ঢাকা ০৭:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ পটুয়াখালী পায়রা সেতু এলাকায় র‌্যাবের অভিযানে পিকআপের গোপন চেম্বার থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর জেট ফুয়েলের দাম কমলো লিটার প্রতি ১৯ টাকা পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ছেন রবার্তো মার্টিনেজ গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ড্রাগন চাষে চমক দেখালেন শিক্ষক নাঈম পটুয়াখালীতে পিকআপ ভ্যান থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার

পুনর্গঠনে এক হাজার কোটি ইউরোর চুক্তির আশা ইউক্রেনের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইউক্রেন আগামী দুই দিনে ১০ বিলিয়ন বা এক হাজার কোটি ইউরোরও বেশি মূল্যের ১৬০টির বেশি চুক্তি স্বাক্ষরের আশা করছে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী ইউলিয়া স্ভিরিদেনকো।

বৃহস্পতিবার পোল্যান্ডের গদানস্ক শহরে অনুষ্ঠিত একটি বড় পুনর্গঠন সম্মেলনে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ তথ্য জানান।

রাশিয়ার হামলার ফলে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে ইউক্রেনের কয়েক শত কোটি ডলারের প্রয়োজন। এ জন্য বিনিয়োগে আন্তর্জাতিক সমর্থন জোরদারের চেষ্টা করছে কিয়েভ।

পোল্যান্ডের গদানস্ক থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

তবে যুদ্ধ বন্ধের কোনো লক্ষণ না থাকায় এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় পোলিশদের হত্যাযজ্ঞে জড়িত একটি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর নামে ইউক্রেন একটি সামরিক ইউনিটের নামকরণ করায় সৃষ্ট বিরোধের কারণে সম্মেলনটি  নিষ্ফল হয়ে যেতে পারে।

পোল্যান্ডের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় বন্দরনগরী গদানস্কে অনুষ্ঠেয় সম্মেলনে পোল্যান্ড, বুলগেরিয়া, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, রোমানিয়া ও সুইডেনের নেতারা অংশ নেবেন। এছাড়া ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লিয়েন এবং ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রধান আন্তোনিও কস্তাও উপস্থিত থাকবেন।

যুদ্ধ শেষ হলে ইউক্রেনে বিনিয়োগে অর্থ ব্যয়ের জন্য ব্যবসায়ী ও দেশগুলোকে উৎসাহিত করাই সম্মেলনের মূল লক্ষ্য।

আগের বছরগুলোতে জেলেনস্কির নেতৃত্বে ইউক্রেনীয় প্রতিনিধিদল অংশ নিলেও এবার দেশটির প্রতিনিধিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রী ইউলিয়া সিভরদেঙ্কো।

ইউক্রেন, বিশ্বব্যাংক, জাতিসংঘ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি যৌথ প্রতিবেদনে গত ফেব্রুয়ারিতে বলা হয়, যুদ্ধ-পরবর্তী ইউক্রেন পুনর্গঠনে প্রায় ৫৮৮ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হবে।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যুদ্ধ বন্ধের আলোচনায় কোনো অগ্রগতি না থাকায় ইউক্রেন পুনর্গঠনে বিনিয়োগে সমর্থন আদায় কঠিন হয়ে পড়েছে।

তবুও সিভরিদেঙ্কো বলেছেন, তার দেশ আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি সই করার পরিকল্পনা করছে। বিশেষ করে জ্বালানি খাত শক্তিশালী করাই এর লক্ষ্য।

-‘অপ্রয়োজনীয় রাজনীতিকরণ’-
জ্বালানি, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ও যোগাযোগ ব্যবস্থার পাশাপাশি এবার প্রথমবারের মতো ইউক্রেনের নিরাপত্তা সক্ষমতা নিয়েও আলোচনা হবে।

ডিসেম্বরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইউক্রেনের জন্য ৯০ বিলিয়ন ইউরোর ঋণ অনুমোদন করে। এর বেশিরভাগই প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয়ের জন্য নির্ধারিত।

তবে কিয়েভের সেন্টার ফর ইকোনমিক স্ট্র্যাটেজির পরিচালক গ্লিব ভিশলিনস্কি বলেন, ‘পুনর্গঠন প্রক্রিয়া ছাড়া ইউক্রেনের পক্ষে দেশ রক্ষা করা অসম্ভব হবে।’

তিনি বলেন, ‘ইউক্রেনের যারা কর দেন এবং সামরিক বাহিনীকে সমর্থন করেন, তাদের জন্য আমাদের গুরুত্বপূর্ণ সেবা ও আবাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।’

যুদ্ধের কারণে ইউক্রেনের অর্থনীতি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাশিয়ার আগ্রাসন মোকাবিলায় বিপুল ব্যয়ের মধ্যে দেশটি টিকে থাকতে বাইরের অর্থায়নের ওপর নির্ভর করছে।

