ঢাকা ০১:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এনআইডি সংশোধনে ৬ ক্যাটাগরির সেবা সাময়িক বন্ধ, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন বিশ্বম্ভরপুরের অনন্তপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের দুর্বৃত্তদের ছিটানো বিষে মারা গেছে সাড়ে ৪ লাখ টাকার পোনা কাপ্তাই লেকে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার ফিলিস্তিনিদের দুর্ভোগ বিশ্বের জন্য লজ্জার: মিশরের কোচ হোসাম হাসান ন্যাটো সম্মেলনের আগে মস্কোর দিকে ৪০০-র বেশি ড্রোন নিক্ষেপ ইউক্রেনের “ময়মনসিংহে মায়ের শ্লীলতাহানির ক্ষোভে রুবেল হত্যা, গ্রেপ্তার ৪” মিথ্যা অপপ্রচার দিয়ে ভালো উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত করা হয় মনোয়ার হোসেন জীবন ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে শুরু হলো ‘গ্র্যান্ড আমেরিকান ফুড ফেস্টিভ্যাল

অন্তঃসত্ত্বা-স্তন্যদাত্রী মায়েরাও পাচ্ছেন করোনা ভ্যাকসিন

ঢাকা : গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী মায়েদের মধ্যে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় সরকার ভ্যাকসিন দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। রোববার টিকা বিষয়ক জাতীয় কমিটির পরামর্শ অনুযায়ী এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

‘সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও মহামারি ছড়িয়ে পড়েছে। সবার মতো গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী নারীদের মধ্যেও করোনায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। বিষয়টি বিবেচনা করে গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী নারীদের টিকা দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।’
ভ্যাকসিন ডেপ্লয়মেন্ট কমিটির সদস্য সচিব ডা. শামসুল হক স্বাক্ষরিত নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, গর্ভবতী নারীদের সুরক্ষা ওয়েব পোর্টাল বা অ্যাপের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করে শুধু হাসপাতালবিশিষ্ট সরকারি টিকাকেন্দ্রে কোভিড-১৯ টিকা দিতে হবে। কেন্দ্রের রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের কাউন্সেলিং সম্পন্ন সাপেক্ষে গর্ভবতী নারীকে টিকা দিতে হবে।

বলা হয়েছে, গর্ভবতী নারী অসুস্থ থাকলে তাকে ভ্যাকসিন দেয়া যাবে না। অনিয়ন্ত্রিত দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত গর্ভবতী নারীকে টিকা দেয়া যাবে না। কোনো গর্ভবতী নারীর ভ্যাকসিন অ্যালার্জির পূর্ব ইতিহাস থাকলে তাকে করোনার টিকা দেয়া যাবে না।

‘কোনো গর্ভবতী নারী যদি কোডিড-১৯ ভ্যাকসিনের ১ম ডোজ নেয়ার পর এইএফআই কেস হিসেবে শনাক্ত হন তবে তাকে দ্বিতীয় ডোজ দেয়া যাবে না।’

গত ২ আগস্ট অন্তঃসত্ত্বা নারী ও স্তন্যদাত্রী মায়েদের করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন গ্রহণে কোনো বাধা নেই এবং তাদেরকে টিকা দেয়া যেতে পারে বলে সুপারিশ করে স্বাস্থ্য অধিদফতরের জাতীয় টিকা পরামর্শক কমিটি।
এই কমিটির সদস্য ডা. বে-নজির আহমেদ বলেন, ‌‘আমরা মতামত দিয়েছি যে তাদেরকে টিকা দেয়া যেতে পারে।’ বেশ কয়েকটি বিষয় মাথায় রেখে এই সুপারিশ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, গর্ভবতী মায়েদের চিকিৎসায় নিয়োজিত চিকিৎসকদের জাতীয় ফোরাম অবসটেট্রিক্যাল অ্যান্ড গায়নিকোলজিক্যাল সোসাইটি অব বাংলাদেশ-ওজিএসবি বেশ কিছুদিন আগেই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য অধিদফতরে গর্ভবতী মা এবং যারা শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ান তাদের টিকার আওতায় আনার আবেদন করে।

সেই পরিপ্রেক্ষিতেই এ বিষয়ে আলোচনায় বসে জাতীয় টিকা পরামর্শক কমিটি।

তিনি বলেন, টিকা দেয়ার ক্ষেত্রে যেসব বিষয় মাথায় রাখা হয় তার মধ্যে একটি হচ্ছে ঝুঁকি এবং আরেকটি হচ্ছে সুফল। এক্ষেত্রে ঝুঁকির তুলনায় সুফল বেশি বলে তারা মনে করছেন।

