ঢাকা ০৩:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার এসআই নাছিম উদ্দিন পেলেন বিশেষ পুরস্কার রাঙ্গামাটিতে পাহাড় ধসে ১ জনের মৃত্যু সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ফারুক আহমেদ তালায় নারী সমাবেশে নারী নির্যাতন ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত চিলমারী নদী বন্দর কর্তৃপক্ষের অনিয়ম ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে সংসদীয় আসনের এমপি’র সতর্ক বার্তা! ট্রাস্টি বোর্ড ভেঙে ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটিতে প্রশাসক নিয়োগ, সরকারের প্রজ্ঞাপন জারি যুক্তরাষ্ট্রকে বিধ্বস্ত করে শেষ আটে বেলজিয়াম এনআইডি সংশোধনে ৬ ক্যাটাগরির সেবা সাময়িক বন্ধ, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন বিশ্বম্ভরপুরের অনন্তপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু

পশ্চিমবঙ্গে বন্যায় লাখ হেক্টর কৃষিজমি পানির নিচে, মৃত ২৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : চলতি মৌসুমে অতিমাত্রায় বৃষ্টিপাত হয়েছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে। এতে ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়েছে রাজ্যটির একাধিক জেলা। বানের তোড়ে বহু মানুষের প্রাণহানিই শুধু নয়, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কয়েক লাখ হেক্টর কৃষিজমি। প্রাণ বাঁচাতে ত্রাণশিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন কয়েক হাজার মানুষ।

নবান্ন সূত্রের বরাতে বৃহস্পতিবার হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, অতিবৃষ্টি ও বন্যার প্রভাবে বুধবার বিকেল পর্যন্ত রাজ্যটিতে কমপক্ষে ২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে দেয়ালচাপায় ছয়জন, পানিতে ডুবে সাতজন, বজ্রপাতে ছয়জন ও বিদুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেছেন দু’জন। এছাড়া কালিম্পংয়ে ভূমিধসে মৃত্যু হয়েছে আরও দু’জনের।

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দাবি, ইতোমধ্যে ১ লাখ ১৩ হাজার ১৮১ জনকে দুর্গত এলাকা থেকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। ত্রাণশিবির খোলা হয়েছে ৩৬১টি, যেখানে আশ্রয় নিয়েছেন ৪৩ হাজারেরও বেশি মানুষ।

নবান্ন সূত্রের খবর, শিলাবতী, কংসাবতী ও দামোদরের পানি বেড়ে যাওয়ায় হাওড়া-মেদিনীপুর ও হুগলির বিস্তীর্ণ অঞ্চলে বন্যা দেখা দিয়েছে। কোথাও কোথাও সেতুতে ফাটল ধরেছে। প্রাণ হাতে করে তার ওপর দিয়েই পার হচ্ছেন স্থানীয়রা।

এদিকে, এই বন্যাকে ‘ম্যান মেড’ উল্লেখ করে এর জন্য দামোদর ভ্যালি করপোরেশনকে (ডিভিসি) দায়ী করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। তার অভিযোগ, ডিভিসি রাজ্য সরকারকে না জানিয়েই পানি ছেড়ে দিয়েছে। এর সঙ্গে প্রবল বর্ষণ যোগ হয়ে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।

অবশ্য এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে দামোদর ভ্যালি করপোরেশন। ডিভিসির নির্বাহী পরিচালক সত্যব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, দামোদর উপত্যকা বাঁধ নিয়ামক কমিটিতে ডিভিসির পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গ ও ঝাড়খণ্ড সরকারের প্রতিনিধিও রয়েছে। পানি ছাড়ার আগে কমিটির প্রত্যেক সদস্যের লিখিত অনুমতি নেয়া হয়। এবারও তার ব্যক্তিক্রম হয়নি।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার এসআই নাছিম উদ্দিন পেলেন বিশেষ পুরস্কার

পশ্চিমবঙ্গে বন্যায় লাখ হেক্টর কৃষিজমি পানির নিচে, মৃত ২৩

আপডেট টাইম : ১১:০৬:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ অগাস্ট ২০২১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : চলতি মৌসুমে অতিমাত্রায় বৃষ্টিপাত হয়েছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে। এতে ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়েছে রাজ্যটির একাধিক জেলা। বানের তোড়ে বহু মানুষের প্রাণহানিই শুধু নয়, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কয়েক লাখ হেক্টর কৃষিজমি। প্রাণ বাঁচাতে ত্রাণশিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন কয়েক হাজার মানুষ।

নবান্ন সূত্রের বরাতে বৃহস্পতিবার হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, অতিবৃষ্টি ও বন্যার প্রভাবে বুধবার বিকেল পর্যন্ত রাজ্যটিতে কমপক্ষে ২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে দেয়ালচাপায় ছয়জন, পানিতে ডুবে সাতজন, বজ্রপাতে ছয়জন ও বিদুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেছেন দু’জন। এছাড়া কালিম্পংয়ে ভূমিধসে মৃত্যু হয়েছে আরও দু’জনের।

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দাবি, ইতোমধ্যে ১ লাখ ১৩ হাজার ১৮১ জনকে দুর্গত এলাকা থেকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। ত্রাণশিবির খোলা হয়েছে ৩৬১টি, যেখানে আশ্রয় নিয়েছেন ৪৩ হাজারেরও বেশি মানুষ।

নবান্ন সূত্রের খবর, শিলাবতী, কংসাবতী ও দামোদরের পানি বেড়ে যাওয়ায় হাওড়া-মেদিনীপুর ও হুগলির বিস্তীর্ণ অঞ্চলে বন্যা দেখা দিয়েছে। কোথাও কোথাও সেতুতে ফাটল ধরেছে। প্রাণ হাতে করে তার ওপর দিয়েই পার হচ্ছেন স্থানীয়রা।

এদিকে, এই বন্যাকে ‘ম্যান মেড’ উল্লেখ করে এর জন্য দামোদর ভ্যালি করপোরেশনকে (ডিভিসি) দায়ী করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। তার অভিযোগ, ডিভিসি রাজ্য সরকারকে না জানিয়েই পানি ছেড়ে দিয়েছে। এর সঙ্গে প্রবল বর্ষণ যোগ হয়ে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।

অবশ্য এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে দামোদর ভ্যালি করপোরেশন। ডিভিসির নির্বাহী পরিচালক সত্যব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, দামোদর উপত্যকা বাঁধ নিয়ামক কমিটিতে ডিভিসির পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গ ও ঝাড়খণ্ড সরকারের প্রতিনিধিও রয়েছে। পানি ছাড়ার আগে কমিটির প্রত্যেক সদস্যের লিখিত অনুমতি নেয়া হয়। এবারও তার ব্যক্তিক্রম হয়নি।


প্রিন্ট