ঢাকা ০৩:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার এসআই নাছিম উদ্দিন পেলেন বিশেষ পুরস্কার রাঙ্গামাটিতে পাহাড় ধসে ১ জনের মৃত্যু সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ফারুক আহমেদ তালায় নারী সমাবেশে নারী নির্যাতন ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত চিলমারী নদী বন্দর কর্তৃপক্ষের অনিয়ম ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে সংসদীয় আসনের এমপি’র সতর্ক বার্তা! ট্রাস্টি বোর্ড ভেঙে ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটিতে প্রশাসক নিয়োগ, সরকারের প্রজ্ঞাপন জারি যুক্তরাষ্ট্রকে বিধ্বস্ত করে শেষ আটে বেলজিয়াম এনআইডি সংশোধনে ৬ ক্যাটাগরির সেবা সাময়িক বন্ধ, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন বিশ্বম্ভরপুরের অনন্তপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু

রাশিয়া অস্ত্র ও সামরিক যন্ত্রপাতি পাঠাচ্ছে লিবিয়ায়

অনলাইন ডেস্ক : মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে যুদ্ধ বিধ্বস্ত লিবিয়ায় অস্ত্র ও সামরিক যন্ত্রপাতি পাঠাচ্ছে রাশিয়া। আর এটার ভুরি ভুরি প্রমাণ তাদের কাছে রয়েছে। খবর আল জাজিরার।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর আফ্রিকা উইং এর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে রাশিয়া যে লিবিয়ার বিদ্রোহী গ্রুপ হাফতার বাহিনীকে অস্ত্র ও সামরিক যন্ত্রপাতি পাঠিয়ে সহায়তা করছে সেটার ভুরি ভুরি প্রমাণাদি তাদের কাছে রয়েছে। রয়েছে স্যাটেলাইট ছবি। যেখানে দেখা গেছে যে রাশিয়ার কার্গো বিমান দেশটির বেসরকারি সামরিক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ওয়াগনার গ্রুপের চালান লিবিয়ায় পৌঁছে দিয়েছে।

এ বিষয়ে মার্কিন সেনাবাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল গ্রেগরি হাডফিল্ড (ডেপুটি ডিরেক্টর আফ্রিকম, ইন্টেলিজেন্স) বলেছেন— স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ধারনা করা ছবিতে রাশিয়ার জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে। তারা লিবিয়ায় তাদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে যাচ্ছে। রাশিয়ার এয়ার ডিফেন্স যন্ত্রপাতি, বিশেষ করে এসএ-২২এস বর্তমানে লিবিয়ায় ব্যবহৃত হচ্ছে। যেটা সরবরাহ করছে রাশিয়ার ওয়াগনার গ্রুপ। আরো দেখা গেছে ওয়াগনারের ইউটিলিটি ট্রাক, মাইন প্রতিরোধ যন্ত্র এবং সাঁজোয়াযানও

এ সংক্রান্ত ৫৭ পৃষ্ঠার একটি রিপোর্ট সম্প্রতি মার্কিন সেনাবাহিনী জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে দাখিল করেছে। হয়তো বরাবরের মতো এবারও এই দাবি প্রত্যাখান করবে রাশিয়া।

২০১১ সালে ন্যাটোর সহায়তায় ঘটা বিপ্লবের মাধ্যমে তৎকালিন শাসক মুয়াম্মর গাদ্দাফিকে হত্যার পর থেকে লিবিয়া নানা সমস্যায় জর্জরিত। তেল সমৃদ্ধ দেশটিতে বর্তমানে জাতিসংঘ সমর্থিত সরকারের দখলে রয়েছে একাংশ (রাজধানী ত্রিপোলি ও উত্তর-পশ্চিম অঞ্চল)। আর দলত্যাগী সামরিক কমান্ডার খলিফা হাফতার বাহিনী তথা লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মির দখলে রয়েছে বেনগাজী ও পূর্বাঞ্চল। এই বাহিনীকে সমর্থন দিচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিশর ও রাশিয়া। আর জাতিসংঘ সমর্থিত সরকারকে সমর্থন দিচ্ছে তুরস্ক।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার এসআই নাছিম উদ্দিন পেলেন বিশেষ পুরস্কার

রাশিয়া অস্ত্র ও সামরিক যন্ত্রপাতি পাঠাচ্ছে লিবিয়ায়

আপডেট টাইম : ১২:১৫:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২০

অনলাইন ডেস্ক : মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে যুদ্ধ বিধ্বস্ত লিবিয়ায় অস্ত্র ও সামরিক যন্ত্রপাতি পাঠাচ্ছে রাশিয়া। আর এটার ভুরি ভুরি প্রমাণ তাদের কাছে রয়েছে। খবর আল জাজিরার।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর আফ্রিকা উইং এর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে রাশিয়া যে লিবিয়ার বিদ্রোহী গ্রুপ হাফতার বাহিনীকে অস্ত্র ও সামরিক যন্ত্রপাতি পাঠিয়ে সহায়তা করছে সেটার ভুরি ভুরি প্রমাণাদি তাদের কাছে রয়েছে। রয়েছে স্যাটেলাইট ছবি। যেখানে দেখা গেছে যে রাশিয়ার কার্গো বিমান দেশটির বেসরকারি সামরিক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ওয়াগনার গ্রুপের চালান লিবিয়ায় পৌঁছে দিয়েছে।

এ বিষয়ে মার্কিন সেনাবাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল গ্রেগরি হাডফিল্ড (ডেপুটি ডিরেক্টর আফ্রিকম, ইন্টেলিজেন্স) বলেছেন— স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ধারনা করা ছবিতে রাশিয়ার জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে। তারা লিবিয়ায় তাদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে যাচ্ছে। রাশিয়ার এয়ার ডিফেন্স যন্ত্রপাতি, বিশেষ করে এসএ-২২এস বর্তমানে লিবিয়ায় ব্যবহৃত হচ্ছে। যেটা সরবরাহ করছে রাশিয়ার ওয়াগনার গ্রুপ। আরো দেখা গেছে ওয়াগনারের ইউটিলিটি ট্রাক, মাইন প্রতিরোধ যন্ত্র এবং সাঁজোয়াযানও

এ সংক্রান্ত ৫৭ পৃষ্ঠার একটি রিপোর্ট সম্প্রতি মার্কিন সেনাবাহিনী জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে দাখিল করেছে। হয়তো বরাবরের মতো এবারও এই দাবি প্রত্যাখান করবে রাশিয়া।

২০১১ সালে ন্যাটোর সহায়তায় ঘটা বিপ্লবের মাধ্যমে তৎকালিন শাসক মুয়াম্মর গাদ্দাফিকে হত্যার পর থেকে লিবিয়া নানা সমস্যায় জর্জরিত। তেল সমৃদ্ধ দেশটিতে বর্তমানে জাতিসংঘ সমর্থিত সরকারের দখলে রয়েছে একাংশ (রাজধানী ত্রিপোলি ও উত্তর-পশ্চিম অঞ্চল)। আর দলত্যাগী সামরিক কমান্ডার খলিফা হাফতার বাহিনী তথা লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মির দখলে রয়েছে বেনগাজী ও পূর্বাঞ্চল। এই বাহিনীকে সমর্থন দিচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিশর ও রাশিয়া। আর জাতিসংঘ সমর্থিত সরকারকে সমর্থন দিচ্ছে তুরস্ক।


প্রিন্ট