ঢাকা ১২:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের দুর্বৃত্তদের ছিটানো বিষে মারা গেছে সাড়ে ৪ লাখ টাকার পোনা কাপ্তাই লেকে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার ফিলিস্তিনিদের দুর্ভোগ বিশ্বের জন্য লজ্জার: মিশরের কোচ হোসাম হাসান ন্যাটো সম্মেলনের আগে মস্কোর দিকে ৪০০-র বেশি ড্রোন নিক্ষেপ ইউক্রেনের “ময়মনসিংহে মায়ের শ্লীলতাহানির ক্ষোভে রুবেল হত্যা, গ্রেপ্তার ৪” মিথ্যা অপপ্রচার দিয়ে ভালো উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত করা হয় মনোয়ার হোসেন জীবন ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে শুরু হলো ‘গ্র্যান্ড আমেরিকান ফুড ফেস্টিভ্যাল কুড়িগ্রামে আধুনিক হাঁস পালন সম্প্রসারণে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার, বাড়ছে খামারিদের আগ্রহ হিসাবে গড়মিলের অভিযোগে আলোচনায় বাদাঘাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়

শেরপুরের বন্যা পরিস্থিতির আবারও অবনতি

বৃষ্টি হওয়ায় গত ২৪ ঘন্টায় শেরপুর জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। ২৪ ঘন্টার ভারি বৃষ্টি পাত হওয়ায় পাহাড়ি এলাকার চারটি নদীর পানিই বৃদ্ধি পেয়েছে। মহারশি, ভোগাই, সোমেশ্বরি ও চেল্লাখালি নদীর পানি বিপদ সীমীর ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

ঝিনাইগাতী ও নালিতাবাড়ী উপজেলা শহরে পানি ঢুকে পড়েছে।
পানি বৃদ্ধিতে জন দুর্ভোগ আর বৃদ্ধি পেয়েছে।
ইতিমধ্যে এ দুই উপজেলার ৩০ হাজারের বেশি মানুষ পানি বন্দি হয়ে পড়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী জানান, ২৪ ঘন্টায় জেলার বন্যা পরিস্থিতির আরো খারাপ অবস্থার সৃষ্টি হবে। ২৪ পাহাড়ি এলাকার ৪টি নদীর বিপদসীমার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।

পরিস্থিতি মোকাবেলায় জেলা প্রশাসনে পক্ষ থেকে ভার্চুয়ালি প্রস্তুতি মূলক সভা করা হয়েছে ।
এসময় জেলা প্রশাসক সাহেলা আক্তার জানান, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় সকলকে প্রস্তুত থাকতে হবে। বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ছুটিতে যাওয়া যাবে না। শুকনো খাবারসহ ত্রাণ বিতরণে সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের

শেরপুরের বন্যা পরিস্থিতির আবারও অবনতি

আপডেট টাইম : ০৪:০১:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুন ২০২২

বৃষ্টি হওয়ায় গত ২৪ ঘন্টায় শেরপুর জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। ২৪ ঘন্টার ভারি বৃষ্টি পাত হওয়ায় পাহাড়ি এলাকার চারটি নদীর পানিই বৃদ্ধি পেয়েছে। মহারশি, ভোগাই, সোমেশ্বরি ও চেল্লাখালি নদীর পানি বিপদ সীমীর ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

ঝিনাইগাতী ও নালিতাবাড়ী উপজেলা শহরে পানি ঢুকে পড়েছে।
পানি বৃদ্ধিতে জন দুর্ভোগ আর বৃদ্ধি পেয়েছে।
ইতিমধ্যে এ দুই উপজেলার ৩০ হাজারের বেশি মানুষ পানি বন্দি হয়ে পড়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী জানান, ২৪ ঘন্টায় জেলার বন্যা পরিস্থিতির আরো খারাপ অবস্থার সৃষ্টি হবে। ২৪ পাহাড়ি এলাকার ৪টি নদীর বিপদসীমার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।

পরিস্থিতি মোকাবেলায় জেলা প্রশাসনে পক্ষ থেকে ভার্চুয়ালি প্রস্তুতি মূলক সভা করা হয়েছে ।
এসময় জেলা প্রশাসক সাহেলা আক্তার জানান, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় সকলকে প্রস্তুত থাকতে হবে। বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ছুটিতে যাওয়া যাবে না। শুকনো খাবারসহ ত্রাণ বিতরণে সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।


প্রিন্ট