ঢাকা ০৩:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার এসআই নাছিম উদ্দিন পেলেন বিশেষ পুরস্কার রাঙ্গামাটিতে পাহাড় ধসে ১ জনের মৃত্যু সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ফারুক আহমেদ তালায় নারী সমাবেশে নারী নির্যাতন ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত চিলমারী নদী বন্দর কর্তৃপক্ষের অনিয়ম ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে সংসদীয় আসনের এমপি’র সতর্ক বার্তা! ট্রাস্টি বোর্ড ভেঙে ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটিতে প্রশাসক নিয়োগ, সরকারের প্রজ্ঞাপন জারি যুক্তরাষ্ট্রকে বিধ্বস্ত করে শেষ আটে বেলজিয়াম এনআইডি সংশোধনে ৬ ক্যাটাগরির সেবা সাময়িক বন্ধ, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন বিশ্বম্ভরপুরের অনন্তপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু

ব্রিটেনের সাধারণ নির্বাচনে বড় জয় পেয়েছে কনজারভেটিভ পার্টি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ব্রিটেনের সাধারণ নির্বাচনে বড় জয় পেয়েছে ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টি। ইতোমধ্যেই ৬৫০টি আসনের মধ্যে ৬০০ আসনের ফলাফল হাতে এসেছে। এর মধ্যে কনজারভেটিভ দল পেয়েছে ৩৩০টি আসন এবং লেবার পার্টি পেয়েছে ১৯৬ আসন।

নির্বাচনে জয়ী হতে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ছিল ৩২৬ টি আসন। ইতোমধ্যেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা পার করে ফেলেছে প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টি।

১৯৮৭ সালের পর এটা কনজারভেটিভ দলের জন্য সবচেয়ে বড় জয় এবং ১৯৩৫ সালের পর লেবার দলের সবচেয়ে বড় পরাজয়। লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিন আগামী নির্বাচনে দলের নেতৃত্বে থাকবেন না বলে ঘোষণা দিয়েছেন। তবে তিনি এখনই পদত্যাগ করছেন না। আরো কিছু সময় দলের নেতৃত্বে থাকবেন আলোচনা চালিয়ে যাবার জন্য।

তিনি বলেন, লেবার পার্টির জন্য এটি হতাশার রাত। তিনি তার ভোটার, পরিবার এবং বন্ধুদের সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন। অপরদিকে কনসারভেটিভ পার্টির নেতা বরিস জনসন তার নিজ আসন অক্সব্রিজে জয়লাভ করেছেন। তিনি পেয়েছেন ২৫ হাজার ৩৫১ ভোট।

যুক্তরাজ্যে প্রায় ১০০ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম ডিসেম্বর মাসে ভোট হলো। যুক্তরাজ্যে প্রতি চার বা পাঁচ বছর পর ভোট অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু গত পাঁচ বছরে এই নিয়মের ব্যতিক্রম হয়েছে। এর আগে ২০১৭ সালের ৮ জুন এবং ২০১৫ সালে ৭ মে ভোট হয়েছে। ১৯৭৪ সালের পর এই প্রথম শীতকালে এবং ১৯২৩ সালের পর প্রথমবার ডিসেম্বরে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে বলেন, নির্বাচনে কনসারভেটিভ পার্টির সংখ্যাগরিষ্ঠতায় তিনি বেশ খুশি। তিনি বলেন, এই নির্বাচনের মাধ্যমে ব্রিটেনের মানুষের কাছে একটি পরিষ্কার প্রশ্ন ছিল। সেটি হচ্ছে, তারা ব্রেক্সিট চায় কিনা। তারা এটাও বুঝতে পেরেছে যে কনসারভেটিভ পার্টি জয়লাভ করলে ব্রেক্সিট হবে। তিনি আরও বলেন, ব্রেক্সিট নিয়ে পার্লামেন্টে যে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে এই নির্বাচনের মাধ্যমে তা কেটে যাবে। ব্রেক্সিট হবে এবং এগিয়ে যাবে বলেও জোর দিয়েছেন তিনি।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার এসআই নাছিম উদ্দিন পেলেন বিশেষ পুরস্কার

ব্রিটেনের সাধারণ নির্বাচনে বড় জয় পেয়েছে কনজারভেটিভ পার্টি

আপডেট টাইম : ০১:২৭:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ব্রিটেনের সাধারণ নির্বাচনে বড় জয় পেয়েছে ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টি। ইতোমধ্যেই ৬৫০টি আসনের মধ্যে ৬০০ আসনের ফলাফল হাতে এসেছে। এর মধ্যে কনজারভেটিভ দল পেয়েছে ৩৩০টি আসন এবং লেবার পার্টি পেয়েছে ১৯৬ আসন।

নির্বাচনে জয়ী হতে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ছিল ৩২৬ টি আসন। ইতোমধ্যেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা পার করে ফেলেছে প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টি।

১৯৮৭ সালের পর এটা কনজারভেটিভ দলের জন্য সবচেয়ে বড় জয় এবং ১৯৩৫ সালের পর লেবার দলের সবচেয়ে বড় পরাজয়। লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিন আগামী নির্বাচনে দলের নেতৃত্বে থাকবেন না বলে ঘোষণা দিয়েছেন। তবে তিনি এখনই পদত্যাগ করছেন না। আরো কিছু সময় দলের নেতৃত্বে থাকবেন আলোচনা চালিয়ে যাবার জন্য।

তিনি বলেন, লেবার পার্টির জন্য এটি হতাশার রাত। তিনি তার ভোটার, পরিবার এবং বন্ধুদের সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন। অপরদিকে কনসারভেটিভ পার্টির নেতা বরিস জনসন তার নিজ আসন অক্সব্রিজে জয়লাভ করেছেন। তিনি পেয়েছেন ২৫ হাজার ৩৫১ ভোট।

যুক্তরাজ্যে প্রায় ১০০ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম ডিসেম্বর মাসে ভোট হলো। যুক্তরাজ্যে প্রতি চার বা পাঁচ বছর পর ভোট অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু গত পাঁচ বছরে এই নিয়মের ব্যতিক্রম হয়েছে। এর আগে ২০১৭ সালের ৮ জুন এবং ২০১৫ সালে ৭ মে ভোট হয়েছে। ১৯৭৪ সালের পর এই প্রথম শীতকালে এবং ১৯২৩ সালের পর প্রথমবার ডিসেম্বরে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে বলেন, নির্বাচনে কনসারভেটিভ পার্টির সংখ্যাগরিষ্ঠতায় তিনি বেশ খুশি। তিনি বলেন, এই নির্বাচনের মাধ্যমে ব্রিটেনের মানুষের কাছে একটি পরিষ্কার প্রশ্ন ছিল। সেটি হচ্ছে, তারা ব্রেক্সিট চায় কিনা। তারা এটাও বুঝতে পেরেছে যে কনসারভেটিভ পার্টি জয়লাভ করলে ব্রেক্সিট হবে। তিনি আরও বলেন, ব্রেক্সিট নিয়ে পার্লামেন্টে যে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে এই নির্বাচনের মাধ্যমে তা কেটে যাবে। ব্রেক্সিট হবে এবং এগিয়ে যাবে বলেও জোর দিয়েছেন তিনি।


প্রিন্ট