ঢাকা ০৩:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার এসআই নাছিম উদ্দিন পেলেন বিশেষ পুরস্কার রাঙ্গামাটিতে পাহাড় ধসে ১ জনের মৃত্যু সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ফারুক আহমেদ তালায় নারী সমাবেশে নারী নির্যাতন ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত চিলমারী নদী বন্দর কর্তৃপক্ষের অনিয়ম ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে সংসদীয় আসনের এমপি’র সতর্ক বার্তা! ট্রাস্টি বোর্ড ভেঙে ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটিতে প্রশাসক নিয়োগ, সরকারের প্রজ্ঞাপন জারি যুক্তরাষ্ট্রকে বিধ্বস্ত করে শেষ আটে বেলজিয়াম এনআইডি সংশোধনে ৬ ক্যাটাগরির সেবা সাময়িক বন্ধ, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন বিশ্বম্ভরপুরের অনন্তপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু

‘বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম এএফসির আইকনিক স্টেডিয়ামের তালিকায় ’

ক্রীড়া প্রতিবেদক : বাংলাদেশের জাতীয় স্টেডিয়াম ‘বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম’ কে আইকনিক স্টেডিয়ামের তালিকায় সংযোজন করেছে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি)। মূলত ‘গ্রেট গ্রাউন্ডস অফ এশিয়া: সেন্ট্রাল অ্যান্ড সাউথ’ নামের একটি তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশের এই ঐতিহাসিক স্টেডিয়ামটি।

১৯৫৪ সালে ক্রিকেটের কথা মাথায় রেখে বাংলাদেশের এই জাতীয় স্টেডিয়াম দেশের রাজধানী ঢাকার গুলিস্তানে তৈরি করা হয়। এরপর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের নামে নামকরণ করা হয় স্টেডিয়ামটির। স্টেডিয়ামটির তৈরির পর থেকে বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য অনুষ্ঠান থেকে শুরু করে ক্রীড়া আসর ও সভারও আয়োজন করা হয়েছে।

বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের স্মরণীয় মুহূর্ত গুলোর মধ্যে, ১৯৭৮ সালে বিশ্ব বিখ্যাত বক্সার মোহাম্মদ আলী এখানে একটি বক্সিং ম্যাচ খেলেছিল। এছাড়াও উল্লেখযোগ্য ক্রীড়া আসরের মধ্যে ২০০৩, ২০০৯ ও ২০১৮ সালের সাফ গেমস, ২০১০ সালের দক্ষিণ এশিয়ান গেমস আয়োজন করা হয় এখানে। এছাড়াও ২০১১ সালে মেসির আর্জেন্টিনা বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে নাইজেরিয়ার বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলেছিল। ২০১১ ক্রিকেট বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানও আয়োজিত হয়েছে এই মাঠে।

আইকনিক মাঠ হিসেবে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামকে যুক্ত করা উপলক্ষে এক বিবৃতিতে এএফসি লিখে, ‘১৯৫৪ সালে ক্রিকেটকে লক্ষ্য করে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের যাত্রা। তবে সময়ের সাথে দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভেন্যু হিসেবে দাঁড়িয়ে যায় স্টেডিয়ামটি। শুরুর পর থেকে বিভিন্ন সময় এই ভেন্যুটির উন্নতি সাধন করা হয়েছে দেশের ক্রীড়ার উন্নয়নের বিকাশ ঘটাতে।’
এছাড়া আরও যোগ করে এএফসি লিখে, ’৩৬ হাজার আসন সমৃদ্ধ এই স্টেডিয়ামটি স্বাগতিক দর্শকদের বিনোদনের সবচেয়ে বড় জায়গা। এখানে বিভিন্ন ক্রীড়া আসর আয়োজন করা হয়েছে, যার মধ্যে ২০০৩ সালের সাফ ফুটবলের আসর দর্শক এবং স্টেডিয়ামটির সবচেয়ে স্মরণীয় গৌরবের মুহূর্ত বলে ধরে নেওয়া হয়। যেবার বাংলাদেশ ফুটবল দল ফাইনালে মালদ্বীপকে হারিয়ে শিরোপা নিজের করে নেয়।’

বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম ছাড়া ইরানের আজাদী স্টেডিয়াম, উজবেকিস্তানের পাখতাকর স্টেডিয়াম, কলকাতার সল্ট লেক স্টেডিয়াম এবং তাজিকিস্তানের সেন্ট্রাল রিপাবলিকান স্টেডিয়াম এএফসির আইকনিক স্টেডিয়ামের মর্যাদা পেয়েছে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার এসআই নাছিম উদ্দিন পেলেন বিশেষ পুরস্কার

‘বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম এএফসির আইকনিক স্টেডিয়ামের তালিকায় ’

আপডেট টাইম : ০৮:৪০:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২০

ক্রীড়া প্রতিবেদক : বাংলাদেশের জাতীয় স্টেডিয়াম ‘বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম’ কে আইকনিক স্টেডিয়ামের তালিকায় সংযোজন করেছে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি)। মূলত ‘গ্রেট গ্রাউন্ডস অফ এশিয়া: সেন্ট্রাল অ্যান্ড সাউথ’ নামের একটি তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশের এই ঐতিহাসিক স্টেডিয়ামটি।

১৯৫৪ সালে ক্রিকেটের কথা মাথায় রেখে বাংলাদেশের এই জাতীয় স্টেডিয়াম দেশের রাজধানী ঢাকার গুলিস্তানে তৈরি করা হয়। এরপর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের নামে নামকরণ করা হয় স্টেডিয়ামটির। স্টেডিয়ামটির তৈরির পর থেকে বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য অনুষ্ঠান থেকে শুরু করে ক্রীড়া আসর ও সভারও আয়োজন করা হয়েছে।

বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের স্মরণীয় মুহূর্ত গুলোর মধ্যে, ১৯৭৮ সালে বিশ্ব বিখ্যাত বক্সার মোহাম্মদ আলী এখানে একটি বক্সিং ম্যাচ খেলেছিল। এছাড়াও উল্লেখযোগ্য ক্রীড়া আসরের মধ্যে ২০০৩, ২০০৯ ও ২০১৮ সালের সাফ গেমস, ২০১০ সালের দক্ষিণ এশিয়ান গেমস আয়োজন করা হয় এখানে। এছাড়াও ২০১১ সালে মেসির আর্জেন্টিনা বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে নাইজেরিয়ার বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলেছিল। ২০১১ ক্রিকেট বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানও আয়োজিত হয়েছে এই মাঠে।

আইকনিক মাঠ হিসেবে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামকে যুক্ত করা উপলক্ষে এক বিবৃতিতে এএফসি লিখে, ‘১৯৫৪ সালে ক্রিকেটকে লক্ষ্য করে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের যাত্রা। তবে সময়ের সাথে দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভেন্যু হিসেবে দাঁড়িয়ে যায় স্টেডিয়ামটি। শুরুর পর থেকে বিভিন্ন সময় এই ভেন্যুটির উন্নতি সাধন করা হয়েছে দেশের ক্রীড়ার উন্নয়নের বিকাশ ঘটাতে।’
এছাড়া আরও যোগ করে এএফসি লিখে, ’৩৬ হাজার আসন সমৃদ্ধ এই স্টেডিয়ামটি স্বাগতিক দর্শকদের বিনোদনের সবচেয়ে বড় জায়গা। এখানে বিভিন্ন ক্রীড়া আসর আয়োজন করা হয়েছে, যার মধ্যে ২০০৩ সালের সাফ ফুটবলের আসর দর্শক এবং স্টেডিয়ামটির সবচেয়ে স্মরণীয় গৌরবের মুহূর্ত বলে ধরে নেওয়া হয়। যেবার বাংলাদেশ ফুটবল দল ফাইনালে মালদ্বীপকে হারিয়ে শিরোপা নিজের করে নেয়।’

বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম ছাড়া ইরানের আজাদী স্টেডিয়াম, উজবেকিস্তানের পাখতাকর স্টেডিয়াম, কলকাতার সল্ট লেক স্টেডিয়াম এবং তাজিকিস্তানের সেন্ট্রাল রিপাবলিকান স্টেডিয়াম এএফসির আইকনিক স্টেডিয়ামের মর্যাদা পেয়েছে।


প্রিন্ট