ঢাকা ০৫:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সড়ক দুর্ঘটনায় আহত শিশুর মৃত্যু, কাঁদলেন মেয়র

কক্সবাজারের চকরিয়া-পেকুয়া সড়কের বরইতলী এলাকায় সিএনজি গাড়িতে দুর্ঘটনার শিকার হওয়া শিশু জান্নাতুল তানজিদ নিশকাত রূপা মারা গেছে।

বৃহস্পতিবার রাতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যায় ছোট্ট শিশুটি।

এর আগে গাড়ির ধাক্কায় ছোট্ট মেয়েটি যখন মৃত্যু যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছিল তখন পথিমধ্যে পেকুয়া থেকে জেলা পরিষদের নির্বাচনী প্রচারণা শেষে ফেরার সময় মেয়েটিকে দেখতে পান জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র মুজিবুর রহমান। গাড়ি থেকে নেমে নিজের কোলে তুলে সিএনজিতে উঠিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান তিনি।

সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে আঘাত গুরুতর হওয়ায় মেয়র মুজিবের সহায়তায় ভাড়া করা অ্যাম্বুলেন্সে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয় শিশুটিকে। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। কিন্তু টাকা নেই বলে মেয়েকে চট্টগ্রাম নিয়ে যেতে পারছিলনা তার বাবা আবুল কালাম। এমন সময় ব্যক্তিগতভাবে নগদ ৫৫ হাজার টাকা দিয়ে দ্রুত অ্যাম্বুলেন্সে তুলে দেন মেয়র মুজিবুর রহমাম।

পরে চট্টগ্রাম মেডিকেলে নিয়ে যাওয়ার পথে মারা যান শিশুটি। শিশুটির মৃত্যুর খবর শুনে পৌর মেয়র মুজিবুর রহমান কান্নায় ভেঙে পড়েন বলে মেয়রের পারিবারিক সুত্রে জানা যায়।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

সড়ক দুর্ঘটনায় আহত শিশুর মৃত্যু, কাঁদলেন মেয়র

আপডেট টাইম : ০৮:০৫:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অক্টোবর ২০২২

কক্সবাজারের চকরিয়া-পেকুয়া সড়কের বরইতলী এলাকায় সিএনজি গাড়িতে দুর্ঘটনার শিকার হওয়া শিশু জান্নাতুল তানজিদ নিশকাত রূপা মারা গেছে।

বৃহস্পতিবার রাতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যায় ছোট্ট শিশুটি।

এর আগে গাড়ির ধাক্কায় ছোট্ট মেয়েটি যখন মৃত্যু যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছিল তখন পথিমধ্যে পেকুয়া থেকে জেলা পরিষদের নির্বাচনী প্রচারণা শেষে ফেরার সময় মেয়েটিকে দেখতে পান জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র মুজিবুর রহমান। গাড়ি থেকে নেমে নিজের কোলে তুলে সিএনজিতে উঠিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান তিনি।

সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে আঘাত গুরুতর হওয়ায় মেয়র মুজিবের সহায়তায় ভাড়া করা অ্যাম্বুলেন্সে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয় শিশুটিকে। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। কিন্তু টাকা নেই বলে মেয়েকে চট্টগ্রাম নিয়ে যেতে পারছিলনা তার বাবা আবুল কালাম। এমন সময় ব্যক্তিগতভাবে নগদ ৫৫ হাজার টাকা দিয়ে দ্রুত অ্যাম্বুলেন্সে তুলে দেন মেয়র মুজিবুর রহমাম।

পরে চট্টগ্রাম মেডিকেলে নিয়ে যাওয়ার পথে মারা যান শিশুটি। শিশুটির মৃত্যুর খবর শুনে পৌর মেয়র মুজিবুর রহমান কান্নায় ভেঙে পড়েন বলে মেয়রের পারিবারিক সুত্রে জানা যায়।


প্রিন্ট