ঢাকা ০১:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,, কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ পটুয়াখালী পায়রা সেতু এলাকায় র‌্যাবের অভিযানে পিকআপের গোপন চেম্বার থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর জেট ফুয়েলের দাম কমলো লিটার প্রতি ১৯ টাকা পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ছেন রবার্তো মার্টিনেজ গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ড্রাগন চাষে চমক দেখালেন শিক্ষক নাঈম

‘কভিড হিরো’ পুরস্কার পেলেন ডা. এবিএম আব্দুল্লাহ এবং ডা. মনিলাল আইচ লিটু

কভিড-১৯ সংক্রমণ প্রতিরোধে অনন্য অবদান রাখায় ‘কভিড হিরো’ পুরস্কার পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক প্রফেসর ডা. এবিএম আব্দুল্লাহ এবং সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ ইএনটি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মনিলাল আইচ লিটু। রোটারি ইন্টারন্যাশনাল স্বাস্থ্যবিধি মেনে গত শুক্রবার রাজধানীর হোটেল শেরাটনে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে রোটারি ইনটারন্যাশনালের প্রেসিডেন্টের পক্ষে প্রায় ২ হাজারের অধিক রোটারিয়ানের উপস্থিতিতে এই পুরস্কার হস্তান্তর করেন রোটারি ইন্টারন্যাশনাল রিজওনাল পাবিলক ইমেজ কো-অর্ডিনেটর এস এম শওকত হোসাইন, বতর্মান রোটারি ডিসট্রিক ৩২৮১ এ-র গর্ভনর ব্যারিস্টার মুতাসিম বিল্লাহ ফারুকী ও সদ্য বিদায়ী ডিসট্রিক গভর্নর এমডি রুবায়েত হোসেন।

করোনা শুরুর প্রাক্কালে এ ভাইরাস নিয়ে বিভিন্ন গঠনমূলক ও সতর্কতামূলক কাজকর্ম শুরু করেন ডা. এবিএম আব্দুল্লাহ। প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় করোনার লক্ষণ, উপসর্গ ও প্রতিরোধ বিষয়ক নানা দিকনির্দেশনা দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এই চিকিৎসক। বিভিন্ন সরকারি সভা, সেমিনার ছাড়াও ব্যক্তিগত উদ্যোগেও আয়োজন করেন কভিড বিষয়ক নানা সেমিনার। এছাড়া করোনা প্রতিরোধে গঠিত বিভিন্ন টাস্কফোর্সে প্রত্যক্ষভাবে কাজ করেন ডা. আব্দুল্লাহ। তিনি বলেন, গত দেড়টা বছর চেষ্টা করেছি কভিড নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে। ২০১৯ সালের নভেম্বরে যখন চীনে এ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঘটে তখন থেকেই এ বিষয়ে অধিক জ্ঞান অর্জনের চেষ্টা করেছি। বলতে পারেন, করোনা নিয়ে প্রতিনিয়ত শিখেই যাচ্ছি। আর সেই জ্ঞানগুলোর মাধ্যমে চেষ্টা করছি সচেতনতা বাড়াতে। আমার এই পুরস্কার যেসব চিকিৎসকদের উৎসর্গ করছি যারা করোনায় চিকিৎসা দিতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন এবং যারা এখনো সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।
অন্যদিকে, মুগদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ইএনটি বিভাগের প্রধান হিসেবে কর্মরত অবস্থায় ২০২০ সালের এপ্রিলে কভিড ডেডিকেটেড ডক্টরস ফোরামের সভাপতি নির্বাচিত হন অধ্যাপক ডা. মনিলাল আইচ লিটু। এ সময় ডাক্তারদের নিয়মিত চিকিৎসা প্রদান নিশ্চিতের লক্ষ্যে কাজ করে গেছেন তিনি। এ সম্পর্কে ডা. মানিলাল আইচ লিটু বলেন, সকল চিকিৎসক মিলে যখন আমাকে কভিড ডেডিকেটেড ডক্টরস ফোরামের সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত করে তখন দায়িত্ববোধের স্থান থেকে আমি চেষ্টা করেছি মুগদা হাসপাতালের সর্বস্তরের চিকিৎসক, কর্মকর্তা, কর্মচারি ও নার্সদের সক্রিয় করতে। কাজেই এই পুরস্কার তাদেরই প্রাপ্য, আমার নয়।

রোটারি ইন্টারন্যাশনাল সূত্র থেকে জানা যায়, করোনা প্রতিরোধে সামনে থেকে চিকিৎসা কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া, জনসচেতনতা সৃষ্টি, অনলাইনে চিকিৎসা সেবাপ্রদানসহ সার্বিক কার্যক্রমের স্বীকৃতি হিসেবে রোটারি ইন্টারন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়েছে ডা. এবিএম আব্দুল্লাহ এবং অধ্যাপক ডা. মনিলাল লিটুকে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,,

