সিটিজেন নিউজ ডেস্ক: তাপপ্রবাহ মানে শুধু অস্বস্তি বোধ করা নয়। বরং দীর্ঘ সময় ধরে চরম তাপমাত্রার সংস্পর্শে থাকলে ডিহাইড্রেশন, হিট এক্সহশন, মাসল ক্রাম্পস, জ্ঞান হারানো এবং গুরুতর ক্ষেত্রে হিটস্ট্রোক হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব, মাথাব্যথা, বিভ্রান্তি, দ্রুত হৃদস্পন্দন, গাঢ় হলুদ প্রস্রাব, খিঁচুনি বা জ্ঞান হারানোর মতো লক্ষণ কখনই উপেক্ষা করা উচিত নয়। এই গরমে প্রয়োজনীয় পানীয় ও খাবার খেতে হবে সঠিকভাবে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব, মাথাব্যথা, দ্রুত হৃদস্পন্দন, গাঢ় প্রস্রাব, বিভ্রান্তি বা জ্ঞান হারানোর মতো লক্ষণকে কখনোই হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয়। এই সময় শরীর ঠান্ডা রাখতে ও পানিশূন্যতা এড়াতে কিছু খাবার ও পানীয় বেশ উপকারী হতে পারে।
১. ঘোল ও লাচ্ছি
গরমে শরীর ঠান্ডা রাখতে ঘোল ও লাচ্ছি বেশ কার্যকর পানীয়। তবে এগুলো বাসায় তৈরি হওয়াই ভালো। রাস্তার পাশের খোলা পানীয় বা শরবত এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা, কারণ সেগুলো অস্বাস্থ্যকর হতে পারে।
২. ডাবের পানি
প্রাকৃতিকভাবে শরীর ঠান্ডা রাখতে ডাবের পানি অত্যন্ত উপকারী। এতে থাকা ইলেক্ট্রোলাইট ও খনিজ শরীরে পানির ঘাটতি পূরণে সাহায্য করে এবং গরমে শরীর সতেজ রাখে।
৩. লেবুর শরবত
লেবুর শরবত গরমের সময় খুবই উপকারী পানীয় হিসেবে পরিচিত। সামান্য লবণ মিশিয়ে ঘরে তৈরি লেবুর শরবত শরীরের ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। তবে অতিরিক্ত চিনি ব্যবহার না করাই ভালো।
৪. তরমুজ
রসালো ও পানিসমৃদ্ধ ফল তরমুজ গরমে শরীরের পানির চাহিদা পূরণে সহায়ক। নিয়মিত তরমুজ খেলে শরীর ঠান্ডা থাকে এবং হিটস্ট্রোকের ঝুঁকিও কমতে পারে।
৫. শসা
শসা গ্রীষ্মকালের অন্যতম উপকারী খাবার। এটি কাঁচা, সালাদ বা রায়তার সঙ্গে খাওয়া যায়। পানিসমৃদ্ধ এই সবজি শরীর ঠান্ডা রাখতে এবং সতেজতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, গরমের সময় পর্যাপ্ত পানি পান করার পাশাপাশি এসব পানিসমৃদ্ধ খাবার খাদ্যতালিকায় রাখলে হিটস্ট্রোকসহ বিভিন্ন গরমজনিত সমস্যা থেকে সুরক্ষা পাওয়া সম্ভব।
প্রিন্ট
সিটিজেন নিউজ ডেস্ক 

























