্যন্ত তাসমানিয়ার পশ্চিম তীরের বিভিন্ন এলাকায় ৩৮০ট লম্বা পাখনাওয়ালা তিমির মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। যদিও এই সংখ্যাটা আরো বেশি হতে পারে। বুধবার পর্যন্ত উদ্ধারকারী দল ৫০টি তিমিকে রক্ষা করতে পেরেছে। আরো ৩০টির পরিচর্যা চলছে।

তাসমানিয়ার সরকার জানিয়েছে যতোদিন সম্ভব এই উদ্ধার ও পরিচর্যা কাজ চলবে। তাসমানিয়ার পার্ক ও বন্যপ্রাণী সেবার ম্যানেজার নিক ডেকা বলেছেন, এখনো বেশ কিছু তিমি পানিতে জীবিত অবস্থায় আছে। আশা করছি সেগুলোকেও আমরা রক্ষা করতে পারবো। অবশ্য যত সময় যাবে ততো সেগুলোকে রক্ষা করার সম্ভাবনা কমবে।

তিনি আরো জানিয়েছেন এখন তাদের সামনে চ্যালেঞ্জ হলো মৃত তিমিগুলোকে তীর থেকে সরানো। ইতিমধ্যে তারা এ বিষয়ে একটি পরিকল্পনাও হাতে নিয়েছে। এর আগে যেগুলো মারা গেছে তার মধ্যে কিছু তীরবর্তী এলাকায় কবর দেওয়া হয়েছে। আর কিছু কিছু তীর থেকে টেনে নিয়ে গভীর সমুদ্রে ফেলে আসা হয়েছে।


প্রিন্ট