ঢাকা ১২:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,, কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ পটুয়াখালী পায়রা সেতু এলাকায় র‌্যাবের অভিযানে পিকআপের গোপন চেম্বার থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর জেট ফুয়েলের দাম কমলো লিটার প্রতি ১৯ টাকা পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ছেন রবার্তো মার্টিনেজ গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ড্রাগন চাষে চমক দেখালেন শিক্ষক নাঈম

নারীদের হাঁপানি বা শ্বাসকষ্টের আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেশি

স্বাস্থ্য ডেস্ক: ফুসফুসে অক্সিজেন বহনকারী অজস্র সরু নালি পথ রয়েছে। সাধারণত অ্যালার্জি, ধুলোবালি বা অন্য কোনো নানা কারণে শ্বাসনালীর পেশী ফুলে যায় এবং অক্সিজেন বহনকারী নালি পথগুলো সঙ্কুচিত হয়ে পড়ে। ফলে মানব দেহে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন পেতে সমস্যা হয় এবং হাঁপানি বা শ্বাসকষ্টসহ নানা সমস্যা দেখা দেয়।

চিকিৎসকদের মতে, এই রোগ বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই বংশগত। তবে ইদানীং মাত্রাতিরিক্ত দূষণের ফলে অনেকের মধ্যেই হাঁপানি বা শ্বাসকষ্টের সমস্যা বাড়ছে।

এদিকে সম্প্রতি এক গবেষণায় দাবি করা হয়, সাধারণত পুরুষদের তুলনায় নারীরাই শ্বাসকষ্ট বা হাঁপানির সমস্যায় বেশি ভোগেন। চিকিত্সকেরা বলছেন, নারীদের শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোন না থাকায় তারা অনেক সহজেই এ সমস্যায় আক্রান্ত হন।

এর আগে এক গবেষণায় বলা হয়েছিল, শৈশবে মেয়েদের তুলনায় ছেলেদের অ্যাস্থমায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। কিন্তু বয়ঃসন্ধির পর থেকে এই প্রবণতা বদলে যায়।

সেল রিপোর্ট জার্নালে প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভ্যান্ডারবিল্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় দেখা গেছে, টেস্টোস্টেরন হরমোনের প্রভাবে সাইকোটিন প্রোটিন সৃষ্টিতে বাধা পায়। এই সাইটোকিনস প্রোটিন ফুসফুসে শ্লেষ্মা (Mucus) তৈরি করে নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসে বাধার সৃষ্টি করে। তাছাড়া, সাইটোকিনস প্রোটিনের প্রভাবে সৃষ্ট প্রদাহের ফলে শ্বাসনালীর পেশী ফুলে যায় এবং অক্সিজেন বহনকারী নালী পথগুলো সঙ্কুচিত হয়ে পড়ে। ফলে আমাদের শরীর প্রয়োজনীয় অক্সিজেন পায় না। আর এর থেকেই নিঃশ্বাসের কষ্টসহ নানা শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, হাঁপানি হলো ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপের মতো একটি অসুখ, যা সম্পূর্ণভাবে নিরাময় করা সম্ভব নয়। কিন্তু সতর্কতা অবলম্বন করে চললে আর সঠিক চিকিৎসায় এ রোগের প্রকোপ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,,

নারীদের হাঁপানি বা শ্বাসকষ্টের আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেশি

আপডেট টাইম : ০৩:১৬:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারী ২০২০

স্বাস্থ্য ডেস্ক: ফুসফুসে অক্সিজেন বহনকারী অজস্র সরু নালি পথ রয়েছে। সাধারণত অ্যালার্জি, ধুলোবালি বা অন্য কোনো নানা কারণে শ্বাসনালীর পেশী ফুলে যায় এবং অক্সিজেন বহনকারী নালি পথগুলো সঙ্কুচিত হয়ে পড়ে। ফলে মানব দেহে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন পেতে সমস্যা হয় এবং হাঁপানি বা শ্বাসকষ্টসহ নানা সমস্যা দেখা দেয়।

চিকিৎসকদের মতে, এই রোগ বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই বংশগত। তবে ইদানীং মাত্রাতিরিক্ত দূষণের ফলে অনেকের মধ্যেই হাঁপানি বা শ্বাসকষ্টের সমস্যা বাড়ছে।

এদিকে সম্প্রতি এক গবেষণায় দাবি করা হয়, সাধারণত পুরুষদের তুলনায় নারীরাই শ্বাসকষ্ট বা হাঁপানির সমস্যায় বেশি ভোগেন। চিকিত্সকেরা বলছেন, নারীদের শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোন না থাকায় তারা অনেক সহজেই এ সমস্যায় আক্রান্ত হন।

এর আগে এক গবেষণায় বলা হয়েছিল, শৈশবে মেয়েদের তুলনায় ছেলেদের অ্যাস্থমায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। কিন্তু বয়ঃসন্ধির পর থেকে এই প্রবণতা বদলে যায়।

সেল রিপোর্ট জার্নালে প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভ্যান্ডারবিল্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় দেখা গেছে, টেস্টোস্টেরন হরমোনের প্রভাবে সাইকোটিন প্রোটিন সৃষ্টিতে বাধা পায়। এই সাইটোকিনস প্রোটিন ফুসফুসে শ্লেষ্মা (Mucus) তৈরি করে নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসে বাধার সৃষ্টি করে। তাছাড়া, সাইটোকিনস প্রোটিনের প্রভাবে সৃষ্ট প্রদাহের ফলে শ্বাসনালীর পেশী ফুলে যায় এবং অক্সিজেন বহনকারী নালী পথগুলো সঙ্কুচিত হয়ে পড়ে। ফলে আমাদের শরীর প্রয়োজনীয় অক্সিজেন পায় না। আর এর থেকেই নিঃশ্বাসের কষ্টসহ নানা শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, হাঁপানি হলো ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপের মতো একটি অসুখ, যা সম্পূর্ণভাবে নিরাময় করা সম্ভব নয়। কিন্তু সতর্কতা অবলম্বন করে চললে আর সঠিক চিকিৎসায় এ রোগের প্রকোপ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।


প্রিন্ট