ঢাকা ০২:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,, কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ পটুয়াখালী পায়রা সেতু এলাকায় র‌্যাবের অভিযানে পিকআপের গোপন চেম্বার থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর জেট ফুয়েলের দাম কমলো লিটার প্রতি ১৯ টাকা পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ছেন রবার্তো মার্টিনেজ গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ড্রাগন চাষে চমক দেখালেন শিক্ষক নাঈম

দুই হাসপাতালের ১৭৪ চিকিৎসক,স্বাস্থ্যকর্মী করোনায় আক্রান্ত

অনলাইন ডেক্স: সাধারণ মানুষদের চিকিৎসা দিতে গিয়ে আক্রান্ত হচ্ছেন চিকিৎসক কিংবা স্বাস্থ্যকর্মী। এই যেমন রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও মিটফোর্ড হাসপাতালেই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন মোট ১৭৪ জন স্বাস্থ্যকর্মী। কোয়ারেন্টিনে আছেন অনেক।

আজ বৃহস্পতিবার দুপরে দুই হাসপাতালের পরিচালক সংবাদমাধ্যমকে এই তথ্য জানিয়েছেন। তাঁরা বলছেন, আক্রান্ত ১৭৪ রোগী ছাড়াও কোয়ারেন্টিনে আছেন অসংখ্য স্বাস্থ্যকর্মী। আর করোনা আক্রান্তদের আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

তবে এই যখন পরিস্থিতি, তখন সরকার কেন লকডাউন শিথিলের পথে হাঁটছে তা মাথায় আসছে না সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. উত্তম কুমার বড়ুয়ার। এই পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ রূপ ধারণ করতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘পরিস্থিতি কোন দিকে যাচ্ছে বলা মুশকিল। এর ভেতরে আবার লকডাউন শিথিল করা হচ্ছে। আমি জানি না সরকার কেন এই সিদ্ধান্ত নিল। আমার মাথায় আসছে না বিষয়টি। এটা ভালো ফল বয়ে আসবে বলে মনে হচ্ছে না। এই ব্যাপারে আমাদের আরো ভাবা জরুরি।’

মিটফোর্ড হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কাজী মো. রশিদ-উন-নবী বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আমার হাসপাতালে মোট ৮৬ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে চিকিৎসক ৪০ জন, নার্স ১৯ জন ও কর্মচারী ২৭ জন। এই ৮৬ জনের মধ্যে চিকিৎসক চারজন, নার্স আটজন ও সাতজন কর্মচারীসহ মোট ১৯ জন সুস্থ হয়েছেন। বাকিরা চিকিৎসাধীন আছেন।’

সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. উত্তম কুমার বড়ুয়া বলেন, ‘আমার হাসপাতালে চিকিৎসকসহ মোট ৮৮ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এদের ভেতরে চিকিৎসক ৬২ জন, নার্স ১২ জন ও কর্মচারী ১৪ জন। এদের ভেতরে কেউ কেউ সুস্থ হয়ে উঠেছেন, তবে সেই সংখ্যা খুবই কম। এছাড়া প্রতিদিন আক্রান্তের সংখ্যা দুই চারজন করে বাড়ছেই । স্বাস্থ্য ব্যবস্থা যদি একবার ভেঙে পড়ে, কী হবে পরিস্থিতি ভাবতে ভয়াবহ!’


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,,

দুই হাসপাতালের ১৭৪ চিকিৎসক,স্বাস্থ্যকর্মী করোনায় আক্রান্ত

আপডেট টাইম : ০৯:৫১:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২০

অনলাইন ডেক্স: সাধারণ মানুষদের চিকিৎসা দিতে গিয়ে আক্রান্ত হচ্ছেন চিকিৎসক কিংবা স্বাস্থ্যকর্মী। এই যেমন রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও মিটফোর্ড হাসপাতালেই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন মোট ১৭৪ জন স্বাস্থ্যকর্মী। কোয়ারেন্টিনে আছেন অনেক।

আজ বৃহস্পতিবার দুপরে দুই হাসপাতালের পরিচালক সংবাদমাধ্যমকে এই তথ্য জানিয়েছেন। তাঁরা বলছেন, আক্রান্ত ১৭৪ রোগী ছাড়াও কোয়ারেন্টিনে আছেন অসংখ্য স্বাস্থ্যকর্মী। আর করোনা আক্রান্তদের আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

তবে এই যখন পরিস্থিতি, তখন সরকার কেন লকডাউন শিথিলের পথে হাঁটছে তা মাথায় আসছে না সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. উত্তম কুমার বড়ুয়ার। এই পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ রূপ ধারণ করতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘পরিস্থিতি কোন দিকে যাচ্ছে বলা মুশকিল। এর ভেতরে আবার লকডাউন শিথিল করা হচ্ছে। আমি জানি না সরকার কেন এই সিদ্ধান্ত নিল। আমার মাথায় আসছে না বিষয়টি। এটা ভালো ফল বয়ে আসবে বলে মনে হচ্ছে না। এই ব্যাপারে আমাদের আরো ভাবা জরুরি।’

মিটফোর্ড হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কাজী মো. রশিদ-উন-নবী বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আমার হাসপাতালে মোট ৮৬ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে চিকিৎসক ৪০ জন, নার্স ১৯ জন ও কর্মচারী ২৭ জন। এই ৮৬ জনের মধ্যে চিকিৎসক চারজন, নার্স আটজন ও সাতজন কর্মচারীসহ মোট ১৯ জন সুস্থ হয়েছেন। বাকিরা চিকিৎসাধীন আছেন।’

সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. উত্তম কুমার বড়ুয়া বলেন, ‘আমার হাসপাতালে চিকিৎসকসহ মোট ৮৮ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এদের ভেতরে চিকিৎসক ৬২ জন, নার্স ১২ জন ও কর্মচারী ১৪ জন। এদের ভেতরে কেউ কেউ সুস্থ হয়ে উঠেছেন, তবে সেই সংখ্যা খুবই কম। এছাড়া প্রতিদিন আক্রান্তের সংখ্যা দুই চারজন করে বাড়ছেই । স্বাস্থ্য ব্যবস্থা যদি একবার ভেঙে পড়ে, কী হবে পরিস্থিতি ভাবতে ভয়াবহ!’


প্রিন্ট