ঢাকা ০৬:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কুড়িগ্রামে যৌথ অভিযানে ভারতীয় ১৩ লাখ টাকার মোবাইলসহ এনামুল আ/টক নীলফামারী চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি দ্বিবার্ষিক নির্বাচনের ২০২৬-২০২৮ সাধারণ গ্রুপের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত তাড়াশে তালম ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম গোদাগাড়ীতে মাদকের বিরুদ্ধে জিডি ও তরুণীর অনশন উন্মোচিত চার ভাইয়ের অপরাধ সাম্রাজ্য নরসিংদী তে জনস্বার্থে মোবাইল কোর্ট জনগণের ভালোবাসায় মির্জা ফখরুল: নীতি, আদর্শ ও নেতৃত্বের এক উজ্জ্বল উদাহরণ সংসদ কক্ষে নিজের আসনে বসে ভোট গ্রহণ দেখলেন প্রধানমন্ত্রী শিশু ভূমিষ্ট হওয়ার পর আপনারা যেমন তার যত্ন করেন ঠিক সেইভাবে শিশু চারাটিকেও প্রতিদিন যত্ন করতে হবে-ইউএনও, এটিএম কামরুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদকে বঙ্গভবনে বিদায়ী সংবর্ধনা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের প্রত্যাশা সুখী, সমৃদ্ধ ও কল্যাণমুখী রাষ্ট্রের

যা করবেন রোজায় অজ্ঞান হলে

স্বাস্থ্য ডেস্ক, সিটিজেন নিউজ: রোজা শরীরের জন্য উপকারী। রোজার সময় খাবারের সময়সূচির পরিবর্তন হয়, অনেকক্ষণ না খেয়ে থাকতে হয়। এই পরিবর্তনের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিতে গিয়ে সাময়িক কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে। এর মধ্যে অজ্ঞান হওয়া অন্যতম একটি। তবে কিছু বিষয় মেনে চললে এ সমস্যা সহজেই প্রতিরোধ করা যায়। আসুন আজ আমরা জেনে নেই রোজায় অজ্ঞান হওয়ার কারণ ও প্রতিকার।
রোজায় অজ্ঞান হওয়ার কারণ :

১. সেহরিতে সুষম খাবার না খাওয়া।

২. সেহরিতে কম খাওয়া বা না খাওয়া।

৩. অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস অবস্থায় রোজা রাখা।

৪. বেশি গরম পরিবেশে দীর্ঘ সময় কাজ করা।

৫. রোজা রেখে ক্লান্ত শরীরে দীর্ঘক্ষণ ভিড় আছে এমন জায়গায় থাকা।

৬. রোজায় দীর্ঘক্ষণ পরিশ্রমের ব্যায়াম করলে।

৭. আবেগজনিত হতাশা ও দুশ্চিন্তা।

৮. পানিশূন্যতা হলে।

৯. রক্তচাপ কমে গেলে।

অজ্ঞান লক্ষণ :

১. মাথাব্যথা

২. বমি বমি ভাব

৩. গরম গরম অনুভূতির সঙ্গে ঘাম হওয়া

৪. চোখে ঝাপসা দেখা এবং অত্যন্ত ক্লান্ত অনুভব করা।

অজ্ঞান হলে যা করবেন :

১. অজ্ঞান ব্যক্তিকে লম্বা করে সমতল স্থানে শুইয়ে দিন।

২. মাথা পেছনের দিকে সামান্য হেলিয়ে দিন, যেন মুখ খোলা থাকে। এতে শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে সহজ হয়।

৩. বেশি গরম থাকলে বাতাসের ব্যবস্থা করুন। চোখে-মুখে পানির ঝাঁপটা দিন। পাশাপাশি রোগীকে যত দ্রুত সম্ভব নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে আনুন।

৪. শ্বাসনালী বন্ধ কি না দেখুন। শ্বাস বন্ধ থাকলে কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাস দিতে হবে।

৫. পড়ে গিয়ে কোথাও কেটে রক্তক্ষরণ হলে তা চাপ দিয়ে বন্ধ করুন।

৬. সাধারণত অজ্ঞান হওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই মানুষ আবার জ্ঞান ফিরে পায়। তবে বেশি সময় ধরে কেউ অজ্ঞান থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

প্রতিরোধের উপায় :

১. রোজাদারকে সেহরি ও ইফতারে আদর্শ সুষম খাবার খেতে হবে।

২. বেশি করে তরল খাবার, পানি, দুধ ও বাসায় বানানো ফলের শরবত খেতে হবে।

৩. ডায়াবেটিস, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণসহ অন্যান্য রোগ নিয়ন্ত্রণে রেখে রোজা রাখতে হবে।

৪. রোজা রেখে বেশি গরম ও বেশি ভিড় এড়িয়ে চলুন।

৫. বিশ্রাম নিয়ে নিয়ে কাজ করুন।

৬. সেহরিতে কম খেয়ে বা না খেয়ে রোজা রাখা যাবে না।

৭. শেষ মুহূর্তে সেহরি খেতে হবে। এতে সারা দিন শরীরে শক্তি থাকবে।

টিপস:

