ঢাকা ০৬:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর জেট ফুয়েলের দাম কমলো লিটার প্রতি ১৯ টাকা পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ছেন রবার্তো মার্টিনেজ গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ড্রাগন চাষে চমক দেখালেন শিক্ষক নাঈম পটুয়াখালীতে পিকআপ ভ্যান থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার কুমিল্লায় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ৯ ট্রেডে প্রশিক্ষণ শুরু নোয়াখালীতে অনিয়মের অভিযোগে দুই হাসপাতালকে জরিমানা

কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা কনক চন্দ্র রায় দীর্ঘদিন ধরে

 স্টাফ রিপোর্টার রংপুর বিভাগঃ

কুড়িগ্রাম চিল মারি উপজেলার কৃষকদের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন। তিনি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে নিয়মিত পরিদর্শন করে কৃষকদের আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সম্পর্কে সচেতন করছেন এবং ফসল উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন।

স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ের মাধ্যমে তিনি তাদের সমস্যাগুলো মনোযোগ দিয়ে শুনছেন এবং তাৎক্ষণিক সমাধানের চেষ্টা করছেন। বিশেষ করে বীজ নির্বাচন, সঠিক সার প্রয়োগ, কীটনাশক ব্যবস্থাপনা এবং জলবায়ু উপযোগী চাষাবাদ পদ্ধতি নিয়ে তার পরামর্শ কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

কৃষকরা জানান, কৃষি কর্মকর্তা কনক চন্দ্র রায়ের আন্তরিকতা ও নিয়মিত মাঠ পরিদর্শনের ফলে তারা এখন আগের তুলনায় বেশি লাভবান হচ্ছেন। তার দিকনির্দেশনায় অনেক কৃষক আধুনিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ শুরু করেছেন, যা তাদের উৎপাদন ও আয় বাড়াতে সহায়তা করছে।

উপজেলার কৃষি উন্নয়নে তার এ উদ্যোগকে স্থানীয়রা অত্যন্ত ইতিবাচকভাবে দেখছেন এবং ভবিষ্যতেও এমন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার

কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা কনক চন্দ্র রায় দীর্ঘদিন ধরে

আপডেট টাইম : ০৬:৩৮:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

 স্টাফ রিপোর্টার রংপুর বিভাগঃ

কুড়িগ্রাম চিল মারি উপজেলার কৃষকদের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন। তিনি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে নিয়মিত পরিদর্শন করে কৃষকদের আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সম্পর্কে সচেতন করছেন এবং ফসল উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন।

স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ের মাধ্যমে তিনি তাদের সমস্যাগুলো মনোযোগ দিয়ে শুনছেন এবং তাৎক্ষণিক সমাধানের চেষ্টা করছেন। বিশেষ করে বীজ নির্বাচন, সঠিক সার প্রয়োগ, কীটনাশক ব্যবস্থাপনা এবং জলবায়ু উপযোগী চাষাবাদ পদ্ধতি নিয়ে তার পরামর্শ কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

কৃষকরা জানান, কৃষি কর্মকর্তা কনক চন্দ্র রায়ের আন্তরিকতা ও নিয়মিত মাঠ পরিদর্শনের ফলে তারা এখন আগের তুলনায় বেশি লাভবান হচ্ছেন। তার দিকনির্দেশনায় অনেক কৃষক আধুনিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ শুরু করেছেন, যা তাদের উৎপাদন ও আয় বাড়াতে সহায়তা করছে।

উপজেলার কৃষি উন্নয়নে তার এ উদ্যোগকে স্থানীয়রা অত্যন্ত ইতিবাচকভাবে দেখছেন এবং ভবিষ্যতেও এমন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।


প্রিন্ট