ঢাকা ১২:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের দুর্বৃত্তদের ছিটানো বিষে মারা গেছে সাড়ে ৪ লাখ টাকার পোনা কাপ্তাই লেকে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার ফিলিস্তিনিদের দুর্ভোগ বিশ্বের জন্য লজ্জার: মিশরের কোচ হোসাম হাসান ন্যাটো সম্মেলনের আগে মস্কোর দিকে ৪০০-র বেশি ড্রোন নিক্ষেপ ইউক্রেনের “ময়মনসিংহে মায়ের শ্লীলতাহানির ক্ষোভে রুবেল হত্যা, গ্রেপ্তার ৪” মিথ্যা অপপ্রচার দিয়ে ভালো উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত করা হয় মনোয়ার হোসেন জীবন ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে শুরু হলো ‘গ্র্যান্ড আমেরিকান ফুড ফেস্টিভ্যাল কুড়িগ্রামে আধুনিক হাঁস পালন সম্প্রসারণে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার, বাড়ছে খামারিদের আগ্রহ হিসাবে গড়মিলের অভিযোগে আলোচনায় বাদাঘাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়

করোনার উপসর্গ নিয়ে সাংবা‌দিক সুমন মাহমুদের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক: জ্যেষ্ঠ সাংবা‌দিক সুমন মাহমুদ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর একটি হাসপাতালে মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ছিলেন।

শুক্রবার বিকাল ৪টার দিকে পুরান ঢাকার গেন্ডারিয়ায় আসগর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

ভোরের কাগজের স্টাফ রিপোর্টার ইমরান রহমান জানান, ভোরের কাগজের সাবেক এই সিনিয়র সাংবাদিকের করোনায় মৃত্যু হয়েছে কিনা নিশ্চিত নয়। তার করোনা উপসর্গ ছিল। তিনি দুই বার টেস্ট করান। দুই বারই ফলাফল নেগেটিভ আসে। পরে শ্বাসকষ্ট ও করোনার বিভিন্ন উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক পুত্র ও এক কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয় ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার স্ত্রী অধ্যাপক ডা. পারভীন শাহীদা আকতার দেশের প্রখ্যাত ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ। রাতেই তার লাশ বনানীতে বাবা-মায়ের পাশে দাফন করা হবে বলে জানিয়েছে পরিবার।

সাংবাদিক সুমনের ভাই কর্নেল (অব.) মঞ্জুর আহমেদ হেলাল বলেন, জামালপুর জেলার মেলানদহ থানার পাচতইলা গ্রামের মরহুম নিজামউদ্দিন আহমেদের ছেলে সুমন। রাজধানীর আসাদ অ্যাভিনিউয়ের একটি বাসায় পরিবারের সঙ্গে থাকতেন। ১২ মে থেকে প্রচণ্ড শ্বাসকষ্টের সমস্যায় ভুগছিলেন সুমন। যেহেতু শ্বাসকষ্ট করোনার উপসর্গ তাই সুমন মাহমুদকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে ৩ ঘণ্টা অপেক্ষা শেষে একটি অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে থাকার ব্যবস্থা করে দেয় কর্তৃপক্ষ। সেখানে থাকা সম্ভব নয় ভেবে সুমন মাহমুদকে বাসায় নিয়ে আসলে পরিস্থিতি খারাপ হতে থাকে।

তিনি জানান, পরে ওই দিন রাতেই আজগর আলী হাসপাতালের আইসিইউতে নেয়া হয়। ১৩ তারিখ শ্বাসকষ্ট আরো বেড়ে যায়। ১৪ তারিখ থেকে নেবুলাইজার দেয়াসহ সব ধরনের চেষ্টা করা হয়। কিন্তু পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। ওই দিন থেকেই তিনি অচেতন অবস্থায় ছিলেন। এর মাঝখানে দুইবার করোনা টেস্ট করানো হয়। যার রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। শুক্রবার বিকেল সোয়া ৪টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের

করোনার উপসর্গ নিয়ে সাংবা‌দিক সুমন মাহমুদের মৃত্যু

আপডেট টাইম : ০৯:২৪:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২০

অনলাইন ডেস্ক: জ্যেষ্ঠ সাংবা‌দিক সুমন মাহমুদ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর একটি হাসপাতালে মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ছিলেন।

শুক্রবার বিকাল ৪টার দিকে পুরান ঢাকার গেন্ডারিয়ায় আসগর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

ভোরের কাগজের স্টাফ রিপোর্টার ইমরান রহমান জানান, ভোরের কাগজের সাবেক এই সিনিয়র সাংবাদিকের করোনায় মৃত্যু হয়েছে কিনা নিশ্চিত নয়। তার করোনা উপসর্গ ছিল। তিনি দুই বার টেস্ট করান। দুই বারই ফলাফল নেগেটিভ আসে। পরে শ্বাসকষ্ট ও করোনার বিভিন্ন উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক পুত্র ও এক কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয় ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার স্ত্রী অধ্যাপক ডা. পারভীন শাহীদা আকতার দেশের প্রখ্যাত ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ। রাতেই তার লাশ বনানীতে বাবা-মায়ের পাশে দাফন করা হবে বলে জানিয়েছে পরিবার।

সাংবাদিক সুমনের ভাই কর্নেল (অব.) মঞ্জুর আহমেদ হেলাল বলেন, জামালপুর জেলার মেলানদহ থানার পাচতইলা গ্রামের মরহুম নিজামউদ্দিন আহমেদের ছেলে সুমন। রাজধানীর আসাদ অ্যাভিনিউয়ের একটি বাসায় পরিবারের সঙ্গে থাকতেন। ১২ মে থেকে প্রচণ্ড শ্বাসকষ্টের সমস্যায় ভুগছিলেন সুমন। যেহেতু শ্বাসকষ্ট করোনার উপসর্গ তাই সুমন মাহমুদকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে ৩ ঘণ্টা অপেক্ষা শেষে একটি অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে থাকার ব্যবস্থা করে দেয় কর্তৃপক্ষ। সেখানে থাকা সম্ভব নয় ভেবে সুমন মাহমুদকে বাসায় নিয়ে আসলে পরিস্থিতি খারাপ হতে থাকে।

তিনি জানান, পরে ওই দিন রাতেই আজগর আলী হাসপাতালের আইসিইউতে নেয়া হয়। ১৩ তারিখ শ্বাসকষ্ট আরো বেড়ে যায়। ১৪ তারিখ থেকে নেবুলাইজার দেয়াসহ সব ধরনের চেষ্টা করা হয়। কিন্তু পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। ওই দিন থেকেই তিনি অচেতন অবস্থায় ছিলেন। এর মাঝখানে দুইবার করোনা টেস্ট করানো হয়। যার রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। শুক্রবার বিকেল সোয়া ৪টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।


প্রিন্ট