শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ১০:৫৪ অপরাহ্ন
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ::
সিটিজেন নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যারা আগ্রহী আমাদের ই-মেইলে সিভি পাঠান
সংবাদ শিরোনাম ::
খাগড়াছড়িতে কার্বারীদের সম্মানজনক ভাতা ও প্রথাগত প্রশাসনের দাবি এসোসিয়েশনের সম্মেলনে আরো ৫ সিটি কর্পোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি ঝালকাঠিতে নৌ কর্মকর্তা’র প্রাইভেটকার খাদে পড়ে দেড় বছরের শিশু নিহত প্রথমবারের মত পাঁচ ম্যাচের সিরিজে মুখোমুখি নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকা মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে বাড়ছে প্রাণহানি: কোন দেশে কত হতাহত শ্রীকাইলের গ্যাসক্ষেত্রে ৫ নম্বর কূপ উদ্বোধন করেছেন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী দীর্ঘদিন যুদ্ধ চললে বাংলাদেশেও প্রভাব পড়বে: বাণিজ্যমন্ত্রী ভৌতিক সিনেমায় দেখা যাবে অভিষেক বচ্চনকে রাজগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিছন্নতা কর্মসূচি পহেলা বৈশাখে কৃষক কার্ড উদ্বোধন করা হবে : ড. রাশেদ আল মাহমুদ

প্রায় ৪শ তিমির মৃত্যু অস্ট্রেলিয়ার সমুদ্র তীরবর্তী এলাকায়

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ২৬৩ বার পঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: অস্ট্রেলিয়ায় ৩৮০টি তিমির মরদেহ সমুদ্র তীরবর্তী এলাকায় পাওয়া গেছে। যা এ যাবতকালে সর্বোচ্চ। এর আগে ১৯৯৬ সালে সর্বোচ্চ ৩২০টি তিমি মারা গিয়েছিল। খবর বিবিসির।

অবশ্য কেন তিমিগুলো মারা যাচ্ছে সেটার কারণ এখনো জানা যায়নি। যদিও লম্বা পাখনাওয়ালা তিমিগুলো সমুদ্রের তীরবর্তী এলাকায়ই থাকে।

সোমবার পর্যন্ত তাসমানিয়ার পশ্চিম তীরের বিভিন্ন এলাকায় ৩৮০ট লম্বা পাখনাওয়ালা তিমির মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। যদিও এই সংখ্যাটা আরো বেশি হতে পারে। বুধবার পর্যন্ত উদ্ধারকারী দল ৫০টি তিমিকে রক্ষা করতে পেরেছে। আরো ৩০টির পরিচর্যা চলছে।

তাসমানিয়ার সরকার জানিয়েছে যতোদিন সম্ভব এই উদ্ধার ও পরিচর্যা কাজ চলবে। তাসমানিয়ার পার্ক ও বন্যপ্রাণী সেবার ম্যানেজার নিক ডেকা বলেছেন, এখনো বেশ কিছু তিমি পানিতে জীবিত অবস্থায় আছে। আশা করছি সেগুলোকেও আমরা রক্ষা করতে পারবো। অবশ্য যত সময় যাবে ততো সেগুলোকে রক্ষা করার সম্ভাবনা কমবে।

তিনি আরো জানিয়েছেন এখন তাদের সামনে চ্যালেঞ্জ হলো মৃত তিমিগুলোকে তীর থেকে সরানো। ইতিমধ্যে তারা এ বিষয়ে একটি পরিকল্পনাও হাতে নিয়েছে। এর আগে যেগুলো মারা গেছে তার মধ্যে কিছু তীরবর্তী এলাকায় কবর দেওয়া হয়েছে। আর কিছু কিছু তীর থেকে টেনে নিয়ে গভীর সমুদ্রে ফেলে আসা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved  2019 CitizenNews24
Theme Developed BY ThemesBazar.Com