ঢাকা ০৩:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার এসআই নাছিম উদ্দিন পেলেন বিশেষ পুরস্কার রাঙ্গামাটিতে পাহাড় ধসে ১ জনের মৃত্যু সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ফারুক আহমেদ তালায় নারী সমাবেশে নারী নির্যাতন ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত চিলমারী নদী বন্দর কর্তৃপক্ষের অনিয়ম ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে সংসদীয় আসনের এমপি’র সতর্ক বার্তা! ট্রাস্টি বোর্ড ভেঙে ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটিতে প্রশাসক নিয়োগ, সরকারের প্রজ্ঞাপন জারি যুক্তরাষ্ট্রকে বিধ্বস্ত করে শেষ আটে বেলজিয়াম এনআইডি সংশোধনে ৬ ক্যাটাগরির সেবা সাময়িক বন্ধ, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন বিশ্বম্ভরপুরের অনন্তপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু

কোনো আলোচনা নয় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে : ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক,সিটিজেন নিউজ: ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি আবারও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছেন। মঙ্গলবার তিনি বলেছেন, তার দেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনভাবেই আলোচনায় বসবে না, সেটা যেকোনো পর্যায়ের হোক।

দেশটির সরকারি সংবাদ সংস্থার এক প্রতিবেদন অনুযায়ী আয়াতুল্লাহ খামেনি বলেছেন, ইরানের কর্মকর্তারা এ বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছেছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো পর্যায়ের আলোচনা তারা চায় না।
তিনি বলেন, ওয়াশিংটনের আলোচনায় বসার আহ্বান শুধু যুক্তরাষ্ট্রের ফায়দা হাসিল, তাদের সুবিধা আদায় এবং ইরানি জাতির ওপর সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগের উদ্দেশ্য ও সেটা প্রমাণের লক্ষ্যে। তিনি এর ব্যখ্যা দিয়ে বলেন, এরকম নীতি ইরানের কাছে এক পয়সাও দাম নেই।

গত সোমবার ইরান সরকার ঘোষণা দিয়েছে, চলতি মাসের শেষে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের একফাঁকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রেসিডেন্টের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। দেশটির আল-মায়াদ্বীন টিভির খবরে এ ঘোষণার কথা জানানো হয়।

অবশ্য এর আগে ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি ঘোষণা দিয়েছিলেন তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চান। তবে আলোচনার শর্ত হিসেবে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি তেহরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে তবেই এই আলোচনা হতে পারে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ইরানকে বারবার আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়ে আসছে। তবে তিনি বলছেন, কোনো শর্ত ছাড়াই তারা (ইরান) যদি আলোচনায় বসতে চায় তাহলে তিনি যেকোনো সময় আলোচনার জন্য প্রস্তুত। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খামেনিকে এই আলোচনার প্রতিবন্ধক হিসেবে দেখেন।

২০১৫ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিশ্বের পরাশক্তি পাঁচ দেশকে নিয়ে ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তি করেন। কিন্তু ট্রাম্প গত বছর ইরানের সঙ্গে স্বাক্ষরিত পারমাণবিক চুক্তি থেকে তার দেশকে প্রত্যাহার করে আরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন। মূলত তারপর থেকে তেহরান-ওয়াশিংটন উত্তেজনা বেড়েই চলেছে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার এসআই নাছিম উদ্দিন পেলেন বিশেষ পুরস্কার

কোনো আলোচনা নয় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে : ইরান

আপডেট টাইম : ১২:৪৮:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯

আন্তর্জাতিক ডেস্ক,সিটিজেন নিউজ: ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি আবারও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছেন। মঙ্গলবার তিনি বলেছেন, তার দেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনভাবেই আলোচনায় বসবে না, সেটা যেকোনো পর্যায়ের হোক।

দেশটির সরকারি সংবাদ সংস্থার এক প্রতিবেদন অনুযায়ী আয়াতুল্লাহ খামেনি বলেছেন, ইরানের কর্মকর্তারা এ বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছেছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো পর্যায়ের আলোচনা তারা চায় না।
তিনি বলেন, ওয়াশিংটনের আলোচনায় বসার আহ্বান শুধু যুক্তরাষ্ট্রের ফায়দা হাসিল, তাদের সুবিধা আদায় এবং ইরানি জাতির ওপর সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগের উদ্দেশ্য ও সেটা প্রমাণের লক্ষ্যে। তিনি এর ব্যখ্যা দিয়ে বলেন, এরকম নীতি ইরানের কাছে এক পয়সাও দাম নেই।

গত সোমবার ইরান সরকার ঘোষণা দিয়েছে, চলতি মাসের শেষে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের একফাঁকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রেসিডেন্টের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। দেশটির আল-মায়াদ্বীন টিভির খবরে এ ঘোষণার কথা জানানো হয়।

অবশ্য এর আগে ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি ঘোষণা দিয়েছিলেন তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চান। তবে আলোচনার শর্ত হিসেবে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি তেহরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে তবেই এই আলোচনা হতে পারে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ইরানকে বারবার আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়ে আসছে। তবে তিনি বলছেন, কোনো শর্ত ছাড়াই তারা (ইরান) যদি আলোচনায় বসতে চায় তাহলে তিনি যেকোনো সময় আলোচনার জন্য প্রস্তুত। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খামেনিকে এই আলোচনার প্রতিবন্ধক হিসেবে দেখেন।

২০১৫ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিশ্বের পরাশক্তি পাঁচ দেশকে নিয়ে ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তি করেন। কিন্তু ট্রাম্প গত বছর ইরানের সঙ্গে স্বাক্ষরিত পারমাণবিক চুক্তি থেকে তার দেশকে প্রত্যাহার করে আরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন। মূলত তারপর থেকে তেহরান-ওয়াশিংটন উত্তেজনা বেড়েই চলেছে।


প্রিন্ট