ঢাকা ০৮:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,, কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ পটুয়াখালী পায়রা সেতু এলাকায় র‌্যাবের অভিযানে পিকআপের গোপন চেম্বার থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর জেট ফুয়েলের দাম কমলো লিটার প্রতি ১৯ টাকা পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ছেন রবার্তো মার্টিনেজ গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ড্রাগন চাষে চমক দেখালেন শিক্ষক নাঈম

জেল হত্যা দিবসে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত

 

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক: আজ ৩ নভেম্বর জেলহত্যা দিবস। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ৭৫’র ১৫ আগস্ট সপরিবারে হত্যার পর জাতির কলঙ্কের ইতিহাসে এটি দ্বিতীয় ঘটনা।

দিবসটি স্মরণে ডাক অধিদপ্তর ৫ টাকা মূল্যমানের ৫টি স্মারক ডাকটিকিটের সমন্বয়ে একটি সিটলেট, দশ টাকা মূল্যমানের একটি উদ্বোধনী খাম, ৫ টাকা মূল্যমানের একটি ডাটা কার্ড ও একটি বিশেষ সিলমোহর প্রকাশ করেছে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার ঢাকায় তার দপ্তর থেকে স্মারক ডাকটিকিটের সমন্বয়ে সিটলেট ও উদ্বোধনী খাম অবমুক্ত এবং ডাটাকার্ড প্রকাশ করেন। এ উপলেক্ষে একটি বিশেষ সিলমোহর ব্যবহার করেন তিনি।

জেল দিবস স্মরণে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত উপলক্ষে মন্ত্রী বিবৃতিও দিয়েছেন।

বিবৃতিতে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যার পর জেল হত্যাকাণ্ড ইতিহাসের কেবলমাত্র আরও একটি পৈশাচিক ও বর্বোরোচিত ঘটনাই ছিল না। এটি ছিল জাতির পিতার নেতৃত্বে বাঙালির হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ অর্জন স্বাধীনতাকে নস্যাৎ করা। অন্যদিকে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠার স্বপ্নকে ধ্বংস করার জন্য দেশি-বিদেশি কুচক্রি মহলের ষড়যন্ত্রের ফসল এটি। ১৫ আগস্ট এবং ৩ নভেম্বরের হৃদয় বিদারক ঘটনা দু’টি ছিল বাঙালি জাতিকে কার্যকর নেতৃত্ব থেকে বঞ্চিত করার পরাজিত শক্তির গভীর ষড়যন্ত্রের কুৎসিৎ বাস্তবায়ন।

জাতীয় চার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমদ, ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী এবং এ এইচ এম কামরুজ্জামানের ভূমিকা তুলে ধরে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোস্তাফা জব্বার বলেন, তারা ছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরীক্ষিত রাজনৈতিক সহকর্মী। বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের রক্তের সঙ্গে তারা বিশ্বাসঘাতকতা করেননি বলেই ইতিহাসের মীরজাফর রূপী খুনি মোস্তাক তাদের বাঁচতে দেয়নি। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে এদেশের স্বাধীকার ও স্বাধীনতা আন্দোলনের পরতে পরতে তাদের ভূমিকা ওই চার নেতাকে ইতিহাসে অমরত্ব দান করবে। জাতীয় চার নেতা বঙ্গবন্ধু, সংবিধানের চার মূল নীতি বাঙালি জাতীয়তাবাদ, ধর্মনিরপেক্ষতা, গণতন্ত্র এবং সমাজতন্ত্রের প্রতি আনুগত্যের যে দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন তা তাদের চির অমর করে রাখবে এই বাংলায়– বিবৃতিতে উল্লেখ করেন মন্ত্রী।

স্মারক ডাকটিকিট সমন্বয়ে সিটলেট ও উদ্বোধনী খাম আজ থেকে ঢাকা জিপিও’র ফিলাটেলিক ব্যুরো থেকে বিক্রি করা হবে। পরবর্তী সময়ে অন্যান্য জিপিও ও প্রধান ডাকঘরসহ দেশের সবখানে এ স্মারক ডাকটিকিট, ডাটা কার্ড বিক্রি করা হবে। উদ্বোধনী খামে ব্যবহারের জন্য চারটি জিপিওতে বিশেষ সিলমোহরের ব্যবস্থা রয়েছে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,,

