ঢাকা ০১:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এনআইডি সংশোধনে ৬ ক্যাটাগরির সেবা সাময়িক বন্ধ, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন বিশ্বম্ভরপুরের অনন্তপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের দুর্বৃত্তদের ছিটানো বিষে মারা গেছে সাড়ে ৪ লাখ টাকার পোনা কাপ্তাই লেকে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার ফিলিস্তিনিদের দুর্ভোগ বিশ্বের জন্য লজ্জার: মিশরের কোচ হোসাম হাসান ন্যাটো সম্মেলনের আগে মস্কোর দিকে ৪০০-র বেশি ড্রোন নিক্ষেপ ইউক্রেনের “ময়মনসিংহে মায়ের শ্লীলতাহানির ক্ষোভে রুবেল হত্যা, গ্রেপ্তার ৪” মিথ্যা অপপ্রচার দিয়ে ভালো উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত করা হয় মনোয়ার হোসেন জীবন ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে শুরু হলো ‘গ্র্যান্ড আমেরিকান ফুড ফেস্টিভ্যাল

আসামি কারাগারে নাকি পালিয়েছেন, জানে না কারা কর্তৃপক্ষ!

কারাবন্দি নিখোঁজের ১২ ঘণ্টা পেরিয়ে গেছে। এখনও হদিস মিলেনি। কারাবন্দি কারাগারে নাকি পালিয়ে গেছেন তাও জানে না চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষ। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকবার ‘পাগলা ঘণ্টা’ও বাজানো হয়েছে। চলছে তল্লাশি। তবুও খোঁজ নেই ফারহাদ হোসেন রুবেলের। থানায় জিডিও করেছে কারা কর্তৃপক্ষ।

শনিবার (০৬ মার্চ) সকাল থেকে কারাবন্দি রুবেলের খোঁজ পাচ্ছে না চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষ। সকালে নিয়মিত বন্দি গণনাকালে ওই বন্দির অনুপস্থিতির বিষয়টি কারা কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। তবে এ বিষয়ে যোগাযোগ করেও কারা কর্মকর্তাদের স্পষ্ট কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। 

নগরীর সদরঘাট থানায় দায়ের হওয়া একটি হত্যা মামলার আসামি রুবেল। দিনভর কারা অভ্যন্তরে হদিস না পেয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে কারা কর্তৃপক্ষ।

শনিবার বিকেলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. শফিকুল ইসলাম খান কোতোয়ালি থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। জিডি নম্বর-৪১৭।

নিখোঁজ কয়েদির নাম মো. ফরহাদ হোসেন রুবেলের বাড়ি নরসিংদী জেলার রায়পুরা উপজেলার মীরেরকান্দি গ্রামে। তার বাবার নাম শুক্কুর আলী ভাণ্ডারি। জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সদরঘাট থানায় দায়ের হওয়া একটি মামলায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের অন্তর্বর্তীকালীন হাজতের পরোয়ানা মোতাবেক গত ৯ ফেব্রুয়ারি রুবেলকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়। শনিবার সকাল ৬টা থেকে কারা অভ্যন্তরে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পাওয়া যাচ্ছে না। তার সন্ধানে কারা অভ্যন্তরে তল্লাশি চলছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নেজাম উদ্দিন বলেন, একজন হাজতি নিখোঁজের ঘটনায় কারা কর্তৃপক্ষ থানায় একটি জিডি করেছে। ওই হাজতি সদরঘাট থানায় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় দায়ের হওয়া একটি হত্যা মামলার আসামি হিসেবে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে ছিলেন। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। একজন তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

এনআইডি সংশোধনে ৬ ক্যাটাগরির সেবা সাময়িক বন্ধ, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন

আসামি কারাগারে নাকি পালিয়েছেন, জানে না কারা কর্তৃপক্ষ!

আপডেট টাইম : ০৯:৩০:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ মার্চ ২০২১

কারাবন্দি নিখোঁজের ১২ ঘণ্টা পেরিয়ে গেছে। এখনও হদিস মিলেনি। কারাবন্দি কারাগারে নাকি পালিয়ে গেছেন তাও জানে না চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষ। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকবার ‘পাগলা ঘণ্টা’ও বাজানো হয়েছে। চলছে তল্লাশি। তবুও খোঁজ নেই ফারহাদ হোসেন রুবেলের। থানায় জিডিও করেছে কারা কর্তৃপক্ষ।

শনিবার (০৬ মার্চ) সকাল থেকে কারাবন্দি রুবেলের খোঁজ পাচ্ছে না চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষ। সকালে নিয়মিত বন্দি গণনাকালে ওই বন্দির অনুপস্থিতির বিষয়টি কারা কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। তবে এ বিষয়ে যোগাযোগ করেও কারা কর্মকর্তাদের স্পষ্ট কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। 

নগরীর সদরঘাট থানায় দায়ের হওয়া একটি হত্যা মামলার আসামি রুবেল। দিনভর কারা অভ্যন্তরে হদিস না পেয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে কারা কর্তৃপক্ষ।

শনিবার বিকেলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. শফিকুল ইসলাম খান কোতোয়ালি থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। জিডি নম্বর-৪১৭।

নিখোঁজ কয়েদির নাম মো. ফরহাদ হোসেন রুবেলের বাড়ি নরসিংদী জেলার রায়পুরা উপজেলার মীরেরকান্দি গ্রামে। তার বাবার নাম শুক্কুর আলী ভাণ্ডারি। জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সদরঘাট থানায় দায়ের হওয়া একটি মামলায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের অন্তর্বর্তীকালীন হাজতের পরোয়ানা মোতাবেক গত ৯ ফেব্রুয়ারি রুবেলকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়। শনিবার সকাল ৬টা থেকে কারা অভ্যন্তরে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পাওয়া যাচ্ছে না। তার সন্ধানে কারা অভ্যন্তরে তল্লাশি চলছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নেজাম উদ্দিন বলেন, একজন হাজতি নিখোঁজের ঘটনায় কারা কর্তৃপক্ষ থানায় একটি জিডি করেছে। ওই হাজতি সদরঘাট থানায় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় দায়ের হওয়া একটি হত্যা মামলার আসামি হিসেবে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে ছিলেন। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। একজন তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।


প্রিন্ট