ঢাকা ০২:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
১৩ লাখের পর ফের সাড়ে ৬ লাখ টাকা ব্যয়, জবির ফুডকোর্ট নির্মাণে প্রশ্ন ১৩ লাখের পর ফের সাড়ে ৬ লাখ টাকা ব্যয়, জবির ফুডকোর্ট নির্মাণে প্রশ্ন গোদাগাড়ীর কৃতী সন্তান সাবেক আইজিপি বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. এম এনামুল হককে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন গোদাগাড়ীতে র‌্যাব-৫ এর অভিযান পরিত্যক্ত অবস্থায় প্রায় ৯০০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার হিলি স্থলবন্দরে আমদানি রপ্তানি কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ,বিপাকে ব্যবসায়ী ও শ্রমীকরা কালিয়াকৈরে অভিযান: ১১০টি কারেন্ট ও রিং জাল জব্দ, পুড়িয়ে ধ্বংস মহান ঈদে আজম উদযাপন উপলক্ষে সালাতু সালাম মাহফিল অনুষ্ঠিত। টাঙ্গাইলের নাগরপুরে বাবা হত্যা করলো ছেলে গোবিন্দগঞ্জে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে রাতের আঁধারে সাইনবোর্ড যেখানেই যাচ্ছেন মানুষের সাড়া ও ভালোবাসা পাচ্ছেন: হাফেজ মোঃ খাইরুল ইসলাম মুন্সি

পিরোজপুরে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ ৩ অস্ত্র ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

জাকির হোসেনঃ

পিরোজপুর সদর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে একটি বিদেশি পিস্তল ও এক রাউন্ড গুলিসহ তিনজন অস্ত্র ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শুক্রবার (৩ জুলাই) দিবাগত রাতে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—মো. হাসান ওরফে মেহেদী হাসান (২৭), মো. আল আমিন শেখ (২৬) এবং মো. আলী হোসেন (৪০)। আলী হোসেন সদর উপজেলার টোনা ইউনিয়নের তেজদাসকাঠী গ্রামের মৃত ফজলুল রহমানের ছেলে।

পুলিশ জানায়, সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাধেশ্যাম সরকার ও এসআই (নিঃ) রাধা রমন ভৌমিকের নেতৃত্বে কদমতলা বাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান চলাকালে রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটে সন্দেহভাজন হিসেবে হাসান ও আল আমিনকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায়, একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন ও ৪৬ রাউন্ড গুলি ৩০ হাজার টাকায় আলী হোসেনের কাছে বিক্রি করেছে।

তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় পুলিশ আলী হোসেনের বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় স্থানীয় গ্রাম পুলিশ ও এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে তাকে আটক করা হয়। পরে তার হেফাজত থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে জব্দ করা হয়।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার তিনজনের বিরুদ্ধে ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের ১৯-এ ও ১৯-এফ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। বাকি অস্ত্র ও গুলি উদ্ধারে এবং এ চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে শুক্রবার পিরোজপুর সদর থানায় আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমদ সিদ্দিকী বলেন, মাদক, সন্ত্রাস ও অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে জেলা পুলিশের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবেই এ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। তিনি বলেন, জেলাকে অপরাধমুক্ত রাখতে এ ধরনের বিশেষ চিরুনি অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।


প্রিন্ট
Tag :

১৩ লাখের পর ফের সাড়ে ৬ লাখ টাকা ব্যয়, জবির ফুডকোর্ট নির্মাণে প্রশ্ন

পিরোজপুরে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ ৩ অস্ত্র ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

আপডেট টাইম : ০৩:২৯:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬

জাকির হোসেনঃ

পিরোজপুর সদর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে একটি বিদেশি পিস্তল ও এক রাউন্ড গুলিসহ তিনজন অস্ত্র ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শুক্রবার (৩ জুলাই) দিবাগত রাতে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—মো. হাসান ওরফে মেহেদী হাসান (২৭), মো. আল আমিন শেখ (২৬) এবং মো. আলী হোসেন (৪০)। আলী হোসেন সদর উপজেলার টোনা ইউনিয়নের তেজদাসকাঠী গ্রামের মৃত ফজলুল রহমানের ছেলে।

পুলিশ জানায়, সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাধেশ্যাম সরকার ও এসআই (নিঃ) রাধা রমন ভৌমিকের নেতৃত্বে কদমতলা বাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান চলাকালে রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটে সন্দেহভাজন হিসেবে হাসান ও আল আমিনকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায়, একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন ও ৪৬ রাউন্ড গুলি ৩০ হাজার টাকায় আলী হোসেনের কাছে বিক্রি করেছে।

তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় পুলিশ আলী হোসেনের বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় স্থানীয় গ্রাম পুলিশ ও এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে তাকে আটক করা হয়। পরে তার হেফাজত থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে জব্দ করা হয়।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার তিনজনের বিরুদ্ধে ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের ১৯-এ ও ১৯-এফ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। বাকি অস্ত্র ও গুলি উদ্ধারে এবং এ চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে শুক্রবার পিরোজপুর সদর থানায় আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমদ সিদ্দিকী বলেন, মাদক, সন্ত্রাস ও অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে জেলা পুলিশের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবেই এ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। তিনি বলেন, জেলাকে অপরাধমুক্ত রাখতে এ ধরনের বিশেষ চিরুনি অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।


প্রিন্ট