ঢাকা ১২:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের দুর্বৃত্তদের ছিটানো বিষে মারা গেছে সাড়ে ৪ লাখ টাকার পোনা কাপ্তাই লেকে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার ফিলিস্তিনিদের দুর্ভোগ বিশ্বের জন্য লজ্জার: মিশরের কোচ হোসাম হাসান ন্যাটো সম্মেলনের আগে মস্কোর দিকে ৪০০-র বেশি ড্রোন নিক্ষেপ ইউক্রেনের “ময়মনসিংহে মায়ের শ্লীলতাহানির ক্ষোভে রুবেল হত্যা, গ্রেপ্তার ৪” মিথ্যা অপপ্রচার দিয়ে ভালো উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত করা হয় মনোয়ার হোসেন জীবন ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে শুরু হলো ‘গ্র্যান্ড আমেরিকান ফুড ফেস্টিভ্যাল কুড়িগ্রামে আধুনিক হাঁস পালন সম্প্রসারণে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার, বাড়ছে খামারিদের আগ্রহ হিসাবে গড়মিলের অভিযোগে আলোচনায় বাদাঘাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়

কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা কনক চন্দ্র রায় দীর্ঘদিন ধরে

 স্টাফ রিপোর্টার রংপুর বিভাগঃ

কুড়িগ্রাম চিল মারি উপজেলার কৃষকদের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন। তিনি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে নিয়মিত পরিদর্শন করে কৃষকদের আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সম্পর্কে সচেতন করছেন এবং ফসল উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন।

স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ের মাধ্যমে তিনি তাদের সমস্যাগুলো মনোযোগ দিয়ে শুনছেন এবং তাৎক্ষণিক সমাধানের চেষ্টা করছেন। বিশেষ করে বীজ নির্বাচন, সঠিক সার প্রয়োগ, কীটনাশক ব্যবস্থাপনা এবং জলবায়ু উপযোগী চাষাবাদ পদ্ধতি নিয়ে তার পরামর্শ কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

কৃষকরা জানান, কৃষি কর্মকর্তা কনক চন্দ্র রায়ের আন্তরিকতা ও নিয়মিত মাঠ পরিদর্শনের ফলে তারা এখন আগের তুলনায় বেশি লাভবান হচ্ছেন। তার দিকনির্দেশনায় অনেক কৃষক আধুনিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ শুরু করেছেন, যা তাদের উৎপাদন ও আয় বাড়াতে সহায়তা করছে।

উপজেলার কৃষি উন্নয়নে তার এ উদ্যোগকে স্থানীয়রা অত্যন্ত ইতিবাচকভাবে দেখছেন এবং ভবিষ্যতেও এমন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের

কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা কনক চন্দ্র রায় দীর্ঘদিন ধরে

আপডেট টাইম : ০৬:৩৮:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

 স্টাফ রিপোর্টার রংপুর বিভাগঃ

কুড়িগ্রাম চিল মারি উপজেলার কৃষকদের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন। তিনি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে নিয়মিত পরিদর্শন করে কৃষকদের আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সম্পর্কে সচেতন করছেন এবং ফসল উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন।

স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ের মাধ্যমে তিনি তাদের সমস্যাগুলো মনোযোগ দিয়ে শুনছেন এবং তাৎক্ষণিক সমাধানের চেষ্টা করছেন। বিশেষ করে বীজ নির্বাচন, সঠিক সার প্রয়োগ, কীটনাশক ব্যবস্থাপনা এবং জলবায়ু উপযোগী চাষাবাদ পদ্ধতি নিয়ে তার পরামর্শ কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

কৃষকরা জানান, কৃষি কর্মকর্তা কনক চন্দ্র রায়ের আন্তরিকতা ও নিয়মিত মাঠ পরিদর্শনের ফলে তারা এখন আগের তুলনায় বেশি লাভবান হচ্ছেন। তার দিকনির্দেশনায় অনেক কৃষক আধুনিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ শুরু করেছেন, যা তাদের উৎপাদন ও আয় বাড়াতে সহায়তা করছে।

উপজেলার কৃষি উন্নয়নে তার এ উদ্যোগকে স্থানীয়রা অত্যন্ত ইতিবাচকভাবে দেখছেন এবং ভবিষ্যতেও এমন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।


প্রিন্ট