ঢাকা ১২:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের দুর্বৃত্তদের ছিটানো বিষে মারা গেছে সাড়ে ৪ লাখ টাকার পোনা কাপ্তাই লেকে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার ফিলিস্তিনিদের দুর্ভোগ বিশ্বের জন্য লজ্জার: মিশরের কোচ হোসাম হাসান ন্যাটো সম্মেলনের আগে মস্কোর দিকে ৪০০-র বেশি ড্রোন নিক্ষেপ ইউক্রেনের “ময়মনসিংহে মায়ের শ্লীলতাহানির ক্ষোভে রুবেল হত্যা, গ্রেপ্তার ৪” মিথ্যা অপপ্রচার দিয়ে ভালো উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত করা হয় মনোয়ার হোসেন জীবন ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে শুরু হলো ‘গ্র্যান্ড আমেরিকান ফুড ফেস্টিভ্যাল কুড়িগ্রামে আধুনিক হাঁস পালন সম্প্রসারণে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার, বাড়ছে খামারিদের আগ্রহ হিসাবে গড়মিলের অভিযোগে আলোচনায় বাদাঘাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়

সুনামগঞ্জে প্রেমের টানে আসা ভারতীয় তরুণী কারাগারে

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে প্রেমের টানে আসা ভারতীয় তরুণী মঞ্জুরা বেগমকে (২০) পুলিশ প্রয়োজনীয় জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৪টায় তাকে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শ্যাম কান্ত সিনহার আদালতে হাজির করা হয়। পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকালে প্রেমের টানে কাঁটাতারের বাঁধা অতিক্রম করে বাংলাদেশে এসে পৌঁছান ভারতের ওই তরুণী। তরুণী মঞ্জুরা ভারতের আসাম প্রদেশের কামরুপ জেলার চাংসারি থানার টাপার পাথার গ্রামের মুগুর আলির কন্যা। তারা চার ভাই ও এক বোন। সে ভারতে এইচএসসি পর্যন্ত লেখা পড়া করে ছেড়ে দেয়।

স্থানীয়রা জানান, গত পাঁচ বছর আগে মামলার আসামি হয়ে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে ভারতের আসামে চলে যায় দোয়ারাবাজার উপজেলার বাংলাবাজার ইউনিয়নের উত্তর কলাউড়া গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে আব্দুস সাত্তার (২৭)। সেখানে সাত্তারের সঙ্গে পরিচয় হয় মঞ্জুরা বেগমের। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সাত্তার দেশে ফিরে আসার পর মোবাইল/ইমো ও ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে চলে তাদের সম্পর্ক। দীর্ঘ পাঁচ বছর পর প্রেমের টানে মঞ্জুরা বেগম ছুটে আসেন বাংলাদেশে। দেশে ফেরার পর সাত্তার বাহরাইনে চলে যায়। বাহরাইন সে আছে প্রায় ৩ বছর। এরমধ্যে দুই জনের প্রেমের সম্পর্ক চলতে থাকে। ইদানিং মঞ্জুরার বিয়ের প্রস্তাব আসছে। এ বিষয়ে মঞ্জুরা সাত্তারকে জানায়। পরে সাত্তার মঞ্জুরাকে তার বাড়িতে আসতে বলে। ঠিকানা অনুযায়ী মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে বাংলাদেশে চলে আসে ওই ভারতীয় তরুণী। সাত্তারের ছোট ভাই ইমরান সীমান্ত থেকে তাকে বাড়ি নিয়ে আসে। পরে মঞ্জুরা বেগমের সম্মতিক্রমে মোবাইলে বাহরাইনে অবস্থানরত সাত্তারের সঙ্গে বিয়ে সম্পন্ন হয়।

তবে বিনা পাসপোর্টে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে আসায় বিজিবি মঞ্জুরাকে আটক করে। বিজিবি মঞ্জুরার নামে বিনা পাসপোর্ট ও অনুমতি ছাড়া দেশে প্রবেশের কারণে দোয়ারা থানায় একটি মামলা করে। পরে বুধবার রাতে দোয়ারাবাজার থানায় তাকে হস্তান্তর করা হয়।

দোয়ারাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাজির আলম সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বিজিবি একটি মামলা দায়ের করেছে। ওই তরুণীকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের

সুনামগঞ্জে প্রেমের টানে আসা ভারতীয় তরুণী কারাগারে

আপডেট টাইম : ১১:১৬:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে প্রেমের টানে আসা ভারতীয় তরুণী মঞ্জুরা বেগমকে (২০) পুলিশ প্রয়োজনীয় জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৪টায় তাকে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শ্যাম কান্ত সিনহার আদালতে হাজির করা হয়। পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকালে প্রেমের টানে কাঁটাতারের বাঁধা অতিক্রম করে বাংলাদেশে এসে পৌঁছান ভারতের ওই তরুণী। তরুণী মঞ্জুরা ভারতের আসাম প্রদেশের কামরুপ জেলার চাংসারি থানার টাপার পাথার গ্রামের মুগুর আলির কন্যা। তারা চার ভাই ও এক বোন। সে ভারতে এইচএসসি পর্যন্ত লেখা পড়া করে ছেড়ে দেয়।

স্থানীয়রা জানান, গত পাঁচ বছর আগে মামলার আসামি হয়ে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে ভারতের আসামে চলে যায় দোয়ারাবাজার উপজেলার বাংলাবাজার ইউনিয়নের উত্তর কলাউড়া গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে আব্দুস সাত্তার (২৭)। সেখানে সাত্তারের সঙ্গে পরিচয় হয় মঞ্জুরা বেগমের। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সাত্তার দেশে ফিরে আসার পর মোবাইল/ইমো ও ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে চলে তাদের সম্পর্ক। দীর্ঘ পাঁচ বছর পর প্রেমের টানে মঞ্জুরা বেগম ছুটে আসেন বাংলাদেশে। দেশে ফেরার পর সাত্তার বাহরাইনে চলে যায়। বাহরাইন সে আছে প্রায় ৩ বছর। এরমধ্যে দুই জনের প্রেমের সম্পর্ক চলতে থাকে। ইদানিং মঞ্জুরার বিয়ের প্রস্তাব আসছে। এ বিষয়ে মঞ্জুরা সাত্তারকে জানায়। পরে সাত্তার মঞ্জুরাকে তার বাড়িতে আসতে বলে। ঠিকানা অনুযায়ী মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে বাংলাদেশে চলে আসে ওই ভারতীয় তরুণী। সাত্তারের ছোট ভাই ইমরান সীমান্ত থেকে তাকে বাড়ি নিয়ে আসে। পরে মঞ্জুরা বেগমের সম্মতিক্রমে মোবাইলে বাহরাইনে অবস্থানরত সাত্তারের সঙ্গে বিয়ে সম্পন্ন হয়।

তবে বিনা পাসপোর্টে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে আসায় বিজিবি মঞ্জুরাকে আটক করে। বিজিবি মঞ্জুরার নামে বিনা পাসপোর্ট ও অনুমতি ছাড়া দেশে প্রবেশের কারণে দোয়ারা থানায় একটি মামলা করে। পরে বুধবার রাতে দোয়ারাবাজার থানায় তাকে হস্তান্তর করা হয়।

দোয়ারাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাজির আলম সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বিজিবি একটি মামলা দায়ের করেছে। ওই তরুণীকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।


প্রিন্ট