ঢাকা ০৮:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,, কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ পটুয়াখালী পায়রা সেতু এলাকায় র‌্যাবের অভিযানে পিকআপের গোপন চেম্বার থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর জেট ফুয়েলের দাম কমলো লিটার প্রতি ১৯ টাকা পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ছেন রবার্তো মার্টিনেজ গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ড্রাগন চাষে চমক দেখালেন শিক্ষক নাঈম

কামারপাড়া স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক সহ দুই সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীর উত্তরা এলাকার তুরাগ থানাধীন কামারপাড়া স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক সহ সহকারী দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে একই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষিকাকে যৌন হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে। দুই সহকারী শিক্ষক হলেন- সিনিয়র শিক্ষক মোঃ জানে আলম (৬০) ও সহকারী গণিত শিক্ষক মোঃ সানোয়ার হোসেন। দীর্ঘদিন যাবৎ এই দুই শিক্ষকের যৌন হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হয়ে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক সহ গভর্ণিং বডির কমিটিদের কাছে বিচার দিয়ে কোন ফলাফল না পেয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষিকা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন আইন ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩) এর ১০/৩০ ধারায় আদালতে মামলা করেন।

মামলা নং- ১৭১/২০১৯। মামলায় বাদীর বক্তব্য থেকে জানা যায়, তিনি ২০১৩ ইং সাল থেকে কামারপাড়া স্কুল এন্ড কলেজের বাংলা সহকারী শিক্ষক হিসেবে পাঠদান করে আসছেন। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক খোরশিদ জাহান তাকে এমপিও করার নামে ৫ লক্ষ টাকা দাবী করেন। দাবীকৃত টাকা না দেওয়ায় প্রধান শিক্ষকের প্রতিহিংসার শিকার হোন ঐ শিক্ষিকা।

প্রধান শিক্ষক তার বিশ্বস্ত ঐ দুই সহকারী শিক্ষককে ভুক্তভোগীর পিছনে লেলিয়ে দেন। এই সুযোগে জানে আলম ও সানোয়ার হোসেন যৌন হয়রানি শিকার শিক্ষিকার সাথে খারাপ আচরণ, রাস্তায় পথ আটকিয়ে গাঁয়ে স্পর্শ করা ও বিভিন্ন সময় কুরুচি পূর্ণ ভাষা ব্যবহার সহ কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। তাদের লালশার শিকার বানাতে না পেরে প্রধান শিক্ষক কর্তৃক শিক্ষিকার বিরুদ্ধে একটি নোটিশ প্রেরণ করা হয়। নোটিশে তাকে চরিত্রহীন বানানোর হীন চেষ্টা করা হয়, বলা হয় আপনি বিভিন্ন হোটেলে রাত কাটান এবং অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকেন। যাহা একজন নারীর চরিত্রে কলঙ্ক দেয়। একজন সচেতন লোক হিসেবে প্রধান শিক্ষক কখনও এরকম হীন কাজ করতে পারেন না।
অভিযোগে আরও জানা যায়, ঐ দুই শিক্ষক বর্তমানে বাদীকে নানা ধরনের হুমকি ও লোক-মারফত ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছেন। যেকোন সময় বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারেন বলে জানান ভুক্তভোগী। অন্যদিকে প্রধান শিক্ষক তার বিশ্বস্ত সহকারী দুই শিক্ষকের মাধ্যমে দূর্নীতি, প্রতিষ্ঠানের অর্থ আত্মসাৎ সহ বিভিন্ন অপরাধ অপকর্ম ও অনিয়ম করে আসছে। তাদের অপকর্মের বিষয়ে এলাকার অনেকেই জানেন। জনমনে প্রশ্ন এত অপকর্ম ও স্বেচ্ছাচারিতা করার পরেও কোন গায়েবী শক্তির বলে তারা বহাল তবিয়তে আছেন? বিষয়টি নিয়ে জানে আলমের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি প্রধান শিক্ষকের অনুমতি ছাড়া কিছুই বলতে পারবেন না বলে জানান। গণিত শিক্ষক সানোয়ার হোসেনে সাথে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি ব্যস্ত আছেন বলে জানান।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,,