জেলেনস্কির সম্মেলনে না যাওয়ার সিদ্ধান্তের পেছনে রয়েছে পোল্যান্ডের জাতীয়তাবাদী প্রেসিডেন্ট কারোল নাভরোৎস্কির সঙ্গে বিরোধ। ইউক্রেনীয় নেতার দেওয়া একটি রাষ্ট্রীয় সম্মাননা প্রত্যাহার করেছেন নাভরোৎস্কি।
পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড টাস্কের সঙ্গে মতবিরোধে থাকা নাভরোকি, ইউক্রেনীয় বিদ্রোহী সেনাবাহিনী (ইউপিএ)’র নামে একটি সামরিক ইউনিটের নামকরণ করার জেলেনস্কির পদক্ষেপে ক্ষুব্ধ হন।

১৯৪৩ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত ভলিনিয়া অঞ্চলে ইউপিএ কয়েক হাজার পোলিশ বেসামরিক মানুষকে হত্যা করেছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগে অঞ্চলটি পোল্যান্ডের অংশ ছিল।

তবে ইউক্রেনের কিছু মানুষ ইউপিএকে শ্রদ্ধার চোখে দেখে, কারণ তাদের মতে সংগঠনটি ইউক্রেন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নাৎসি ও সোভিয়েত বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করেছিল।

ইউপিএর মর্যাদা এবং সংগঠনটির নেতাদের স্মৃতিস্তম্ভ নিয়ে বিতর্ক দীর্ঘদিন ধরে দুই মিত্র ও প্রতিবেশী দেশের সম্পর্কের ওপর ছায়া ফেলেছে।

ইউক্রেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জর্জি তিখি বুধবার বলেন, কিয়েভ আশা করছে এই বিরোধ সম্মেলনকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে না।

তিনি বলেন, ‘এই আন্তর্জাতিক আয়োজনের অপ্রয়োজনীয় রাজনীতিকরণ এড়িয়ে ইউক্রেনের পক্ষে বাস্তবধর্মী ও কার্যকর সিদ্ধান্তের দিকে মনোযোগ দিতে চায় কিয়েভ।’

জাতীয়তাবাদী প্রেসিডেন্ট ও ডানপন্থী বিরোধীদের থেকে নিজেকে দূরে রেখে ইউরোপপন্থী  প্রেসিডেন্ট টাস্ক বলেন, তিনি আশা করছেন সম্মেলনটি ‘এগিয়ে যাওয়ার একটি পদক্ষেপ বা আবেগপূর্ণ উত্তেজনা কমানোর একটি উপায়’ হবে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ

পুনর্গঠনে এক হাজার কোটি ইউরোর চুক্তির আশা ইউক্রেনের

আপডেট টাইম : ১০:০৩:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইউক্রেন আগামী দুই দিনে ১০ বিলিয়ন বা এক হাজার কোটি ইউরোরও বেশি মূল্যের ১৬০টির বেশি চুক্তি স্বাক্ষরের আশা করছে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী ইউলিয়া স্ভিরিদেনকো।

বৃহস্পতিবার পোল্যান্ডের গদানস্ক শহরে অনুষ্ঠিত একটি বড় পুনর্গঠন সম্মেলনে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ তথ্য জানান।

রাশিয়ার হামলার ফলে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে ইউক্রেনের কয়েক শত কোটি ডলারের প্রয়োজন। এ জন্য বিনিয়োগে আন্তর্জাতিক সমর্থন জোরদারের চেষ্টা করছে কিয়েভ।

পোল্যান্ডের গদানস্ক থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

তবে যুদ্ধ বন্ধের কোনো লক্ষণ না থাকায় এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় পোলিশদের হত্যাযজ্ঞে জড়িত একটি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর নামে ইউক্রেন একটি সামরিক ইউনিটের নামকরণ করায় সৃষ্ট বিরোধের কারণে সম্মেলনটি  নিষ্ফল হয়ে যেতে পারে।

পোল্যান্ডের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় বন্দরনগরী গদানস্কে অনুষ্ঠেয় সম্মেলনে পোল্যান্ড, বুলগেরিয়া, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, রোমানিয়া ও সুইডেনের নেতারা অংশ নেবেন। এছাড়া ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লিয়েন এবং ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রধান আন্তোনিও কস্তাও উপস্থিত থাকবেন।

যুদ্ধ শেষ হলে ইউক্রেনে বিনিয়োগে অর্থ ব্যয়ের জন্য ব্যবসায়ী ও দেশগুলোকে উৎসাহিত করাই সম্মেলনের মূল লক্ষ্য।

আগের বছরগুলোতে জেলেনস্কির নেতৃত্বে ইউক্রেনীয় প্রতিনিধিদল অংশ নিলেও এবার দেশটির প্রতিনিধিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রী ইউলিয়া সিভরদেঙ্কো।

