ঢাকা ১২:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের দুর্বৃত্তদের ছিটানো বিষে মারা গেছে সাড়ে ৪ লাখ টাকার পোনা কাপ্তাই লেকে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার ফিলিস্তিনিদের দুর্ভোগ বিশ্বের জন্য লজ্জার: মিশরের কোচ হোসাম হাসান ন্যাটো সম্মেলনের আগে মস্কোর দিকে ৪০০-র বেশি ড্রোন নিক্ষেপ ইউক্রেনের “ময়মনসিংহে মায়ের শ্লীলতাহানির ক্ষোভে রুবেল হত্যা, গ্রেপ্তার ৪” মিথ্যা অপপ্রচার দিয়ে ভালো উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত করা হয় মনোয়ার হোসেন জীবন ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে শুরু হলো ‘গ্র্যান্ড আমেরিকান ফুড ফেস্টিভ্যাল কুড়িগ্রামে আধুনিক হাঁস পালন সম্প্রসারণে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার, বাড়ছে খামারিদের আগ্রহ হিসাবে গড়মিলের অভিযোগে আলোচনায় বাদাঘাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়

রাখাইনে আবারো গ্রামগুলো পুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে,বাড়ছে সংঘর্ষ

 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল সোমবার ছবি ও তথ্য উপাত্তসহ জানিয়েছে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে আবার বাড়ছে আক্রমণ, সংঘর্ষ ও সহিংসতার ঘটনা। সেখানকার গ্রামগুলো পুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। সাধারণ মানুষকে হত্যা করা হচ্ছে। এর ফলে মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও আরকান আর্মির মধ্যে সংঘর্ষ ও সহিংসতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এ সংক্রান্ত ভিডিও, ছবি ও প্রমাণাদি রাখাইন রাজ্য থেকে সংগ্রহ করেছে। পাশাপাশি তারা স্যাটেলাইট ছবি সংগ্রহ করে সেগুলো বিশ্লেষণ করছে। বিশ্লেষণ করছে সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন, বুদ্ধিজীবি ও সুশীল সমাজের দেওয়া তথ্য এবং চাক্ষুস সাক্ষীদের দেওয়া তথ্য।

এ বিষয়ে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের ডেপুটি আঞ্চলিক পরিচালক মিং ইইউ হা বলেছেন, ‘মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও আরাকান আর্মির মধ্যে সংঘর্ষ কমার কোনো নামগন্ধ নেই। সাধারণ মানুষ এটার শিকার হচ্ছে। তাদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তাদের হত্যা করা হচ্ছে। মিয়ানমার সেনাবাহিনী সাধারণ মানুষদের ভোগান্তি বাড়াচ্ছে। তাদের ভোগান্তি কমানোর কোনো ইচ্ছা ও লক্ষ্য তাদের নেই। বিষয়টা কেবল দুঃখজনক নয়, লজ্জাজনকও বটে। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের উচিত এই বিষয়টি দ্রুত আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে তুলে ধরা।’

বাংলাদেশ সীমান্তে মিয়ানমার তাদের সেনাবাহিনীর সংখ্যা বাড়ানোর বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। সম্প্রতি রাখাইন রাজ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে মিয়ানমার সেনাবাহিনী কর্তৃক কেবল মানুষকে মারার উদ্দেশে পুতে রাখা ভূমি মাইনের (এমএম-২) সন্ধান পেয়েছেন অস্ত্র বিশেষজ্ঞরা। যেখানে এই ধরনের মাইন থাকার কথা নয়।

স্থানীয় সুশীল সমাজ ও সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী সাম্প্রতিক মাসগুলোতে এই ধরনের মাইনে রাখাইন রাজ্য ও চিন রাজ্যে অনেক মানুষ হতাহত হয়েছে।

শুধু তাই নয়, মিয়ানমান সেনাবাহিনী বুথডিয়াং শহরতলীতে রোহিঙ্গা শিশুদের শিশুশ্রমে বাধ্য করছে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের

রাখাইনে আবারো গ্রামগুলো পুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে,বাড়ছে সংঘর্ষ

আপডেট টাইম : ০৯:৩৫:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২০

 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল সোমবার ছবি ও তথ্য উপাত্তসহ জানিয়েছে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে আবার বাড়ছে আক্রমণ, সংঘর্ষ ও সহিংসতার ঘটনা। সেখানকার গ্রামগুলো পুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। সাধারণ মানুষকে হত্যা করা হচ্ছে। এর ফলে মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও আরকান আর্মির মধ্যে সংঘর্ষ ও সহিংসতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এ সংক্রান্ত ভিডিও, ছবি ও প্রমাণাদি রাখাইন রাজ্য থেকে সংগ্রহ করেছে। পাশাপাশি তারা স্যাটেলাইট ছবি সংগ্রহ করে সেগুলো বিশ্লেষণ করছে। বিশ্লেষণ করছে সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন, বুদ্ধিজীবি ও সুশীল সমাজের দেওয়া তথ্য এবং চাক্ষুস সাক্ষীদের দেওয়া তথ্য।

এ বিষয়ে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের ডেপুটি আঞ্চলিক পরিচালক মিং ইইউ হা বলেছেন, ‘মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও আরাকান আর্মির মধ্যে সংঘর্ষ কমার কোনো নামগন্ধ নেই। সাধারণ মানুষ এটার শিকার হচ্ছে। তাদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তাদের হত্যা করা হচ্ছে। মিয়ানমার সেনাবাহিনী সাধারণ মানুষদের ভোগান্তি বাড়াচ্ছে। তাদের ভোগান্তি কমানোর কোনো ইচ্ছা ও লক্ষ্য তাদের নেই। বিষয়টা কেবল দুঃখজনক নয়, লজ্জাজনকও বটে। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের উচিত এই বিষয়টি দ্রুত আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে তুলে ধরা।’

বাংলাদেশ সীমান্তে মিয়ানমার তাদের সেনাবাহিনীর সংখ্যা বাড়ানোর বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। সম্প্রতি রাখাইন রাজ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে মিয়ানমার সেনাবাহিনী কর্তৃক কেবল মানুষকে মারার উদ্দেশে পুতে রাখা ভূমি মাইনের (এমএম-২) সন্ধান পেয়েছেন অস্ত্র বিশেষজ্ঞরা। যেখানে এই ধরনের মাইন থাকার কথা নয়।

স্থানীয় সুশীল সমাজ ও সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী সাম্প্রতিক মাসগুলোতে এই ধরনের মাইনে রাখাইন রাজ্য ও চিন রাজ্যে অনেক মানুষ হতাহত হয়েছে।

শুধু তাই নয়, মিয়ানমান সেনাবাহিনী বুথডিয়াং শহরতলীতে রোহিঙ্গা শিশুদের শিশুশ্রমে বাধ্য করছে।


প্রিন্ট