বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ০২:৩০ পূর্বাহ্ন
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ::
সিটিজেন নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যারা আগ্রহী আমাদের ই-মেইলে সিভি পাঠান
সংবাদ শিরোনাম ::
উলিপুরে বজরা ইউনিয়নে ঈদ উপলক্ষে চাউল বিতরণ কালীগঞ্জে মো: বকুল হোসেন ভূঁইয়ার নিজস্ব অর্থয়ানে ঈদ উপহার বিতরণ পাহাড়ে খ্রিস্টান মিশনারির তৎপরতা: পিছিয়ে পড়ছে নওমুসলিমগণ দিনাজপুরের বিরামপুরে ভিক্ষুক পুনর্বাসনে সরকারের মানবিক উদ্যোগ: শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে নির্দেশ মন্ত্রীর ফসল বীমা চালুর উদ্যোগ, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিপূরণ পাবেন কৃষক : কৃষিমন্ত্রী নির্ধারিত ভাড়ায় ঈদযাত্রা, অনিয়মে কঠোর ব্যবস্থা : সড়ক পরিবহন মন্ত্রী ট্রাম্পের চীন সফর নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগে বেইজিং, অনির্দিষ্ট সময়সূচি শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ আসনের নির্বাচনে ২৫ মার্চের মধ্যে পোস্টাল ব্যালট পাঠানো হবে ইটভাটা থেকে যুবদল নেতার লাশ উদ্ধার বগুড়ায় মাইক্রোবাসে আগুন; একই পরিবারের তিনজন নিহত

আমি জীবনটা বাংলার মানুষের জন্য বিলিয়ে দিতে এসেছি : প্রধানমন্ত্রী

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২০
  • ২৫০ বার পঠিত

নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, করোনার সময় অনেক দেশ বাজেট দিতে পারছে না। কিন্তু আমরা একদিকে যেমন করোনা মোকাবিলা করবো, পাশাপাশি আমরা দেশের মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা নিশ্চিত করবো। তারা যেন কষ্ট না পায় সেজন্য যা যা করণীয় করে যাবো। আমি তো এখানে বেঁচে থাকার জন্য আসিনি। আমি তো জীবনটা বাংলার মানুষের জন্য বিলিয়ে দিতে এসেছি, এটাতে তো ভয় পাওয়ার কিছু নেই। ভয়ের কী আছে!

আজ বুধবার জাতীয় সংসদে শোক প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনাভাইরাসে মরি, গুলি খেয়ে মরি, অসুস্থ হয়ে মরি, মরতে একদিন হবেই। এই মৃত্যু যখন অবধারিত সেটাতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। আমি ভয় পাইনি। কখনো ভয় পাবো না। আমি যখন বাংলাদেশে ফিরে আসি, সেটা ছিল সেই বাংলাদেশ, যেখানে আমার বাবা, ভাই, বোন, শিশু ভাইটিকে পর্যন্ত হত্যা করা হয়েছিল। আমাদের পরিবারের বহুজনের সদস্য বুলেটবিদ্ধ, আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মী বুলেটবিদ্ধ বা স্প্লিন্টার নিয়ে বেঁচে আছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে সবারই কাজ করার সুযোগ ছিল না। যারা নিয়মিত চাকরির বেতন পেতেন তার বাইরে কিছু লোক থাকেন, যারা ছোটখাট কাজ করে খান, ব্যবসা করে খান, এমন প্রতিটি মানুষের খবর নিয়ে নিয়ে তাদের ঘরে ঘরে খাবার দেয়ার ব্যবস্থা করি। এমনকি রিকশার পেছনে যারা আর্ট করে, সাংস্কৃতিককর্মী, তাদেরকে কিছু সরকারিভাবে, কিছু আমাদের ত্রাণ তহবিল থেকে সাহায্য-সহযোগিতা করেছি। আর্টিস্ট বা শিল্পী কিংবা শিল্পীদের সহযোগিতা করে যারা, তাদের কথা কেউ ভাবে না। এই ভাবনাটা কিন্তু আমার নিজের না, সত্যিকারের কথা বলতে কি- এটা শেখ রেহানার চিন্তা। সে-ই কিন্তু খুঁজে খুঁজে তাদের সাহায্য দেয়ার ব্যবস্থা করেছে।

তিনি বলেন, আল্লাহ জীবন দিয়েছেন, একদিন সে জীবন নিয়ে যাবেন। আর আল্লাহ মানুষকে কিছু কাজ দেন। সেই কাজটুকু যতক্ষণ পর্যন্ত শেষ না হবে ততক্ষণ হয়তো আমি কাজ করে যাব। যখন কাজ শেষ হয়ে যাবে, সময় শেষ হবে, তখন আমি চলে যাব। তাই এই নিয়ে চিন্তার কিছু নেই।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved  2019 CitizenNews24
Theme Developed BY ThemesBazar.Com