ঢাকা ০৫:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
একাকীত্ব কাটিয়ে উঠতে মেনে চলুন ১০টি অভ্যাস শ্যামল, মোজাম্মেল ও রূপার তদন্ত প্রতিবেদন জমার সময় ফের বাড়ল গোলাপি সাজে নতুন লুকে নজর কাড়লেন জয়া আহসান জাপানের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি ৭০০ মিলিয়ন ডলার এবারের পূজায় কেউ নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেনি : পূজা উদযাপন ফ্রন্ট নরসিংদী জেলা হাসপাতালে অক্সিজেন প্ল্যান্ট প্রস্তুত, চালু হলেই মিলবে নিরবচ্ছিন্ন সেবা আইপিএল প্রশ্নে মুখ খুললেন ধোনি, নিজেকে বললেন ‘পুরোনো ভিন্টেজ গাড়ি’ বিক্ষোভ ঠেকাতে মিলান শহরে সেনা মোতায়েন করছে ইতালি সংবিধান সংস্কারের নামে অপচেষ্টা করছে সরকার: গোলাম পরওয়ার মেট্রোরেল স্টেশনগুলোতে আধুনিক নিরাপত্তা সরঞ্জাম স্থাপনের সিদ্ধান্ত

পরকীয়ার জেরে হত্যা : দেবর-ভাবীর যাবজ্জীবন

ফাইল ছবি

পরকীয়ার জেরে বাগেরহাটে বড় ভাই হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ছোট ভাইয়ের দণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে নিহত বড় ভাইর স্ত্রীসহ দুইজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রেখেছেন আদালত। সোমবার হাইকোর্টের বিচারপতি ভবানী প্রসাদ সিংহ ও বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. মো. বশির উল্লাহ ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নির্মল কুমার দাস। আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী ফজলুল হক ভূঁইয়া ও সাইদুল ইসলাম।

জানা যায়, বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার হাজারী ২০০৮ সালের ২৩ আক্টোবর রাতে ঘরের সিঁদ কেটে মোয়াজ্জাম শেখের ছেলে এসকেন্দারকে জবাই করে হত্যা করা হয়। এসকেন্দার শেখের ভাই মাহমুদ শেখ ও তার স্ত্রী পারভীন খাতুনের পরকীয়ার জের ধরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটায়।

এ ঘটনার পরদিন ২৪ আক্টোবর নিহতের বাবা মোয়াজ্জাম শেখ বাদী হয়ে চিতলমারী থানায় একটি হত্যা মামরা দায়ের করেন। এ মামলায় ২০১১ সালের ২৮ জুলাই বাগেরহাটের অতিরিক্তি জেলা দায়রা জজ মো. রেজাউল করিম মাহমুদ শেখকে মৃত্যুদণ্ড এবং এসকেন্দারের স্ত্রী পারভীন খাতুন (২৯) ও অপর আসামি আসাদ দালুকদার (৩৫) যাবজ্জীবন দণ্ড দেন।

পরে ডেথ রেফারেন্স আসামিদের জেল আপিলের শুনানি শেষে হাইকোর্ট সোমবার উপরোক্ত রায় ঘোষণা করেন।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

একাকীত্ব কাটিয়ে উঠতে মেনে চলুন ১০টি অভ্যাস

পরকীয়ার জেরে হত্যা : দেবর-ভাবীর যাবজ্জীবন

আপডেট টাইম : ১২:১৩:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ নভেম্বর ২০১৭

পরকীয়ার জেরে বাগেরহাটে বড় ভাই হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ছোট ভাইয়ের দণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে নিহত বড় ভাইর স্ত্রীসহ দুইজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রেখেছেন আদালত। সোমবার হাইকোর্টের বিচারপতি ভবানী প্রসাদ সিংহ ও বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. মো. বশির উল্লাহ ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নির্মল কুমার দাস। আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী ফজলুল হক ভূঁইয়া ও সাইদুল ইসলাম।

জানা যায়, বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার হাজারী ২০০৮ সালের ২৩ আক্টোবর রাতে ঘরের সিঁদ কেটে মোয়াজ্জাম শেখের ছেলে এসকেন্দারকে জবাই করে হত্যা করা হয়। এসকেন্দার শেখের ভাই মাহমুদ শেখ ও তার স্ত্রী পারভীন খাতুনের পরকীয়ার জের ধরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটায়।

এ ঘটনার পরদিন ২৪ আক্টোবর নিহতের বাবা মোয়াজ্জাম শেখ বাদী হয়ে চিতলমারী থানায় একটি হত্যা মামরা দায়ের করেন। এ মামলায় ২০১১ সালের ২৮ জুলাই বাগেরহাটের অতিরিক্তি জেলা দায়রা জজ মো. রেজাউল করিম মাহমুদ শেখকে মৃত্যুদণ্ড এবং এসকেন্দারের স্ত্রী পারভীন খাতুন (২৯) ও অপর আসামি আসাদ দালুকদার (৩৫) যাবজ্জীবন দণ্ড দেন।

পরে ডেথ রেফারেন্স আসামিদের জেল আপিলের শুনানি শেষে হাইকোর্ট সোমবার উপরোক্ত রায় ঘোষণা করেন।


প্রিন্ট