ঢাকা ০২:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার এসআই নাছিম উদ্দিন পেলেন বিশেষ পুরস্কার রাঙ্গামাটিতে পাহাড় ধসে ১ জনের মৃত্যু সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ফারুক আহমেদ তালায় নারী সমাবেশে নারী নির্যাতন ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত চিলমারী নদী বন্দর কর্তৃপক্ষের অনিয়ম ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে সংসদীয় আসনের এমপি’র সতর্ক বার্তা! ট্রাস্টি বোর্ড ভেঙে ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটিতে প্রশাসক নিয়োগ, সরকারের প্রজ্ঞাপন জারি যুক্তরাষ্ট্রকে বিধ্বস্ত করে শেষ আটে বেলজিয়াম এনআইডি সংশোধনে ৬ ক্যাটাগরির সেবা সাময়িক বন্ধ, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন বিশ্বম্ভরপুরের অনন্তপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু

মানসম্পন্ন সাংবাদিকতা করতে হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, প্রয়াত সাংবাদিক জগলুল আহমেদ চৌধুরীর মৃত্যুবার্ষিকীতে তাকে শ্রদ্ধা জানানোর ক্ষেত্রে আমাদের জন্য দু’টি বিষয় অনুকরণীয় হতে পারে। একটি হচ্ছে- চলন্ত বাস থেকে যাত্রী উঠানামা বন্ধ করার ব্যবস্থা করা, আর আরেকটি বিষয় হচ্ছে- আমাদের সাংবাদিকদের মানসম্পন্ন সাংবাদিকতার চর্চায় নজর দেওয়া।

মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবে দেশের প্রখ্যাত সাংবাদিক ও দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতি বিশ্লেষক মরহুম জগলুল আহমেদ চৌধুরীর ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় এ কথা বলেন তিনি।

ড. মোমেন বলেন, জগলুল সবসময় সঠিক তথ্য তুলে ধরতেন। ইদানীংকালে আমাদের যারা নতুন সাংবাদিক তাদের জন্য জগলুলকে অধ্যয়ন করা দরকার।

অনুজপ্রতিম সাংবাদিক জগলুল আহমেদ চৌধুরীর সঙ্গে পারিবারিক সূত্রে এবং পেশাগত কারণে নিজের সম্পর্কের কথা স্মৃতিচারণ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তার মৃত্যু অত্যন্ত পীড়াদায়ক। জগলুল আহমেদ চৌধুরী বাংলাদেশের জন্য সাংবাদিকতার যে নিদর্শন রেখে গেছেন তা এ প্রজন্মের সাংবাদিকদের জন্য অনুসরণীয় হতে পারে।

ড. মোমেন আরো বলেন, পেশাদার সাংবাদিকদের যেহেতু অনেক কিছু জানতে হয়, জগলুলেরও জানার অনেক আগ্রহ ছিল। তিনি সবসময় তথ্য জানার চেষ্টা করতেন এবং রিপোর্টিং জন্য প্রচুর জ্ঞানার্জন করতেন। বিশেষ করে উপমহাদেশ সম্পর্কে জানার বিষয়ে তার গভীর আগ্রহ ছিল। সে আগ্রহ থেকেই তিনি প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের বিষয়ে অনেক কিছু জানতেন এবং বিশ্লেষণ করতে পারতেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মানুষ হিসেবেও জগলুল অত্যন্ত হৃদয়বান মানুষ ছিলেন। তিনি কখনো কাউকে অসম্মান করতেন না। এটি তার একটি বড় গুণ। মনের দিক থেকেও তিনি উদার ছিলেন।

সাংবাদিক জগলুল আহমেদ চৌধুরী স্মৃতি ট্রাস্টের উদ্যোগে আয়োজিত স্মরণসভায় সভাপতিত্ব করেন ট্রাস্টের সভাপতি, সাবেক খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ট্রাস্টের মহাসচিব ও দৈনিক ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত। অনুষ্ঠানে ইউএনবি’র সম্পাদক ফরিদ হোসাইন, প্রয়াত সাংবাদিক জগলুল আহমেদ চৌধুরীর পরিবারের সদস্য, আত্মীয় ও বন্ধুজনেরা উপস্থিত ছিলেন।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার এসআই নাছিম উদ্দিন পেলেন বিশেষ পুরস্কার

মানসম্পন্ন সাংবাদিকতা করতে হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ০৮:১৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, প্রয়াত সাংবাদিক জগলুল আহমেদ চৌধুরীর মৃত্যুবার্ষিকীতে তাকে শ্রদ্ধা জানানোর ক্ষেত্রে আমাদের জন্য দু’টি বিষয় অনুকরণীয় হতে পারে। একটি হচ্ছে- চলন্ত বাস থেকে যাত্রী উঠানামা বন্ধ করার ব্যবস্থা করা, আর আরেকটি বিষয় হচ্ছে- আমাদের সাংবাদিকদের মানসম্পন্ন সাংবাদিকতার চর্চায় নজর দেওয়া।

মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবে দেশের প্রখ্যাত সাংবাদিক ও দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতি বিশ্লেষক মরহুম জগলুল আহমেদ চৌধুরীর ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় এ কথা বলেন তিনি।

ড. মোমেন বলেন, জগলুল সবসময় সঠিক তথ্য তুলে ধরতেন। ইদানীংকালে আমাদের যারা নতুন সাংবাদিক তাদের জন্য জগলুলকে অধ্যয়ন করা দরকার।

অনুজপ্রতিম সাংবাদিক জগলুল আহমেদ চৌধুরীর সঙ্গে পারিবারিক সূত্রে এবং পেশাগত কারণে নিজের সম্পর্কের কথা স্মৃতিচারণ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তার মৃত্যু অত্যন্ত পীড়াদায়ক। জগলুল আহমেদ চৌধুরী বাংলাদেশের জন্য সাংবাদিকতার যে নিদর্শন রেখে গেছেন তা এ প্রজন্মের সাংবাদিকদের জন্য অনুসরণীয় হতে পারে।

ড. মোমেন আরো বলেন, পেশাদার সাংবাদিকদের যেহেতু অনেক কিছু জানতে হয়, জগলুলেরও জানার অনেক আগ্রহ ছিল। তিনি সবসময় তথ্য জানার চেষ্টা করতেন এবং রিপোর্টিং জন্য প্রচুর জ্ঞানার্জন করতেন। বিশেষ করে উপমহাদেশ সম্পর্কে জানার বিষয়ে তার গভীর আগ্রহ ছিল। সে আগ্রহ থেকেই তিনি প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের বিষয়ে অনেক কিছু জানতেন এবং বিশ্লেষণ করতে পারতেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মানুষ হিসেবেও জগলুল অত্যন্ত হৃদয়বান মানুষ ছিলেন। তিনি কখনো কাউকে অসম্মান করতেন না। এটি তার একটি বড় গুণ। মনের দিক থেকেও তিনি উদার ছিলেন।

সাংবাদিক জগলুল আহমেদ চৌধুরী স্মৃতি ট্রাস্টের উদ্যোগে আয়োজিত স্মরণসভায় সভাপতিত্ব করেন ট্রাস্টের সভাপতি, সাবেক খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ট্রাস্টের মহাসচিব ও দৈনিক ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত। অনুষ্ঠানে ইউএনবি’র সম্পাদক ফরিদ হোসাইন, প্রয়াত সাংবাদিক জগলুল আহমেদ চৌধুরীর পরিবারের সদস্য, আত্মীয় ও বন্ধুজনেরা উপস্থিত ছিলেন।


প্রিন্ট