ঢাকা ০৭:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ পটুয়াখালী পায়রা সেতু এলাকায় র‌্যাবের অভিযানে পিকআপের গোপন চেম্বার থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর জেট ফুয়েলের দাম কমলো লিটার প্রতি ১৯ টাকা পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ছেন রবার্তো মার্টিনেজ গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ড্রাগন চাষে চমক দেখালেন শিক্ষক নাঈম পটুয়াখালীতে পিকআপ ভ্যান থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার

বরিশাল-ভোলা নৌপথের একমাত্র ভরসা ফের যাত্রীদের বসার স্থান দখল করে চলছে হোটেল ব্যবসা

জাকির হোসেনঃ
বরিশাল-ভোলা নৌপথে ট্রাক, বাস, মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহন এবং হাজারো যাত্রী পারাপারের একমাত্র মাধ্যম হচ্ছে ফেরি। অথচ লাহারহাট ফেরিঘাটে যাত্রীদের জন্য নির্ধারিত বসার স্থান ও অপেক্ষা করার জায়গা সংকুচিত হয়ে পড়েছে। অভিযোগ রয়েছে, যাত্রীদের বসার জায়গার একটি বড় অংশজুড়ে চলছে হোটেল ব্যবসা।
ঘাটে আসা যাত্রীরা জানান, দীর্ঘ সময় ফেরির অপেক্ষায় থাকলেও বসার মতো পর্যাপ্ত স্থান নেই। বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়স্ক যাত্রীদের দুর্ভোগ আরও বেশি। অথচ একই স্থানে বাণিজ্যিকভাবে হোটেল পরিচালিত হচ্ছে।
হোটেল মালিকের দাবি, তিনি প্রতিদিন ১,১০০ টাকা ভাড়া পরিশোধ করে বৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনা করছেন।
স্থানীয়দের প্রশ্ন, যাত্রীসেবার জন্য নির্ধারিত স্থানে যদি বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়, তাহলে সাধারণ যাত্রীরা কোথায় বসবেন? পাশাপাশি টার্মিনাল চার্জ আদায়ের বিপরীতে যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন ও পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার দাবিও জানিয়েছেন তারা।
প্রশ্ন একটাই—যাত্রীসেবা আগে, নাকি বাণিজ্য?


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ

বরিশাল-ভোলা নৌপথের একমাত্র ভরসা ফের যাত্রীদের বসার স্থান দখল করে চলছে হোটেল ব্যবসা

আপডেট টাইম : ০১:১৪:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬

জাকির হোসেনঃ
বরিশাল-ভোলা নৌপথে ট্রাক, বাস, মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহন এবং হাজারো যাত্রী পারাপারের একমাত্র মাধ্যম হচ্ছে ফেরি। অথচ লাহারহাট ফেরিঘাটে যাত্রীদের জন্য নির্ধারিত বসার স্থান ও অপেক্ষা করার জায়গা সংকুচিত হয়ে পড়েছে। অভিযোগ রয়েছে, যাত্রীদের বসার জায়গার একটি বড় অংশজুড়ে চলছে হোটেল ব্যবসা।
ঘাটে আসা যাত্রীরা জানান, দীর্ঘ সময় ফেরির অপেক্ষায় থাকলেও বসার মতো পর্যাপ্ত স্থান নেই। বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়স্ক যাত্রীদের দুর্ভোগ আরও বেশি। অথচ একই স্থানে বাণিজ্যিকভাবে হোটেল পরিচালিত হচ্ছে।
হোটেল মালিকের দাবি, তিনি প্রতিদিন ১,১০০ টাকা ভাড়া পরিশোধ করে বৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনা করছেন।
স্থানীয়দের প্রশ্ন, যাত্রীসেবার জন্য নির্ধারিত স্থানে যদি বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়, তাহলে সাধারণ যাত্রীরা কোথায় বসবেন? পাশাপাশি টার্মিনাল চার্জ আদায়ের বিপরীতে যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন ও পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার দাবিও জানিয়েছেন তারা।
প্রশ্ন একটাই—যাত্রীসেবা আগে, নাকি বাণিজ্য?


প্রিন্ট