তিনি বলেন, বিভিন্ন দেশে গর্ভবতী মায়েরা টিকা নিয়েছেন। তাদের মধ্যে টিকার বিরূপ প্রতিক্রিয়াও মূল্যায়ন করা হয়েছে। গর্ভবতী নারীদের টিকা দেয়ার যে ঝুঁকি তা অন্যদের তুলনায় বেশি নয়। আর এজন্যই তাদেরকে টিকা দেয়ার সুপারিশ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

এনআইডি সংশোধনে ৬ ক্যাটাগরির সেবা সাময়িক বন্ধ, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন

অন্তঃসত্ত্বা-স্তন্যদাত্রী মায়েরাও পাচ্ছেন করোনা ভ্যাকসিন

আপডেট টাইম : ১১:৫১:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ অগাস্ট ২০২১

ঢাকা : গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী মায়েদের মধ্যে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় সরকার ভ্যাকসিন দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। রোববার টিকা বিষয়ক জাতীয় কমিটির পরামর্শ অনুযায়ী এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

‘সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও মহামারি ছড়িয়ে পড়েছে। সবার মতো গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী নারীদের মধ্যেও করোনায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। বিষয়টি বিবেচনা করে গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী নারীদের টিকা দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।’
ভ্যাকসিন ডেপ্লয়মেন্ট কমিটির সদস্য সচিব ডা. শামসুল হক স্বাক্ষরিত নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, গর্ভবতী নারীদের সুরক্ষা ওয়েব পোর্টাল বা অ্যাপের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করে শুধু হাসপাতালবিশিষ্ট সরকারি টিকাকেন্দ্রে কোভিড-১৯ টিকা দিতে হবে। কেন্দ্রের রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের কাউন্সেলিং সম্পন্ন সাপেক্ষে গর্ভবতী নারীকে টিকা দিতে হবে।

বলা হয়েছে, গর্ভবতী নারী অসুস্থ থাকলে তাকে ভ্যাকসিন দেয়া যাবে না। অনিয়ন্ত্রিত দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত গর্ভবতী নারীকে টিকা দেয়া যাবে না। কোনো গর্ভবতী নারীর ভ্যাকসিন অ্যালার্জির পূর্ব ইতিহাস থাকলে তাকে করোনার টিকা দেয়া যাবে না।

‘কোনো গর্ভবতী নারী যদি কোডিড-১৯ ভ্যাকসিনের ১ম ডোজ নেয়ার পর এইএফআই কেস হিসেবে শনাক্ত হন তবে তাকে দ্বিতীয় ডোজ দেয়া যাবে না।’

গত ২ আগস্ট অন্তঃসত্ত্বা নারী ও স্তন্যদাত্রী মায়েদের করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন গ্রহণে কোনো বাধা নেই এবং তাদেরকে টিকা দেয়া যেতে পারে বলে সুপারিশ করে স্বাস্থ্য অধিদফতরের জাতীয় টিকা পরামর্শক কমিটি।
এই কমিটির সদস্য ডা. বে-নজির আহমেদ বলেন, ‌‘আমরা মতামত দিয়েছি যে তাদেরকে টিকা দেয়া যেতে পারে।’ বেশ কয়েকটি বিষয় মাথায় রেখে এই সুপারিশ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, গর্ভবতী মায়েদের চিকিৎসায় নিয়োজিত চিকিৎসকদের জাতীয় ফোরাম অবসটেট্রিক্যাল অ্যান্ড গায়নিকোলজিক্যাল সোসাইটি অব বাংলাদেশ-ওজিএসবি বেশ কিছুদিন আগেই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য অধিদফতরে গর্ভবতী মা এবং যারা শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ান তাদের টিকার আওতায় আনার আবেদন করে।

সেই পরিপ্রেক্ষিতেই এ বিষয়ে আলোচনায় বসে জাতীয় টিকা পরামর্শক কমিটি।

তিনি বলেন, টিকা দেয়ার ক্ষেত্রে যেসব বিষয় মাথায় রাখা হয় তার মধ্যে একটি হচ্ছে ঝুঁকি এবং আরেকটি হচ্ছে সুফল। এক্ষেত্রে ঝুঁকির তুলনায় সুফল বেশি বলে তারা মনে করছেন।

তিনি বলেন, বিভিন্ন দেশে গর্ভবতী মায়েরা টিকা নিয়েছেন। তাদের মধ্যে টিকার বিরূপ প্রতিক্রিয়াও মূল্যায়ন করা হয়েছে। গর্ভবতী নারীদের টিকা দেয়ার যে ঝুঁকি তা অন্যদের তুলনায় বেশি নয়। আর এজন্যই তাদেরকে টিকা দেয়ার সুপারিশ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।


প্রিন্ট