ঢাকা ০১:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এনআইডি সংশোধনে ৬ ক্যাটাগরির সেবা সাময়িক বন্ধ, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন বিশ্বম্ভরপুরের অনন্তপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের দুর্বৃত্তদের ছিটানো বিষে মারা গেছে সাড়ে ৪ লাখ টাকার পোনা কাপ্তাই লেকে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার ফিলিস্তিনিদের দুর্ভোগ বিশ্বের জন্য লজ্জার: মিশরের কোচ হোসাম হাসান ন্যাটো সম্মেলনের আগে মস্কোর দিকে ৪০০-র বেশি ড্রোন নিক্ষেপ ইউক্রেনের “ময়মনসিংহে মায়ের শ্লীলতাহানির ক্ষোভে রুবেল হত্যা, গ্রেপ্তার ৪” মিথ্যা অপপ্রচার দিয়ে ভালো উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত করা হয় মনোয়ার হোসেন জীবন ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে শুরু হলো ‘গ্র্যান্ড আমেরিকান ফুড ফেস্টিভ্যাল

প্রথম দিনে দেড় লাখ অনুপস্থিত ছিল প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী পরীক্ষার্থী

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার প্রথম দিনে অনুপস্থিত ছিল ১ লাখ ৪৩ হাজার ৯৫৭ জন পরীক্ষার্থী। রোববার পরীক্ষা শেষে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই) থেকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। এদিন ইংরেজি বিষয়ে পরীক্ষা হয়।

ডিপিই নিয়ন্ত্রণ কক্ষের হিসাব অনুযায়ী, এ বছর প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় ২৫ লাখ ৫৩ হাজার ২৬৭ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়ার কথা ছিল। এর মধ্যে রোববার ৯৭ হাজার ৬০২ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। অনুপস্থিতির হার ৩ দশমিক ৭৯ শতাংশ।

এ ছাড়া ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় ৩ লাখ ৫০ হাজার ৩৭১ জন পরীক্ষার্থী ছিল। এর মধ্যে অনুপস্থিত ছিল ৪৬ হাজার ৩৫৫ জন। অনুপস্থিতির হার ১৩ দশমিক ১৩ শতাংশ।

উভয় পরীক্ষায় অনৈতিক কাজের জন্য ১১ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এর মধ্যে রংপুর বিভাগে ১০ জনকে বহিষ্কার করা হয়।

সারাদেশে মোট ৭ হাজার ৪৭০টি কেন্দ্রে প্রাথমিক-ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ ছাড়া দেশের বাইরে রয়েছে ৮টি কেন্দ্র।

রোববার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন পরীক্ষা কেন্দ্র পরির্দনে করতে রাজধানীর ভিকারুননিসা নুন স্কুল অ্যান্ড কলেজে প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে যান। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর শোনা যায়নি।

আগামীতে প্রাথমিক-ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষা থাকছে কি না- এমন প্রশ্নের উত্তরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষা নীতিমালা-২০১০ অনুযায়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে অষ্টম শ্রেণিতে উন্নীত করা হচ্ছে। পরীক্ষা থাকবে কি থাকবে না, সে সংক্রান্ত ফাইল মন্ত্রণালয়ে চালাচালি করা হচ্ছে। সব প্রাথমিক বিদ্যালয় অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত উন্নীত করার পর এ সংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

এনআইডি সংশোধনে ৬ ক্যাটাগরির সেবা সাময়িক বন্ধ, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন

প্রথম দিনে দেড় লাখ অনুপস্থিত ছিল প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী পরীক্ষার্থী

আপডেট টাইম : ০১:০৫:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার প্রথম দিনে অনুপস্থিত ছিল ১ লাখ ৪৩ হাজার ৯৫৭ জন পরীক্ষার্থী। রোববার পরীক্ষা শেষে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই) থেকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। এদিন ইংরেজি বিষয়ে পরীক্ষা হয়।

ডিপিই নিয়ন্ত্রণ কক্ষের হিসাব অনুযায়ী, এ বছর প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় ২৫ লাখ ৫৩ হাজার ২৬৭ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়ার কথা ছিল। এর মধ্যে রোববার ৯৭ হাজার ৬০২ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। অনুপস্থিতির হার ৩ দশমিক ৭৯ শতাংশ।

এ ছাড়া ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় ৩ লাখ ৫০ হাজার ৩৭১ জন পরীক্ষার্থী ছিল। এর মধ্যে অনুপস্থিত ছিল ৪৬ হাজার ৩৫৫ জন। অনুপস্থিতির হার ১৩ দশমিক ১৩ শতাংশ।

উভয় পরীক্ষায় অনৈতিক কাজের জন্য ১১ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এর মধ্যে রংপুর বিভাগে ১০ জনকে বহিষ্কার করা হয়।

সারাদেশে মোট ৭ হাজার ৪৭০টি কেন্দ্রে প্রাথমিক-ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ ছাড়া দেশের বাইরে রয়েছে ৮টি কেন্দ্র।

রোববার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন পরীক্ষা কেন্দ্র পরির্দনে করতে রাজধানীর ভিকারুননিসা নুন স্কুল অ্যান্ড কলেজে প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে যান। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর শোনা যায়নি।

আগামীতে প্রাথমিক-ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষা থাকছে কি না- এমন প্রশ্নের উত্তরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষা নীতিমালা-২০১০ অনুযায়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে অষ্টম শ্রেণিতে উন্নীত করা হচ্ছে। পরীক্ষা থাকবে কি থাকবে না, সে সংক্রান্ত ফাইল মন্ত্রণালয়ে চালাচালি করা হচ্ছে। সব প্রাথমিক বিদ্যালয় অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত উন্নীত করার পর এ সংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।


প্রিন্ট