জেল হত্যা দিবসে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত

আপডেট টাইম : ০৭:৪১:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২০

 

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক: আজ ৩ নভেম্বর জেলহত্যা দিবস। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ৭৫’র ১৫ আগস্ট সপরিবারে হত্যার পর জাতির কলঙ্কের ইতিহাসে এটি দ্বিতীয় ঘটনা।

দিবসটি স্মরণে ডাক অধিদপ্তর ৫ টাকা মূল্যমানের ৫টি স্মারক ডাকটিকিটের সমন্বয়ে একটি সিটলেট, দশ টাকা মূল্যমানের একটি উদ্বোধনী খাম, ৫ টাকা মূল্যমানের একটি ডাটা কার্ড ও একটি বিশেষ সিলমোহর প্রকাশ করেছে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার ঢাকায় তার দপ্তর থেকে স্মারক ডাকটিকিটের সমন্বয়ে সিটলেট ও উদ্বোধনী খাম অবমুক্ত এবং ডাটাকার্ড প্রকাশ করেন। এ উপলেক্ষে একটি বিশেষ সিলমোহর ব্যবহার করেন তিনি।

জেল দিবস স্মরণে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত উপলক্ষে মন্ত্রী বিবৃতিও দিয়েছেন।

বিবৃতিতে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যার পর জেল হত্যাকাণ্ড ইতিহাসের কেবলমাত্র আরও একটি পৈশাচিক ও বর্বোরোচিত ঘটনাই ছিল না। এটি ছিল জাতির পিতার নেতৃত্বে বাঙালির হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ অর্জন স্বাধীনতাকে নস্যাৎ করা। অন্যদিকে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠার স্বপ্নকে ধ্বংস করার জন্য দেশি-বিদেশি কুচক্রি মহলের ষড়যন্ত্রের ফসল এটি। ১৫ আগস্ট এবং ৩ নভেম্বরের হৃদয় বিদারক ঘটনা দু’টি ছিল বাঙালি জাতিকে কার্যকর নেতৃত্ব থেকে বঞ্চিত করার পরাজিত শক্তির গভীর ষড়যন্ত্রের কুৎসিৎ বাস্তবায়ন।

জাতীয় চার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমদ, ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী এবং এ এইচ এম কামরুজ্জামানের ভূমিকা তুলে ধরে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোস্তাফা জব্বার বলেন, তারা ছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরীক্ষিত রাজনৈতিক সহকর্মী। বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের রক্তের সঙ্গে তারা বিশ্বাসঘাতকতা করেননি বলেই ইতিহাসের মীরজাফর রূপী খুনি মোস্তাক তাদের বাঁচতে দেয়নি। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে এদেশের স্বাধীকার ও স্বাধীনতা আন্দোলনের পরতে পরতে তাদের ভূমিকা ওই চার নেতাকে ইতিহাসে অমরত্ব দান করবে। জাতীয় চার নেতা বঙ্গবন্ধু, সংবিধানের চার মূল নীতি বাঙালি জাতীয়তাবাদ, ধর্মনিরপেক্ষতা, গণতন্ত্র এবং সমাজতন্ত্রের প্রতি আনুগত্যের যে দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন তা তাদের চির অমর করে রাখবে এই বাংলায়– বিবৃতিতে উল্লেখ করেন মন্ত্রী।

স্মারক ডাকটিকিট সমন্বয়ে সিটলেট ও উদ্বোধনী খাম আজ থেকে ঢাকা জিপিও’র ফিলাটেলিক ব্যুরো থেকে বিক্রি করা হবে। পরবর্তী সময়ে অন্যান্য জিপিও ও প্রধান ডাকঘরসহ দেশের সবখানে এ স্মারক ডাকটিকিট, ডাটা কার্ড বিক্রি করা হবে। উদ্বোধনী খামে ব্যবহারের জন্য চারটি জিপিওতে বিশেষ সিলমোহরের ব্যবস্থা রয়েছে।


প্রিন্ট