ঢাকা ০৩:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার এসআই নাছিম উদ্দিন পেলেন বিশেষ পুরস্কার রাঙ্গামাটিতে পাহাড় ধসে ১ জনের মৃত্যু সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ফারুক আহমেদ তালায় নারী সমাবেশে নারী নির্যাতন ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত চিলমারী নদী বন্দর কর্তৃপক্ষের অনিয়ম ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে সংসদীয় আসনের এমপি’র সতর্ক বার্তা! ট্রাস্টি বোর্ড ভেঙে ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটিতে প্রশাসক নিয়োগ, সরকারের প্রজ্ঞাপন জারি যুক্তরাষ্ট্রকে বিধ্বস্ত করে শেষ আটে বেলজিয়াম এনআইডি সংশোধনে ৬ ক্যাটাগরির সেবা সাময়িক বন্ধ, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন বিশ্বম্ভরপুরের অনন্তপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু

প্রায় ৪শ তিমির মৃত্যু অস্ট্রেলিয়ার সমুদ্র তীরবর্তী এলাকায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: অস্ট্রেলিয়ায় ৩৮০টি তিমির মরদেহ সমুদ্র তীরবর্তী এলাকায় পাওয়া গেছে। যা এ যাবতকালে সর্বোচ্চ। এর আগে ১৯৯৬ সালে সর্বোচ্চ ৩২০টি তিমি মারা গিয়েছিল। খবর বিবিসির।

অবশ্য কেন তিমিগুলো মারা যাচ্ছে সেটার কারণ এখনো জানা যায়নি। যদিও লম্বা পাখনাওয়ালা তিমিগুলো সমুদ্রের তীরবর্তী এলাকায়ই থাকে।

সোমবার পর্যন্ত তাসমানিয়ার পশ্চিম তীরের বিভিন্ন এলাকায় ৩৮০ট লম্বা পাখনাওয়ালা তিমির মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। যদিও এই সংখ্যাটা আরো বেশি হতে পারে। বুধবার পর্যন্ত উদ্ধারকারী দল ৫০টি তিমিকে রক্ষা করতে পেরেছে। আরো ৩০টির পরিচর্যা চলছে।

তাসমানিয়ার সরকার জানিয়েছে যতোদিন সম্ভব এই উদ্ধার ও পরিচর্যা কাজ চলবে। তাসমানিয়ার পার্ক ও বন্যপ্রাণী সেবার ম্যানেজার নিক ডেকা বলেছেন, এখনো বেশ কিছু তিমি পানিতে জীবিত অবস্থায় আছে। আশা করছি সেগুলোকেও আমরা রক্ষা করতে পারবো। অবশ্য যত সময় যাবে ততো সেগুলোকে রক্ষা করার সম্ভাবনা কমবে।

তিনি আরো জানিয়েছেন এখন তাদের সামনে চ্যালেঞ্জ হলো মৃত তিমিগুলোকে তীর থেকে সরানো। ইতিমধ্যে তারা এ বিষয়ে একটি পরিকল্পনাও হাতে নিয়েছে। এর আগে যেগুলো মারা গেছে তার মধ্যে কিছু তীরবর্তী এলাকায় কবর দেওয়া হয়েছে। আর কিছু কিছু তীর থেকে টেনে নিয়ে গভীর সমুদ্রে ফেলে আসা হয়েছে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার এসআই নাছিম উদ্দিন পেলেন বিশেষ পুরস্কার

প্রায় ৪শ তিমির মৃত্যু অস্ট্রেলিয়ার সমুদ্র তীরবর্তী এলাকায়

আপডেট টাইম : ১২:০৮:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: অস্ট্রেলিয়ায় ৩৮০টি তিমির মরদেহ সমুদ্র তীরবর্তী এলাকায় পাওয়া গেছে। যা এ যাবতকালে সর্বোচ্চ। এর আগে ১৯৯৬ সালে সর্বোচ্চ ৩২০টি তিমি মারা গিয়েছিল। খবর বিবিসির।

অবশ্য কেন তিমিগুলো মারা যাচ্ছে সেটার কারণ এখনো জানা যায়নি। যদিও লম্বা পাখনাওয়ালা তিমিগুলো সমুদ্রের তীরবর্তী এলাকায়ই থাকে।

সোমবার পর্যন্ত তাসমানিয়ার পশ্চিম তীরের বিভিন্ন এলাকায় ৩৮০ট লম্বা পাখনাওয়ালা তিমির মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। যদিও এই সংখ্যাটা আরো বেশি হতে পারে। বুধবার পর্যন্ত উদ্ধারকারী দল ৫০টি তিমিকে রক্ষা করতে পেরেছে। আরো ৩০টির পরিচর্যা চলছে।

তাসমানিয়ার সরকার জানিয়েছে যতোদিন সম্ভব এই উদ্ধার ও পরিচর্যা কাজ চলবে। তাসমানিয়ার পার্ক ও বন্যপ্রাণী সেবার ম্যানেজার নিক ডেকা বলেছেন, এখনো বেশ কিছু তিমি পানিতে জীবিত অবস্থায় আছে। আশা করছি সেগুলোকেও আমরা রক্ষা করতে পারবো। অবশ্য যত সময় যাবে ততো সেগুলোকে রক্ষা করার সম্ভাবনা কমবে।

তিনি আরো জানিয়েছেন এখন তাদের সামনে চ্যালেঞ্জ হলো মৃত তিমিগুলোকে তীর থেকে সরানো। ইতিমধ্যে তারা এ বিষয়ে একটি পরিকল্পনাও হাতে নিয়েছে। এর আগে যেগুলো মারা গেছে তার মধ্যে কিছু তীরবর্তী এলাকায় কবর দেওয়া হয়েছে। আর কিছু কিছু তীর থেকে টেনে নিয়ে গভীর সমুদ্রে ফেলে আসা হয়েছে।


প্রিন্ট