ঢাকা ১২:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,, কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ পটুয়াখালী পায়রা সেতু এলাকায় র‌্যাবের অভিযানে পিকআপের গোপন চেম্বার থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর জেট ফুয়েলের দাম কমলো লিটার প্রতি ১৯ টাকা পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ছেন রবার্তো মার্টিনেজ গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ড্রাগন চাষে চমক দেখালেন শিক্ষক নাঈম

পিরোজপুরে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ ৩ অস্ত্র ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

জাকির হোসেনঃ

পিরোজপুর সদর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে একটি বিদেশি পিস্তল ও এক রাউন্ড গুলিসহ তিনজন অস্ত্র ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শুক্রবার (৩ জুলাই) দিবাগত রাতে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—মো. হাসান ওরফে মেহেদী হাসান (২৭), মো. আল আমিন শেখ (২৬) এবং মো. আলী হোসেন (৪০)। আলী হোসেন সদর উপজেলার টোনা ইউনিয়নের তেজদাসকাঠী গ্রামের মৃত ফজলুল রহমানের ছেলে।

পুলিশ জানায়, সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাধেশ্যাম সরকার ও এসআই (নিঃ) রাধা রমন ভৌমিকের নেতৃত্বে কদমতলা বাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান চলাকালে রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটে সন্দেহভাজন হিসেবে হাসান ও আল আমিনকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায়, একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন ও ৪৬ রাউন্ড গুলি ৩০ হাজার টাকায় আলী হোসেনের কাছে বিক্রি করেছে।

তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় পুলিশ আলী হোসেনের বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় স্থানীয় গ্রাম পুলিশ ও এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে তাকে আটক করা হয়। পরে তার হেফাজত থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে জব্দ করা হয়।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার তিনজনের বিরুদ্ধে ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের ১৯-এ ও ১৯-এফ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। বাকি অস্ত্র ও গুলি উদ্ধারে এবং এ চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে শুক্রবার পিরোজপুর সদর থানায় আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমদ সিদ্দিকী বলেন, মাদক, সন্ত্রাস ও অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে জেলা পুলিশের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবেই এ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। তিনি বলেন, জেলাকে অপরাধমুক্ত রাখতে এ ধরনের বিশেষ চিরুনি অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,,

পিরোজপুরে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ ৩ অস্ত্র ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

আপডেট টাইম : ০৩:২৯:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬

জাকির হোসেনঃ

পিরোজপুর সদর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে একটি বিদেশি পিস্তল ও এক রাউন্ড গুলিসহ তিনজন অস্ত্র ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শুক্রবার (৩ জুলাই) দিবাগত রাতে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—মো. হাসান ওরফে মেহেদী হাসান (২৭), মো. আল আমিন শেখ (২৬) এবং মো. আলী হোসেন (৪০)। আলী হোসেন সদর উপজেলার টোনা ইউনিয়নের তেজদাসকাঠী গ্রামের মৃত ফজলুল রহমানের ছেলে।

পুলিশ জানায়, সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাধেশ্যাম সরকার ও এসআই (নিঃ) রাধা রমন ভৌমিকের নেতৃত্বে কদমতলা বাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান চলাকালে রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটে সন্দেহভাজন হিসেবে হাসান ও আল আমিনকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায়, একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন ও ৪৬ রাউন্ড গুলি ৩০ হাজার টাকায় আলী হোসেনের কাছে বিক্রি করেছে।

তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় পুলিশ আলী হোসেনের বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় স্থানীয় গ্রাম পুলিশ ও এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে তাকে আটক করা হয়। পরে তার হেফাজত থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে জব্দ করা হয়।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার তিনজনের বিরুদ্ধে ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের ১৯-এ ও ১৯-এফ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। বাকি অস্ত্র ও গুলি উদ্ধারে এবং এ চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে শুক্রবার পিরোজপুর সদর থানায় আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমদ সিদ্দিকী বলেন, মাদক, সন্ত্রাস ও অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে জেলা পুলিশের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবেই এ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। তিনি বলেন, জেলাকে অপরাধমুক্ত রাখতে এ ধরনের বিশেষ চিরুনি অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।


প্রিন্ট