কামারপাড়া স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক সহ দুই সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ

আপডেট টাইম : ০৪:৫৩:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অগাস্ট ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীর উত্তরা এলাকার তুরাগ থানাধীন কামারপাড়া স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক সহ সহকারী দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে একই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষিকাকে যৌন হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে। দুই সহকারী শিক্ষক হলেন- সিনিয়র শিক্ষক মোঃ জানে আলম (৬০) ও সহকারী গণিত শিক্ষক মোঃ সানোয়ার হোসেন। দীর্ঘদিন যাবৎ এই দুই শিক্ষকের যৌন হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হয়ে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক সহ গভর্ণিং বডির কমিটিদের কাছে বিচার দিয়ে কোন ফলাফল না পেয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষিকা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন আইন ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩) এর ১০/৩০ ধারায় আদালতে মামলা করেন।

মামলা নং- ১৭১/২০১৯। মামলায় বাদীর বক্তব্য থেকে জানা যায়, তিনি ২০১৩ ইং সাল থেকে কামারপাড়া স্কুল এন্ড কলেজের বাংলা সহকারী শিক্ষক হিসেবে পাঠদান করে আসছেন। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক খোরশিদ জাহান তাকে এমপিও করার নামে ৫ লক্ষ টাকা দাবী করেন। দাবীকৃত টাকা না দেওয়ায় প্রধান শিক্ষকের প্রতিহিংসার শিকার হোন ঐ শিক্ষিকা।

প্রধান শিক্ষক তার বিশ্বস্ত ঐ দুই সহকারী শিক্ষককে ভুক্তভোগীর পিছনে লেলিয়ে দেন। এই সুযোগে জানে আলম ও সানোয়ার হোসেন যৌন হয়রানি শিকার শিক্ষিকার সাথে খারাপ আচরণ, রাস্তায় পথ আটকিয়ে গাঁয়ে স্পর্শ করা ও বিভিন্ন সময় কুরুচি পূর্ণ ভাষা ব্যবহার সহ কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। তাদের লালশার শিকার বানাতে না পেরে প্রধান শিক্ষক কর্তৃক শিক্ষিকার বিরুদ্ধে একটি নোটিশ প্রেরণ করা হয়। নোটিশে তাকে চরিত্রহীন বানানোর হীন চেষ্টা করা হয়, বলা হয় আপনি বিভিন্ন হোটেলে রাত কাটান এবং অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকেন। যাহা একজন নারীর চরিত্রে কলঙ্ক দেয়। একজন সচেতন লোক হিসেবে প্রধান শিক্ষক কখনও এরকম হীন কাজ করতে পারেন না।
অভিযোগে আরও জানা যায়, ঐ দুই শিক্ষক বর্তমানে বাদীকে নানা ধরনের হুমকি ও লোক-মারফত ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছেন। যেকোন সময় বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারেন বলে জানান ভুক্তভোগী। অন্যদিকে প্রধান শিক্ষক তার বিশ্বস্ত সহকারী দুই শিক্ষকের মাধ্যমে দূর্নীতি, প্রতিষ্ঠানের অর্থ আত্মসাৎ সহ বিভিন্ন অপরাধ অপকর্ম ও অনিয়ম করে আসছে। তাদের অপকর্মের বিষয়ে এলাকার অনেকেই জানেন। জনমনে প্রশ্ন এত অপকর্ম ও স্বেচ্ছাচারিতা করার পরেও কোন গায়েবী শক্তির বলে তারা বহাল তবিয়তে আছেন? বিষয়টি নিয়ে জানে আলমের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি প্রধান শিক্ষকের অনুমতি ছাড়া কিছুই বলতে পারবেন না বলে জানান। গণিত শিক্ষক সানোয়ার হোসেনে সাথে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি ব্যস্ত আছেন বলে জানান।


প্রিন্ট