ঢাকা ০১:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এনআইডি সংশোধনে ৬ ক্যাটাগরির সেবা সাময়িক বন্ধ, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন বিশ্বম্ভরপুরের অনন্তপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের দুর্বৃত্তদের ছিটানো বিষে মারা গেছে সাড়ে ৪ লাখ টাকার পোনা কাপ্তাই লেকে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার ফিলিস্তিনিদের দুর্ভোগ বিশ্বের জন্য লজ্জার: মিশরের কোচ হোসাম হাসান ন্যাটো সম্মেলনের আগে মস্কোর দিকে ৪০০-র বেশি ড্রোন নিক্ষেপ ইউক্রেনের “ময়মনসিংহে মায়ের শ্লীলতাহানির ক্ষোভে রুবেল হত্যা, গ্রেপ্তার ৪” মিথ্যা অপপ্রচার দিয়ে ভালো উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত করা হয় মনোয়ার হোসেন জীবন ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে শুরু হলো ‘গ্র্যান্ড আমেরিকান ফুড ফেস্টিভ্যাল

গ্রামীণফোনের করা আবেদন খারিজ করে দিল হাইর্কোট

নিজস্ব প্রতিবেদক: অডিট নিয়ে বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য সালিশকারী নিয়োগ চেয়ে গ্রামীণফোনের করা আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।

ফলে এখন গ্রামীণফোনের সঙ্গে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) কোনো সালিশ হবে না বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

আদালতের আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্যারিস্টার খন্দকার রেজা-ই-রাকিব।

সোমবার বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের একক বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে আজ গ্রামীণফোনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী শরীফ ভূঁইয়া ও তানিম হোসেইন শাওন। বিটিআরসির পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার খন্দকার রেজা-ই-রাকিব।

শরীফ ভূঁইয়া বলেন, ১৯৯৬ সালে গ্রামীণফোন যখন ইনভেস্টমেন্ট করে তখন একটা আরবিট্রেশন ক্লজ ছিল। পরে বিটিআরসি একতরফাভাবে আরবিট্রেশন ক্লজটা বাতিল করে দিয়েছিল। গ্রামীণফোনের পজিশন হচ্ছে, তারা (বিটিআরসি) একতরফাভাবে আরবিট্রেশন ক্লজটা বাতিল করতে পারে না।
তিনি বলেন, অডিট নিয়ে বিরোধটা সালিশের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করতে হবে। সালিশকারী নিয়োগের জন্য একটা দরখাস্ত করেছিল গ্রামীণফোন। আজ আদালত আদেশ দিয়েছেন- বিটিআরসি যে সালিশের ক্লজটা বাদ দিয়েছিল সেটা বৈধ। এখন কোনো সালিশ চুক্তি নাই। কাজেই কোনো সালিশ হবে না।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

এনআইডি সংশোধনে ৬ ক্যাটাগরির সেবা সাময়িক বন্ধ, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন

গ্রামীণফোনের করা আবেদন খারিজ করে দিল হাইর্কোট

আপডেট টাইম : ১২:০৪:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক: অডিট নিয়ে বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য সালিশকারী নিয়োগ চেয়ে গ্রামীণফোনের করা আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।

ফলে এখন গ্রামীণফোনের সঙ্গে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) কোনো সালিশ হবে না বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

আদালতের আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্যারিস্টার খন্দকার রেজা-ই-রাকিব।

সোমবার বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের একক বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে আজ গ্রামীণফোনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী শরীফ ভূঁইয়া ও তানিম হোসেইন শাওন। বিটিআরসির পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার খন্দকার রেজা-ই-রাকিব।

শরীফ ভূঁইয়া বলেন, ১৯৯৬ সালে গ্রামীণফোন যখন ইনভেস্টমেন্ট করে তখন একটা আরবিট্রেশন ক্লজ ছিল। পরে বিটিআরসি একতরফাভাবে আরবিট্রেশন ক্লজটা বাতিল করে দিয়েছিল। গ্রামীণফোনের পজিশন হচ্ছে, তারা (বিটিআরসি) একতরফাভাবে আরবিট্রেশন ক্লজটা বাতিল করতে পারে না।
তিনি বলেন, অডিট নিয়ে বিরোধটা সালিশের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করতে হবে। সালিশকারী নিয়োগের জন্য একটা দরখাস্ত করেছিল গ্রামীণফোন। আজ আদালত আদেশ দিয়েছেন- বিটিআরসি যে সালিশের ক্লজটা বাদ দিয়েছিল সেটা বৈধ। এখন কোনো সালিশ চুক্তি নাই। কাজেই কোনো সালিশ হবে না।


প্রিন্ট