১. রোজা রেখে ক্লান্ত শরীরে একদিনে দীর্ঘক্ষণ ঈদ শপিং না করে অল্প অল্প করে শপিং শেষ করুন।

২. ইফতার ও সেহরির মধ্যবর্তী সময়ে পর্যাপ্ত পানীয় জাতীয় খাবার বেশি করে খান।

৩. অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ ও অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস অবস্থায় রোজা রাখলেও অজ্ঞান হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

৪. রোজায় সুস্থতার জন্য স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করা অত্যন্ত জরুরি। সেটি না হলে রোজাতে আমাদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়তে পারে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কুড়িগ্রামে যৌথ অভিযানে ভারতীয় ১৩ লাখ টাকার মোবাইলসহ এনামুল আ/টক

যা করবেন রোজায় অজ্ঞান হলে

আপডেট টাইম : ০৩:৩৪:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ মে ২০১৯

স্বাস্থ্য ডেস্ক, সিটিজেন নিউজ: রোজা শরীরের জন্য উপকারী। রোজার সময় খাবারের সময়সূচির পরিবর্তন হয়, অনেকক্ষণ না খেয়ে থাকতে হয়। এই পরিবর্তনের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিতে গিয়ে সাময়িক কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে। এর মধ্যে অজ্ঞান হওয়া অন্যতম একটি। তবে কিছু বিষয় মেনে চললে এ সমস্যা সহজেই প্রতিরোধ করা যায়। আসুন আজ আমরা জেনে নেই রোজায় অজ্ঞান হওয়ার কারণ ও প্রতিকার।
রোজায় অজ্ঞান হওয়ার কারণ :

১. সেহরিতে সুষম খাবার না খাওয়া।

২. সেহরিতে কম খাওয়া বা না খাওয়া।

৩. অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস অবস্থায় রোজা রাখা।

৪. বেশি গরম পরিবেশে দীর্ঘ সময় কাজ করা।

৫. রোজা রেখে ক্লান্ত শরীরে দীর্ঘক্ষণ ভিড় আছে এমন জায়গায় থাকা।

৬. রোজায় দীর্ঘক্ষণ পরিশ্রমের ব্যায়াম করলে।

৭. আবেগজনিত হতাশা ও দুশ্চিন্তা।

৮. পানিশূন্যতা হলে।

৯. রক্তচাপ কমে গেলে।

অজ্ঞান লক্ষণ :

১. মাথাব্যথা

২. বমি বমি ভাব

৩. গরম গরম অনুভূতির সঙ্গে ঘাম হওয়া

৪. চোখে ঝাপসা দেখা এবং অত্যন্ত ক্লান্ত অনুভব করা।

অজ্ঞান হলে যা করবেন :

১. অজ্ঞান ব্যক্তিকে লম্বা করে সমতল স্থানে শুইয়ে দিন।

২. মাথা পেছনের দিকে সামান্য হেলিয়ে দিন, যেন মুখ খোলা থাকে। এতে শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে সহজ হয়।

৩. বেশি গরম থাকলে বাতাসের ব্যবস্থা করুন। চোখে-মুখে পানির ঝাঁপটা দিন। পাশাপাশি রোগীকে যত দ্রুত সম্ভব নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে আনুন।

৪. শ্বাসনালী বন্ধ কি না দেখুন। শ্বাস বন্ধ থাকলে কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাস দিতে হবে।

৫. পড়ে গিয়ে কোথাও কেটে রক্তক্ষরণ হলে তা চাপ দিয়ে বন্ধ করুন।

৬. সাধারণত অজ্ঞান হওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই মানুষ আবার জ্ঞান ফিরে পায়। তবে বেশি সময় ধরে কেউ অজ্ঞান থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

প্রতিরোধের উপায় :

১. রোজাদারকে সেহরি ও ইফতারে আদর্শ সুষম খাবার খেতে হবে।

২. বেশি করে তরল খাবার, পানি, দুধ ও বাসায় বানানো ফলের শরবত খেতে হবে।

৩. ডায়াবেটিস, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণসহ অন্যান্য রোগ নিয়ন্ত্রণে রেখে রোজা রাখতে হবে।

৪. রোজা রেখে বেশি গরম ও বেশি ভিড় এড়িয়ে চলুন।

৫. বিশ্রাম নিয়ে নিয়ে কাজ করুন।

৬. সেহরিতে কম খেয়ে বা না খেয়ে রোজা রাখা যাবে না।

৭. শেষ মুহূর্তে সেহরি খেতে হবে। এতে সারা দিন শরীরে শক্তি থাকবে।

টিপস:

১. রোজা রেখে ক্লান্ত শরীরে একদিনে দীর্ঘক্ষণ ঈদ শপিং না করে অল্প অল্প করে শপিং শেষ করুন।

২. ইফতার ও সেহরির মধ্যবর্তী সময়ে পর্যাপ্ত পানীয় জাতীয় খাবার বেশি করে খান।

৩. অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ ও অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস অবস্থায় রোজা রাখলেও অজ্ঞান হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

৪. রোজায় সুস্থতার জন্য স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করা অত্যন্ত জরুরি। সেটি না হলে রোজাতে আমাদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়তে পারে।


প্রিন্ট