‘কভিড হিরো’ পুরস্কার পেলেন ডা. এবিএম আব্দুল্লাহ এবং ডা. মনিলাল আইচ লিটু

আপডেট টাইম : ০৫:১৩:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২১

কভিড-১৯ সংক্রমণ প্রতিরোধে অনন্য অবদান রাখায় ‘কভিড হিরো’ পুরস্কার পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক প্রফেসর ডা. এবিএম আব্দুল্লাহ এবং সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ ইএনটি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মনিলাল আইচ লিটু। রোটারি ইন্টারন্যাশনাল স্বাস্থ্যবিধি মেনে গত শুক্রবার রাজধানীর হোটেল শেরাটনে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে রোটারি ইনটারন্যাশনালের প্রেসিডেন্টের পক্ষে প্রায় ২ হাজারের অধিক রোটারিয়ানের উপস্থিতিতে এই পুরস্কার হস্তান্তর করেন রোটারি ইন্টারন্যাশনাল রিজওনাল পাবিলক ইমেজ কো-অর্ডিনেটর এস এম শওকত হোসাইন, বতর্মান রোটারি ডিসট্রিক ৩২৮১ এ-র গর্ভনর ব্যারিস্টার মুতাসিম বিল্লাহ ফারুকী ও সদ্য বিদায়ী ডিসট্রিক গভর্নর এমডি রুবায়েত হোসেন।

করোনা শুরুর প্রাক্কালে এ ভাইরাস নিয়ে বিভিন্ন গঠনমূলক ও সতর্কতামূলক কাজকর্ম শুরু করেন ডা. এবিএম আব্দুল্লাহ। প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় করোনার লক্ষণ, উপসর্গ ও প্রতিরোধ বিষয়ক নানা দিকনির্দেশনা দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এই চিকিৎসক। বিভিন্ন সরকারি সভা, সেমিনার ছাড়াও ব্যক্তিগত উদ্যোগেও আয়োজন করেন কভিড বিষয়ক নানা সেমিনার। এছাড়া করোনা প্রতিরোধে গঠিত বিভিন্ন টাস্কফোর্সে প্রত্যক্ষভাবে কাজ করেন ডা. আব্দুল্লাহ। তিনি বলেন, গত দেড়টা বছর চেষ্টা করেছি কভিড নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে। ২০১৯ সালের নভেম্বরে যখন চীনে এ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঘটে তখন থেকেই এ বিষয়ে অধিক জ্ঞান অর্জনের চেষ্টা করেছি। বলতে পারেন, করোনা নিয়ে প্রতিনিয়ত শিখেই যাচ্ছি। আর সেই জ্ঞানগুলোর মাধ্যমে চেষ্টা করছি সচেতনতা বাড়াতে। আমার এই পুরস্কার যেসব চিকিৎসকদের উৎসর্গ করছি যারা করোনায় চিকিৎসা দিতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন এবং যারা এখনো সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।
অন্যদিকে, মুগদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ইএনটি বিভাগের প্রধান হিসেবে কর্মরত অবস্থায় ২০২০ সালের এপ্রিলে কভিড ডেডিকেটেড ডক্টরস ফোরামের সভাপতি নির্বাচিত হন অধ্যাপক ডা. মনিলাল আইচ লিটু। এ সময় ডাক্তারদের নিয়মিত চিকিৎসা প্রদান নিশ্চিতের লক্ষ্যে কাজ করে গেছেন তিনি। এ সম্পর্কে ডা. মানিলাল আইচ লিটু বলেন, সকল চিকিৎসক মিলে যখন আমাকে কভিড ডেডিকেটেড ডক্টরস ফোরামের সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত করে তখন দায়িত্ববোধের স্থান থেকে আমি চেষ্টা করেছি মুগদা হাসপাতালের সর্বস্তরের চিকিৎসক, কর্মকর্তা, কর্মচারি ও নার্সদের সক্রিয় করতে। কাজেই এই পুরস্কার তাদেরই প্রাপ্য, আমার নয়।

রোটারি ইন্টারন্যাশনাল সূত্র থেকে জানা যায়, করোনা প্রতিরোধে সামনে থেকে চিকিৎসা কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া, জনসচেতনতা সৃষ্টি, অনলাইনে চিকিৎসা সেবাপ্রদানসহ সার্বিক কার্যক্রমের স্বীকৃতি হিসেবে রোটারি ইন্টারন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়েছে ডা. এবিএম আব্দুল্লাহ এবং অধ্যাপক ডা. মনিলাল লিটুকে।


প্রিন্ট