ঢাকা ০৩:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ডেনমার্কে রুশ নাশকতার প্রস্তুতির বিষয়ে গোয়েন্দা সতর্কতা বরিশালে ২৪ ঘণ্টায় ৫৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড তরুণদের উদ্যোক্তা হতে অর্থায়ন দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক বরিশালে ২৪ ঘণ্টায় ৫৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড রাজশাহীতে পরিবেশবান্ধব গ্রিন বিল্ডিংয়ের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন ন্যায়বিচার, সমতা ও মানবাধিকারই টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ার ভিত্তি : আইরিন খান সুনামগঞ্জের নতুনপাড়াস্থ শ্রী শ্রী রাধাকৃষ্ণ মন্দির প্রাঙ্গণে চিত্রাংঙ্গন ও কুইজ প্রতিযোগিতা,ধর্মীয় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত স্কুলের দায়িত্ব ফেলে গরুর হাটে ব্যবসা, অফিস সহায়কের বিরুদ্ধে স্কুলে না থাকার অভিযোগ স্বামীর মৃত্যুর পরই সম্পত্তি দখলের পাঁয়তারা, মোহাম্মদপুর চন্দ্রিমা হাউজিংয়ে নওরিন সুলতানা মিশুর অভিযোগ শান্তিগঞ্জে হ্যান্ডকাপ অবস্হায় পুলিশের কাছ থেকে আসামীকে ছিনিয়ে নিয়ে যায় স্বজনরা

আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের মা আর নেই

নিউজ ডেস্ক: আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হকের মা ও অ্যাডভোকেট সিরাজুল হকের সহধর্মিণী জাহানারা হক আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

গতকাল শুক্রবার রাত ৩টা ৪০ মিনিটে রাজধানীর এপোলো হাসপাতালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর।

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ড. মো. রেজাউল করিম গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, আজ শনিবার বাদ জোহর বনানীর ১১ নম্বর রোড সংলগ্ন পানি উন্নয়ন বোর্ডের জামে মসজিদে পারিবারিকভাবে ও সীমিত পরিসরে মরহুমার নামাজে জানাযা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর তাকে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে।

জাহানারা হক গত বছরের ২৭ অক্টোবর থেকে এপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন যাবত হৃদরোগসহ বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন।

তিন বছরের ব্যবধানে আইনমন্ত্রী তার ভাই ও বোনের পর মাকে হারালেন।

২০১৭ সালের ১০ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রের ডালাসে একটি হাসপাতালে মন্ত্রীর একমাত্র ছোট ভাই আরিফুল হক রনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই পুত্র ও এক কন্যা রেখে গেছেন।

মন্ত্রীর একমাত্র বড় বোন সায়মা ইসলাম ২০১৮ সালের ১৫ জুলাই ঢাকায় মারা যান। তিনি স্বামী ও এক ছেলে রেখে গেছেন।

বিয়ের কিছুদিন পর ১৯৯১ সালের ২ জানুয়ারি সড়ক দুর্ঘটনায় স্ত্রী নূর আমাতুল্লাহ্ রিনা হককে হারান আইনমন্ত্রী। এরপর তিনি আর বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হননি। তার কোনো সন্তান নেই।

২০০২ সালের ২৮ অক্টোবর মারা যান বঙ্গবন্ধুর বিশ্বস্ত ও ঘনিষ্ট সহচর আনিসুল হকের পিতা অ্যাডভোকেট সিরাজুল হক। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, জাতীয় সংসদ সদস্য, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, অন্যতম সংবিধান প্রণেতা, প্রখ্যাত আইনজীবী ও বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার চিফ প্রসিকিউটর ছিলেন।

আনিসুল হক ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনের সংসদ সদস্য।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ডেনমার্কে রুশ নাশকতার প্রস্তুতির বিষয়ে গোয়েন্দা সতর্কতা

আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের মা আর নেই

আপডেট টাইম : ১২:৪১:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২০

নিউজ ডেস্ক: আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হকের মা ও অ্যাডভোকেট সিরাজুল হকের সহধর্মিণী জাহানারা হক আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

গতকাল শুক্রবার রাত ৩টা ৪০ মিনিটে রাজধানীর এপোলো হাসপাতালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর।

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ড. মো. রেজাউল করিম গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, আজ শনিবার বাদ জোহর বনানীর ১১ নম্বর রোড সংলগ্ন পানি উন্নয়ন বোর্ডের জামে মসজিদে পারিবারিকভাবে ও সীমিত পরিসরে মরহুমার নামাজে জানাযা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর তাকে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে।

জাহানারা হক গত বছরের ২৭ অক্টোবর থেকে এপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন যাবত হৃদরোগসহ বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন।

তিন বছরের ব্যবধানে আইনমন্ত্রী তার ভাই ও বোনের পর মাকে হারালেন।

২০১৭ সালের ১০ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রের ডালাসে একটি হাসপাতালে মন্ত্রীর একমাত্র ছোট ভাই আরিফুল হক রনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই পুত্র ও এক কন্যা রেখে গেছেন।

মন্ত্রীর একমাত্র বড় বোন সায়মা ইসলাম ২০১৮ সালের ১৫ জুলাই ঢাকায় মারা যান। তিনি স্বামী ও এক ছেলে রেখে গেছেন।

বিয়ের কিছুদিন পর ১৯৯১ সালের ২ জানুয়ারি সড়ক দুর্ঘটনায় স্ত্রী নূর আমাতুল্লাহ্ রিনা হককে হারান আইনমন্ত্রী। এরপর তিনি আর বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হননি। তার কোনো সন্তান নেই।

২০০২ সালের ২৮ অক্টোবর মারা যান বঙ্গবন্ধুর বিশ্বস্ত ও ঘনিষ্ট সহচর আনিসুল হকের পিতা অ্যাডভোকেট সিরাজুল হক। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, জাতীয় সংসদ সদস্য, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, অন্যতম সংবিধান প্রণেতা, প্রখ্যাত আইনজীবী ও বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার চিফ প্রসিকিউটর ছিলেন।

আনিসুল হক ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনের সংসদ সদস্য।


প্রিন্ট