ইউক্রেন, বিশ্বব্যাংক, জাতিসংঘ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি যৌথ প্রতিবেদনে গত ফেব্রুয়ারিতে বলা হয়, যুদ্ধ-পরবর্তী ইউক্রেন পুনর্গঠনে প্রায় ৫৮৮ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হবে।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যুদ্ধ বন্ধের আলোচনায় কোনো অগ্রগতি না থাকায় ইউক্রেন পুনর্গঠনে বিনিয়োগে সমর্থন আদায় কঠিন হয়ে পড়েছে।

তবুও সিভরিদেঙ্কো বলেছেন, তার দেশ আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি সই করার পরিকল্পনা করছে। বিশেষ করে জ্বালানি খাত শক্তিশালী করাই এর লক্ষ্য।

-‘অপ্রয়োজনীয় রাজনীতিকরণ’-
জ্বালানি, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ও যোগাযোগ ব্যবস্থার পাশাপাশি এবার প্রথমবারের মতো ইউক্রেনের নিরাপত্তা সক্ষমতা নিয়েও আলোচনা হবে।

ডিসেম্বরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইউক্রেনের জন্য ৯০ বিলিয়ন ইউরোর ঋণ অনুমোদন করে। এর বেশিরভাগই প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয়ের জন্য নির্ধারিত।

তবে কিয়েভের সেন্টার ফর ইকোনমিক স্ট্র্যাটেজির পরিচালক গ্লিব ভিশলিনস্কি বলেন, ‘পুনর্গঠন প্রক্রিয়া ছাড়া ইউক্রেনের পক্ষে দেশ রক্ষা করা অসম্ভব হবে।’

তিনি বলেন, ‘ইউক্রেনের যারা কর দেন এবং সামরিক বাহিনীকে সমর্থন করেন, তাদের জন্য আমাদের গুরুত্বপূর্ণ সেবা ও আবাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।’

যুদ্ধের কারণে ইউক্রেনের অর্থনীতি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাশিয়ার আগ্রাসন মোকাবিলায় বিপুল ব্যয়ের মধ্যে দেশটি টিকে থাকতে বাইরের অর্থায়নের ওপর নির্ভর করছে।

জেলেনস্কির সম্মেলনে না যাওয়ার সিদ্ধান্তের পেছনে রয়েছে পোল্যান্ডের জাতীয়তাবাদী প্রেসিডেন্ট কারোল নাভরোৎস্কির সঙ্গে বিরোধ। ইউক্রেনীয় নেতার দেওয়া একটি রাষ্ট্রীয় সম্মাননা প্রত্যাহার করেছেন নাভরোৎস্কি।
পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড টাস্কের সঙ্গে মতবিরোধে থাকা নাভরোকি, ইউক্রেনীয় বিদ্রোহী সেনাবাহিনী (ইউপিএ)’র নামে একটি সামরিক ইউনিটের নামকরণ করার জেলেনস্কির পদক্ষেপে ক্ষুব্ধ হন।

১৯৪৩ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত ভলিনিয়া অঞ্চলে ইউপিএ কয়েক হাজার পোলিশ বেসামরিক মানুষকে হত্যা করেছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগে অঞ্চলটি পোল্যান্ডের অংশ ছিল।

তবে ইউক্রেনের কিছু মানুষ ইউপিএকে শ্রদ্ধার চোখে দেখে, কারণ তাদের মতে সংগঠনটি ইউক্রেন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নাৎসি ও সোভিয়েত বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করেছিল।

ইউপিএর মর্যাদা এবং সংগঠনটির নেতাদের স্মৃতিস্তম্ভ নিয়ে বিতর্ক দীর্ঘদিন ধরে দুই মিত্র ও প্রতিবেশী দেশের সম্পর্কের ওপর ছায়া ফেলেছে।

ইউক্রেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জর্জি তিখি বুধবার বলেন, কিয়েভ আশা করছে এই বিরোধ সম্মেলনকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে না।

তিনি বলেন, ‘এই আন্তর্জাতিক আয়োজনের অপ্রয়োজনীয় রাজনীতিকরণ এড়িয়ে ইউক্রেনের পক্ষে বাস্তবধর্মী ও কার্যকর সিদ্ধান্তের দিকে মনোযোগ দিতে চায় কিয়েভ।’

জাতীয়তাবাদী প্রেসিডেন্ট ও ডানপন্থী বিরোধীদের থেকে নিজেকে দূরে রেখে ইউরোপপন্থী  প্রেসিডেন্ট টাস্ক বলেন, তিনি আশা করছেন সম্মেলনটি ‘এগিয়ে যাওয়ার একটি পদক্ষেপ বা আবেগপূর্ণ উত্তেজনা কমানোর একটি উপায়’ হবে।


প্রিন্ট