সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারঃ
খুলনার তেরখাদা উপজেলায় পূর্ব বিরোধের জেরে সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় এক যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন,এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
জানা যায়, গত ৩১ জানুয়ারি বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে উপজেলার আজগড়া ইউনিয়নের শেখপুড়া বাসস্ট্যান্ড মোড়ে জাহিদ শেখ ও তার গুন্ডাবাহিনী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মেহরাব শেখ নামে এক যুবকের ওপর হামলা চালায়, হামলার সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাতে তিনি গুরুতর আহত হন।
ছেলেকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে তার বাবা লাজুক শেখকেও মারধর করা হয়। স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে গুরুতর আহত মেহরাবকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়, বর্তমান তিনি খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, অভিযুক্ত জাহিদ শেখ বিগত দিনে আওয়ামী লীগের সাথে লিয়াজু করে চলেছে এবং সাবেক তেরখাদা উপজেলার চেয়ারম্যান শরফুদ্দিন বিশ্বাস বাচ্চুর সঙ্গে ছিল এবং তার নির্বাচন করেছে,
বাচ্চু বিশ্বাসের নেতৃত্বে জাহিদ শেখ একটি গুণ্ডা বাহিনী তৈরি করে , এবং দীর্ঘদিন ধরে, চাঁদাবাজি ভূমি দখল সহ
এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে আসছে। তার বিপক্ষে কেউ কথা বলতে গেলে সে সবাইকে অস্ত্র দেখিয়ে মেরে ফেলার হুমকি দেয়, যার কারণে সাধারণ মানুষ আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন
লাজুক শেখ একজন বিএনপি’র একনিষ্ঠ কর্মী, এবং সে ধানের শীষকে জয়যুক্ত করার লক্ষ্যে বর্তমান এমপি আজিজুল বারী হেলাল সাহেবের নির্বাচন করেছেন।
লাজুক শেখ সভাপতি ক্যান্ডিডেট,
লাজুক শেখ সভাপতি হলে তার সন্ত্রাসী বাহিনী হয়তো সুবিধা করতে পারবে না সে কারণে লাজুক শেখ এবং তার পরিবারের উপরে এমন জঘন্য কাজ করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মামলায় অভিযুক্ত হিসেবে শেখপুরা গ্রামের জাহিদ শেখ (৪৪), শহিদুল শেখ (৫০), মাহাবুর শেখ (৫৪), অহিদ শেখ (৩৬) উভয় পিতা মৃত আবুল শেখ। জনি শেখ (২২) পিতা জাহিদ শেখ, শফিকুল শেখ (৩০) পিতা ওলি শেখ, সাহাবুর শেখ (২৭) ও ইজাবুর শেখ (২৩) উভয় পিতা শহিদুল শেখ, ও অজ্ঞাতনামা ৬/৭এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তারা সবাই একই এলাকার বাসিন্দা, তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির একাধিক ধারা-বেআইনি সমাবেশ, পথরোেধ, মারধর, গুরুতর জখম, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ মামলা করা হয়েছে মামলার তদন্ত চলমান।